ইবিতে হঠাৎ সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দ

ইবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শিক্ষার্থী ও পুলিশ, ছবি: সংগৃহীত

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শিক্ষার্থী ও পুলিশ, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত দুইদিনের ব্যবধানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আবারো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ধারণা মতে এর উৎপত্তি ফাঁকা গুলি বা সাউন্ড গ্রেনেড থেকে।

গতকাল মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে লালন শাহ হল এলাকা বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে। এরপর বিস্ফোরণস্থলে পুড়ে যাওয়া ঘাস (স্পট) পাওয়া যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে লালন শাহ হলের দক্ষিণ ব্লকের পেছনে হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পুরো হল এলাকা। এ সময় হলে থাকা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/28/1566971764201.jpg

এরপর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহুরুল হক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন উপস্থিত হয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে সাউন্ড গ্রেনেডের স্পট পাওয়া যায়।

পরে পুলিশ ও ছাত্র উপদেষ্টা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই একইস্থানে আবারো ফাঁকা গুলির শব্দ শোনা যায়। হলের একাধিক শিক্ষার্থী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এক ঘণ্টার ব্যবধানে হলে দক্ষিণ ব্লকের পেছনে বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গুলির শব্দ শোনা যায়। এ ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত।’

এ বিষয়ে ইবি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহুরুল হক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের জানালে আমরা তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। আমরা খোঁজখবর অব্যাহত রাখছি। এ বিষয়ে সঠিক কোনো তথ্য পেলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘এগুলো হয়তো কোনো বাজির শব্দ হতে পারে। বাড়তি মনোযোগ আকর্ষণ করতে কেউ না কেউ এগুলো করেছে।’

বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আনিছুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এ বিষয়ে বলেন, ‘গতকাল ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। এটা পটকা অথবা কোনো বাজির শব্দ হতে পারে। এ বিষয়ে আমি গোয়েন্দা সংস্থার লোকদের সঙ্গে কথা বলেছি। আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কেউ হয়তো এটা করেছে।’

প্রসঙ্গত, দলীয় কর্মীকে মারধরের অভিযোগে গত রোববার মধ্যরাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাত্রদের আবাসিক হলের সামনে কয়েক রাউন্ড গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় ৭-৮ জন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন।

আপনার মতামত লিখুন :