Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবল পাকিস্তান

হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবল পাকিস্তান
প্রোটিয়া বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারল না পাকিস্তান
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কোন প্রতিরোধই গড়তে পারল না সরফরাজ আহমেদের দল। আগের দুই টেস্টে হেরে সিরিজ জেতার সম্ভাবনা শেষ হয়েছিল আগেই। জোহানেসবার্গে ছিল হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই। কিন্তু সেই আগের মতোই ব্যর্থতা সঙ্গী সফরকারীদের। জোহানেসবার্গে সোমবার হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবেছে পাকিস্তান।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টটি ১০৭ রানে জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা। সব মিলিয়ে ৩-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিতে নিয়েছে প্রোটিয়ারা।

অবশ্য জোহানেসবার্গে শুরুটাই বাজে ছিল পাকিস্তানের। এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানো হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকা ১ম ইনিংসে ২৬২ রান তুললেও সফরকারীরা অলআউট ১৮৫ রানে। তারপর স্বাগতিকরা তুলে ৩০৩। জিততে সরফরাজদের সামনে দাঁড়ায় ৩৮১ রানের বড় লক্ষ্য। অবশ্য সেই চ্যালেঞ্জে বেশ ভালই লড়ছিল। ৩ উইকেটে ১৫৩ রান তুলে জবাব দিচ্ছিল পাকিস্তান। কিন্তু কে জানতো সেই ইনিংসটাই শেষ হয়ে যাবে ২৭৩ রানে!

বড় লক্ষ্যের সামনে টেস্ট ড্রয়ের সুযোগ ছিল না। কারণ হাতে ছিল দুই দিন। সোমবার চতুর্থ দিনে এ কারণেই আক্রমনাত্মক ক্রিকেটই বেছে নেয় সরফরাজ আহমেদের দল। আসাদ শফিক ৪৮ ও বাবর আজম ১৭ রান নিয়ে শুরু করেন। কিন্তু দিনের শুরুতেই বাবর আজমকে (২১) সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন ডোয়াইন অলিভিয়ের। এরপরই সরফরাজ আহমেদকে (০) তিনিই বিদায় করলে মহা বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান।

সেই ধাক্কা আর সামলে উঠা হয়নি। এর মধ্যে আসাদ শফিক তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। তিনি শুধু হারের ব্যবধানটাই কমাতে পেরেছেন। শেষ অব্দি ৬৫ রানে ফিরেন আসাদ। তারপর সাত নম্বরে নেমে যা একটু লড়লেন শাদাব খান। অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। ১১০ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন শাদাব।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি করে উইকেট শিকার করেছেন ভারনন ফিলেন্ডার ও ডোয়াইন অলিভিয়ের। ডেল স্টেইনের শিকার দুই উইকেট। তিন ম্যাচ সিরিজে দুর্দান্ত বোলিং করে সিরিজসেরা অলিভিয়ের। সেঞ্চুরিয়ান কুইন্টন ডি ককের জোহানেসবার্গ টেস্টের ম্যাচসেরা।

সোমবার পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সুখবরই পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে প্রোটিয়ারা। সাতে নেমে গেল পাকিস্তান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

দক্ষিণ আফ্রিকা ১ম ইনিস: ২৬২/১০
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ১৮৫/১০
দক্ষিণ আফ্রিকা ২য় ইনিংস: ৩০৩/১০
পাকিস্তান ২য় ইনিংস: ৬৫.৪ ওভারে ২৭৩/১০ (শফিক ৬৫, আজম ২১, সরফরাজ ০, শাদাব ৪৭*, আশরাফ ১৫, আমির ৪, হাসান ২২, আব্বাস ৯; স্টেইন ২/৮০, ফিল্যান্ডার ১/৪১, অলিভিয়ের ৩/৭৪, রাবাদা ৩/৭৫)
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ১০৭ রানে জয়ী
সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা
ম্যাচসেরা: কুইন্টন ডি কক
সিরিজসেরা: ডোয়াইন অলিভিয়ের

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র