Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

‘বিতর্কিত’ পেনাল্টিতে ব্রাজিলের জয়

‘বিতর্কিত’ পেনাল্টিতে ব্রাজিলের জয়
নেইমারের গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল ব্রাজিল
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নামে প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু পুরো খেলায় সেই ‘প্রীতি’ রইলো কই? নেইমারের পায়ে বল যেতেই হামলে পড়ে উরুগুয়ের খেলোয়াড়রা। ফাউল আর হলুদ কার্ডের বাঁশি বাজাতেই বেশি ব্যস্ত হয়ে থাকতে হলো বেচারা রেফারিকে। সবমিলিয়ে ম্যাচে ফাউল হলো ৩৮টি। উরুগুয়ের ছয়জন খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখলেন! আর পুরো ম্যাচ গোল হলো মাত্র একটি। তাও আবার পেনাল্টি থেকে। পেনাল্টির সেই সিদ্ধান্তেও বিতর্ক আছে প্রচুর। সেই বিতর্ক মাথায় নিয়েই নেইমারের পেনাল্টি থেকে গোল পেয়ে ম্যাচ জিতলো ব্রাজিল।

ইংল্যান্ডের আর্সেনালের এমিরেটস স্টেডিয়ামে ব্রাজিল-উরুগুয়ের এই প্রীতি ম্যাচকে ফাউল, ধাক্কাধাক্কি ও হলুদ কার্ডের ম্যাচ এই নামে অ্যাখায়িত করা যায়! আর যথারীতি এই ফাউলের সবচেয়ে বেশি শিকার হন নেইমার। ম্যাচের ৭৬ মিনিটের সময় উরুগুয়ের দিয়োগো লাক্সাত ব্রাজিলের ড্যানিলোকে যে ফাউল করেন সেটা ফাউলের পর্যায়ে পড়ে কিনা-তা নিয়ে বিতর্ক উঠতেই পারে। কিন্তু রেফারি ক্রেইগ পোসনের দৃষ্টিতে সেটা ফাউল। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান তিনি। উরুগুয়ের খেলোয়াড়রা বিস্ময় দৃষ্টি নিয়ে রেফারির কাছে ছুটে প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু রেফারি তার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। স্পট থেকে গোল করে ব্রাজিলকে ম্যাচ জেতান নেইমার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/17/1542429602497.jpg

ব্রাজিল ম্যাচ জিতলোও মন ভরানোর মতো ফুটবল যে খেলতে পারলো না। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে পেছনের ১০ ম্যাচে উরুগুয়ে প্রতিপক্ষ ব্রাজিলকে হারাতে পারেনি। প্রীতি ম্যাচ হলেও উভয় দল তাদের পুরো শক্তির একাদশকেই মাঠে নামায়। ইংল্যান্ডে খেলার অভিজ্ঞতা আছে এমন খেলোয়াড়দের নিয়েই দল সাজায় ব্রাজিল। লিভারপুলের তারকা ব্রাজিলিয়ান রবার্তো ফিরমিনো ও গোলকিপার অ্যালিসন একাদশে ছিলেন। এভারটনের ফুটবলার রিচার্লিসন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন।

আর্সেনালে খেলা উরুগুয়ের ফুটবলার লুকাস টোরেইরাও এই ম্যাচে খেলেন। তবে নিজের ‘হোম গ্রাউন্ডে’ টোরেইরা এই ম্যাচে যতখানি না তার ফুটবল কৌশলের জন্য সুনাম কুড়ান তার চেয়ে বেশি নজরে পড়ে নেইমারকে ফাউল করে! দলের হলুদ কার্ড দেখা ছয় খেলোয়াড়ের একজন টোরেইরাও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/17/1542429622447.jpg

গোল করার সুযোগ যে উরুগুয়ে পায়নি তাও কিন্তু নয়। ব্রাজিল পোস্টে দুবার গোলোৎসবের খুব কাছে পৌছে গিয়েছিলেন লুইস সুয়ারেজ। একবার দুর থেকে একটা শট এবং আরেকবার তার ফ্রিকিক ব্রাজিল ভক্তদের কলজে কাঁপিয়ে দেয়। দু’বারই সুয়ারেজের গোলের চেষ্টা আটকে দেন ব্রাজিল গোলকিপার অ্যালিসন।

মুলত সামনের বছরের কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির জন্য দল গড়তেই ব্রাজিল এখন প্রীতি ম্যাচ খেলে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছে। ২০ নভেম্বর ব্রাজিল আরেকটি প্রীতি ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে। আর উরুগুয়ে সামনের সপ্তাহে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের সঙ্গে খেলবে, প্যারিসে।

আপনার মতামত লিখুন :

এগারতে পা, এমন সাফল্য স্বপ্নেও ভাবেন নি কোহলি

এগারতে পা, এমন সাফল্য স্বপ্নেও ভাবেন নি কোহলি
২০০৮ সালের ১৮ আগস্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন কোহলি

চোখের পলকেই যেন সময়টা কেটে গেছে! এখনো পেছন ফিরে তাকলে স্মৃতিতে উজ্জ্বল ১৮ আগস্ট, ২০০৮! এদিনই ডাম্বুলায় ওয়ানডে অভিষেক বিরাট কোহলির। প্রথম ম্যাচে মাত্র ১২ রান করে ফিরেছিলেন সাজঘরে। তারপর কিছুদিন সংগ্রাম করলেও এরপর শুধুই এগিয়ে চলার গল্প। সময়ের পথ ধরে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। হয়ে উঠেছেন ভারত ও বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান।

সেই বিরাট কোহলি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখলেন ১১ বছরে। ক্যারিয়ারের প্রথম একবছর কোনও সেঞ্চুরির দেখা না মিললেও এখন বিশ্বের নাম্বার ওয়ান ব্যাটসম্যান। বলা হচ্ছে শচীন টেন্ডুলকারের সব রেকর্ড একদিন তারই হবে!

ক্যারিয়ারের বিশেষ এই দিনে কোহলি রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। সেখান থেকেই ভক্তদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। সোমবার আবেগঘন সেই বার্তায় ছিল সবার জন্য উপদেশও!

টুইটারে বিরাট কোহলি লিখেছেন, ‘টিনেজ হিসেবে ২০০৮ সালের ১৮ আগস্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু। এরপর ১১ বছরে ঈশ্বর আমাকে যা আশীর্বাদ দিয়েছেন তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি! তোমরা সঠিক পথ খুঁজে নাও। তোমরা তোমাদের স্বপ্ন তাড়া করার শক্তি সঞ্চয় করো!’

এই টুইটের সঙ্গে ২০০৮ ও বর্তমান সময়ে নিজের দু’টি ছবি ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন কোহলি।

যদিও ক্যারিয়ারের শুরুটা তেমন ভাল ছিল না তার। প্রথম বছর সেঞ্চুরির দেখা পাননি। ২০০৯ ইডেন গার্ডেনে এসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম শতরান আসে কোহলির ব্যাট থেকে। এরপর শুধুই এগিয়ে গেছেন তিনি।

২০১১ থেকে দাপট শুরু। তারপর ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রতি ক্যালেন্ডার ইয়ারে ১ হাজারের বেশি রান তুলেছেন তিনি। মাঝে অবশ্য ২০১৫, ২০১৬ সালে ছন্দপতন হয়েছিল। এরইমধ্যে করে ফেলেছেন ৪৩ ওয়ানডে সেঞ্চুরি। আর ৭টি করলেই পেছনে ফেলবেন লিজেন্ড শচীন টেন্ডুলকারকে!

ভারতের হয়ে ৭৭ টেস্ট খেলে করেছেন ৬৬১৩ রান। ২৩৯ ওয়ানডেতে ১১৫২০ আর ৭০ টি-টুয়েন্টিতে তুলেছেন ২৩৬৯ রান।

এদিকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানকে সম্মান জানানো হচ্ছে। তার কীর্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিল্লির বিখ্যাত ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামের একটি স্ট্যান্ড কোহলির নামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি জেলা ক্রিকেট সংস্থা। ১২ সেপ্টেম্বর এই ‘বিরাট কোহলি স্ট্যান্ড’ উদ্বোধন করা হবে।

আঘাত নিয়েও হেডিংলি টেস্টে খেলবেন স্মিথ!

আঘাত নিয়েও হেডিংলি টেস্টে খেলবেন স্মিথ!
আর্চারের বাউন্সারের আঘাতে মাঠে পড়ে আছেন স্মিথ, ছবি: সংগৃহীত

ঘাড়ে বাউন্সারের আঘাত নিয়ে লর্ডস টেস্টের শেষ দিন মাঠে নামেননি স্টিভেন স্মিথ। অবশ্য গুরুতর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি স্ক্যান রিপোর্টে। তবে আঘাতের ধকল কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাই সতর্কতা হিসেবে দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম দিন বিশ্রামেই ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক।

তবে তৃতীয় টেস্টের আগেই শতভাগ ফিট হয়ে যাবেন বলেই  প্রত্যাশাই করছেন এ তারকা অজি ব্যাটসমান।

শনিবার ব্যক্তিগত ৮০ রানের স্কোরে থাকার সময় ইংলিশ পেসার জোফরা আর্চারের বাউন্সারের আঘাতে মাঠে লুটিয়ে পড়েন স্মিথ। রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরেন সাজঘরে।  

প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ফের ব্যাট হাতে মাঠে নেমে স্কোরটা টেনে নিয়ে যান ৯২ তে। তবে পঞ্চম দিনে তার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মারনাস লাবুশেন।

২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার হেডিংলিতে অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে ফের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে স্মিথের।

নিজের চোট নিয়ে স্মিথ বলেন, ‘আঘাত পাওয়াটা  অবশ্যই দুশ্চিন্তার বিষয়। তবে আমি শতভাগ ফিট হতে চাই। এটা মেডিকেল টিমের ওপর নির্ভর করছে। আমরা এনিয়ে কথা বলেছি।’

তবে ভক্ত সমর্থকদের আশার বাণী শুনিয়েছেন স্মিথ, ‘তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে আগামী কয়েকটা দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকব। প্রত্যাশা করছি, আমি চোট কাটিয়ে উঠতে পারব। এবং আগামী টেস্টের জন্য ফিট হয়ে উঠব।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র