‘উপাচার্যের ছেলের কল লিস্টেই দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে’

জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
জাবি ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, ছবি: সংগৃহীত

জাবি ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার ছিনতাইয়ের ঘটনা থেকে শুরু করে টাকা প্রদানের দিন পর্যন্ত উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের ছেলে প্রতিক তাজদীক হুসাইনের ফোন কল চেক করলেই দুর্নীতির সব ঘটনা বের হয়ে যাবে। শিডিউল ছিনতাই থেকে শুরু করে প্রকল্পে দুর্নীতি সবখানে উপাচার্যের ছেলে ও স্বামী সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এই কথা বলেন।

সাদ্দাম হোসাইন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘গত ৯ আগস্টের মিটিংয়ে আমি সরাসরি উপস্থিত ছিলাম। ফলে আমিই জানি প্রকল্পের টাকা কীভাবে দুর্নীতি করা হয়েছে। তাছাড়া আমার সঙ্গে এবং ভিসির ছেলের সঙ্গে যে কথা হয়েছে সেটাই যথেষ্ট যে উপাচার্যের ছেলে এবং স্বামী কতটুকু জড়িত। সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা আমাদের ফোন কল বের করে দেখুক তাহলেই সব প্রমাণ পাওয়া যাবে। আমরা কোনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতে চাই না। সব দুর্নীতির বিচার চাই।’

আরও পড়ুন: রাব্বানী-জাবি ছাত্রলীগ নেতার ফোনালাপ ফাঁস

এছাড়া তিনি দাবি করেন, গত ২৩ মে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে যে শিডিউল ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে এটা সত্য নয়। ছাত্রলীগের কেউ শিডিউল ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল না। বরং উপাচার্যের ছেলের মদদে প্রকল্পের শিডিউল ছিনতাই করা হয়েছে। আমরা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ঘোষণা দিয়ে শিডিউল ড্রপ ওপেন করেছি।

শিডিউল ছিনতাইয়ের যে অভিযোগ সেটার তদন্ত বা বিচার চান কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সাদ্দাম বলেন, ‘অবশ্যই চাই। আমরা যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিপক্ষে। শিডিউল ছিনতাইয়ের যে ঘটনা ঘটেছে তার বিচার আমরা চাই।’

আরও পড়ুন: জাবির উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৬ শতাংশ চাঁদা দাবি শোভন-রাব্বানীর

টাকা লেনদেন সংক্রান্ত আলোচিত ফোনালাপ ফাঁসের বিষয়ে জানতে চাইলে জাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘ফাঁস হওয়া ফোনালাপে স্পষ্ট যে শাখা ছাত্রলীগকে ‘ঈদ সালামি’ হিসেবে ১ কোটি টাকা দিয়েছেন ফারজানা ইসলাম। প্রকল্পের টাকা থেকে শাখা ছাত্রলীগ এক কোটি টাকা চাঁদা পেয়েছে। একই সঙ্গে এই দুর্নীতির সাথে উপাচার্যের পুত্র, স্বামী, ব্যক্তিগত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক জড়িত।’

আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার জাবি উপাচার্যের

অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের ছেলে প্রতিক তাজদীক হুসাইনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :