Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফের আফ্রিকার বর্ষসেরা মোহাম্মদ সালাহ

ফের আফ্রিকার বর্ষসেরা মোহাম্মদ সালাহ
মোহাম্মদ সালাহ : আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলার
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইনজুরির কারণে রাশিয়া বিশ্বকাপ মিশনটা তেমন ভাল কাটেনি তার। কিন্তু সব মিলিয়ে বছরটা মনে রাখার মতোই ছিল মোহাম্মদ সালাহর। তার পথ ধরে নতুন বছরের শুরুতেই বড় একটা স্বীকৃতি পেলেন মিশরের এই ফুটবলার। টানা দ্বিতীয়বার আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন তিনি। সেনেগালের রাজধানী ডাকারে এক জমকালো আয়োজনে তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন লাইবেরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও দেশটির সাবেক ফুটবল কিংবদন্তি জর্জ উইয়াহ।

২০১৮ সালের বর্ষসেরা দৌড়ে তার সঙ্গে ছিলেন সেনেগালের সাদিও মানে ও গ্যাবনের স্ট্রাইকার পিয়েরি-এমরিক আবামেয়াং। তাদের পেছনে ফেলে সেরা ফুটবলার হলেন সালাহ।

সাফল্যের স্বীকৃতিটাই পেয়েছেন মোহাম্মদ সালাহ। ২০১৭-১৮ মৌসুমে লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে করেন রেকর্ড ৩২টি গোল। সব আসর মিলিয়ে ৪৪ গোল করেন তিনি। গেল মৌসুমে তার ম্যাজিকেই লিভারপুল পেয়েছিল উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের টিকিট। একইসঙ্গে দীর্ঘ ২৮ বছর পর মিশর তার ম্যাজিকেই জায়গা করে নেয় বিশ্বকাপে। যদিও ইনজুরির কারণে রাশিয়া বিশ্বকাপটা মনে রাখার মতো হয়নি তার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/09/1547008856431.jpg

সেরার লড়াই তার লিভারপুল সতীর্থ সাদিও মানে ও আর্সেনালের গ্যাবন স্ট্রাইকার পিয়েরি-এমরিক আবামেয়াংকে অনেকটা অনায়াসেই হারালেন সালাহ।

এদিকে ২০১৯ সালের আফ্রিকান নেশন্স কাপ আয়োজক হয়েছে মিশর। মঙ্গলবার কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল (সিএএফ) এর কার্যনির্বাহী সভায় ভোটে স্বাগতিক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে মোহাম্মদ সালাহ'র দেশ। এর আগে ১৯৫৭, ১৯৭৪, ১৯৮৬ ও ২০০৬ সালে নেশন্স কাপের আয়োজক ছিল মিশর।

এনিয়ে পঞ্চমবারের মতো আফ্রিকান নেশন্স কাপ আয়োজন করবে মিশর। আগামী ১৫ জুন ২৪ দেশের এই প্রতিযোগিতা শুরু। ফাইনাল ১৩ জুলাই।

আপনার মতামত লিখুন :

টানা তিন ম্যাচে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা

টানা তিন ম্যাচে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা
বল দখলেও পিছিয়ে থাকল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ২১ নারী দল

সেই একই গল্প! হারের বৃত্তেই বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ২১ নারী হকি দল। তবে আগের দুই ম্যাচে ৬টি করে গোল হজম করলেও এবার কিছুটা উন্নতিও হয়েছে। ভারতের সাই ন্যাশনাল হকি একাডেমি নারী দল সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে তুলে নিয়েছে ৩-০ গোলের জয়।

রাজধানীর মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে শুক্রবার বাংলাদেশের মেয়েরা প্রথমার্ধ শেষ করে ০-২ গোলে পিছিয়ে থেকে। এরপর তৃতীয় কোয়ার্টারে আরেকটি গোল হজম করে। স্বস্তি এটাই এবার কম গোল হজম করেছে তারা।

ম্যাচে ভারতীয় দলটির হয়ে গোল তিনটি করেন সাক্ষী, লালওয়ান পুই ও লালরুতাফেলি মেসাবি।

৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে ওমেন্স জুনিয়র এএইচএফ কাপ। এই লড়াইয়ের আগে ঘরের মাঠে প্রস্তুতি পর্বে ভারতের সাই জাতীয় হকি একাডেমির নারী দলের সঙ্গে লড়ছে মেয়েরা। ৬ ম্যাচের সিরিজ খেলছে দুই দল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566577980346.jpg

শুক্রবার ম্যাচের আগে দুই দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সভাপতি এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বিবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ জাফর উদ্দীন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ওয়াসেক মোহাম্মদ আলী, গ্রীন ডেল্টা ইন্সুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের সিনিয়র কনসালটেন্ট এ এস এ মুইজ ও ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক ইকবাল বিন আনোয়ার ডন।

সিরিজের শেষ তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২৫, ২৬ ও ২৭ আগস্ট।

তাই বলে ইংল্যান্ড ৬৭ রানে অলআউট?

তাই বলে ইংল্যান্ড ৬৭ রানে অলআউট?
জশ হেইজেলউড তুলে নেন ৫ উইকেট

হেডিংলিতে রীতিমতো দুঃস্বপ্ন সঙ্গী হয়েছে ইংল্যান্ডের। অথচ উইকেটে তেমন রহস্য ছিল কোথায়? দিনের আলোতে ঠিকঠাক খেলতে পারলে ঠিকই আরও কিছুটা সময় উইকেটে কাটিয়ে দিতে পারতেন ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু রোদ ঝলমলে দিনেই দেখা মিলল অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত বোলিং। কিন্তু তাই বলে মাত্র ৬৭ রানে অলআউট? হিসাবটা ঠিক মিলছে না!

অথচ এর আগে অজিদের ১৭৯ রানে অলআউট করে হাসিমুখে সাজঘরে ফিরেছিল ইংলিশরা। কিন্তু এরপর ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় সর্বনাশ। সব মিলিয়ে  অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার লিড ১১২ রান।

হেডিংলি টেস্টে বেশ দাপটই ছিল ইংল্যান্ডের। নিজেদের মাঠে বোলারদের ম্যাজিকে অজিদের চেপে ধরেছিল তারা। কিন্তু সেই হাসিমুখটা শেখ অব্দি থাকল না। কারণ শুক্রবার একশ রানের আগেই যে শেষ তাদের প্রথম ইনিংস। আরেকটু হলে অজিদের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসের সর্বনিম্ম রানের লজ্জায় পড়তে যাচ্ছিল তারা।

১৯৪৮ সালে ওভালে মাত্র ৫২ রানে অলআউট হয়েছিল ইংল্যান্ড। যা কীনা টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের সর্বনিম্ন ইনিংস। এবার ২৭.৫ ওভার খেলে দল তুলল ৬৭ রান। বিস্ময়কর হলেও সত্য দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন শুধু জো ডেনলি (১২)।

সেই দুঃস্বপ্নের পথেই যাত্রা হয়েছিল ইংলিশদের। জশ হেইজেলউড বোলিং তোপে তছনছ ব্যাটিং লাইন আপ। এই পেসার শিকার করেন ৫ উইকেট। গতির ঝড় তুলে কম যান নি প্যাট কামিন্সও। তিনি নেন ৩ উইকেট। দুটি উইকেট শিকার করেন জেমস প্যাটিনসন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ১৭৯/১০
ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৭.৫ ওভারে ৬৭/১০ (বার্নস ৯, রয় ৯, রুট ০, ডেনলি ১২, স্টোকস ৮, বেয়ারস্টো ৪, বাটলার ৫, ওকস ৫, আর্চার ৭, ব্রড ৪*, লিচ ১; কামিন্স ৩/২৩, হেইজেলউড ৫/৩০, প্যাটিনসন ২/৯)।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র