মাঠে ফিরেই তামিমের ঝড়ো সেঞ্চুরি!

তামিম ইকবাল

হাতে চোট পেয়েছিলেন ১৫ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপের ম্যাচে। সেই ম্যাচে একহাতে ব্যাট করেও দলকে জেতাতে দারুণ সাহসী ভুমিকা রেখেছিলেন তামিম ইকবাল। তবে সেই ইনজুরি তাকে লম্বা সময় ধরে মাঠের বাইরে ঠেলে দিয়েছিলো। চোট সারিয়ে মাঠে ফিরলেন তামিম ইকবাল ৬ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার। ফিরেই ব্যাটে ঝড় তুললেন। সেঞ্চুরি করলেন। তার সেই ঝড়ো সেঞ্চুরিতেই বিকেএসপিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তোলার বিশাল সংগ্রহকে বিসিবি একাদশ টপকে যাওয়ার পথে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের তোলা ৩৩১ রানের জবাবে বিসিবি একাদশ ২৩ ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে তুলে নেয় ১৯৭ রান। তামিম ইকবাল করেন মাত্র ৭৩ বলে ১০৭ রান। ব্যাটিংয়ের শুরু থেকেই তামিম ইকবার চড়ে বসেন উইন্ডিজ বোলারদের ওপর। প্রায় একা হাতেই শাসন করে যান। শুরুর ৬ ওভারেই বিসিবি একাদশের স্কোর ৫০ পেরিয়ে যায়। স্কোরবোর্ডে ১৫০ রান পেরিয়ে যায় বিসিবি একাদশ মাত্র ১৮ ওভারেই। ১৩ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় ৭৩ বলে তামিমের ১০৭ রান জানিয়ে দিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ যতই বড় হোক না কেন সেটা জেতার ক্ষমতা রাখে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার দল!

তামিমের সেঞ্চুরিতে তৈরি করে দেয়া ভিতের ওপর দাড়িয়ে যেভাবে সামনে বাড়ছিলো বিসিবি একাদশের ইনিংস, তার কোন জবাবই খুঁজেই পাচ্ছিলো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পুরোটা সময় উইন্ডিজের বোলারদের বেহাল দশা দেখে একটা শব্দই বারবার মনে হচ্ছিলো- বেচারা!

১৫ সেপ্টেম্বরে দুবাইয়ে এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে সেই চোটের পর তামিম সবমিলিয়ে আটটি ওয়ানডে এবং চারটি টেস্ট ম্যাচ মিস করেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেই তার ফেরার একটা সম্ভাবনা ছিলো। কিন্তু তখনো হাতের ইনজুরি থেকে পুরোপুরি রেহাই মেলেনি। তাই টেস্ট সিরিজ মিস করেন। তবে ওয়ানডে সিরিজে খেলছেন তামিম। আর সেই সিরিজের প্রথম ম্যাচেই নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচেই তামিমের সেঞ্চুরির এই ইনিংস জানিয়ে দিলো ব্যাট হাতে আবারো দারুণ কিছু করতে প্রস্তুত তিনি। একটু জানিয়ে দেই-এশিয়া কাপে যে ম্যাচে তামিম চোট পেয়েছিলেন তাতে তার স্কোর ছিলো অপরাজিত ২। তার আগের তিন ম্যাচে তার স্কোর ছিলো যথাক্রমে ১০৩, ৫৪ ও অপরাজিত ১৩০। এই তিন ইনিংসেই তার প্রতিপক্ষ ছিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ!

সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই প্রস্তুতি ম্যাচে বৃহস্পতিবার করলেন ১০৭। প্রতিপক্ষ হিসেবে তাহলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ভীষণ পছন্দ তামিমের!

খেলা এর আরও খবর

//election count down