Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সৌম্য দ্বাদশ, তাসকিন অষ্টাদশ!

সৌম্য দ্বাদশ, তাসকিন অষ্টাদশ!
সৌম্য সরকার দ্বাদশ ফিল্ডার আর বোলিংয়ে নাম্বার ওয়ান তাসকিন আহমেদ
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চিটাগং থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী কিংসের একাদশ পাওয়ার পর এখন একটাই খোঁজ; একাদশে সৌম্য সরকার আছে তো?

সৌম্য থাকলে আশা নিয়ে অপেক্ষায় থাকা। আর না থাকলে কেন নেই-সেই প্রশ্ন তুলে দীর্ঘশ্বাস ছাড়া!

তবে বিপিএলে এবার সুযোগ পাওয়া প্রতিটি ম্যাচেই সৌম্য সরকার সমর্থকদের আশাকে খানিকবাদেই নিরাশা বানিয়ে মাথা নিচু করে আউট হয়ে ফিরে যাচ্ছেন! একটু জানিয়ে রাখি এখন পর্যন্ত চলতি বিপিএলে সবমিলিয়ে সৌম্য সরকারের রান মাত্র ৩৮। সর্বোচ্চ ১৮। দলের ৯টি ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতে সুযোগ পেয়েছেন। সেই ছয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতে আবার সিঙ্গেল ডিজিটে আউট। বোলিংয়ে সাকুল্যে ১ উইকেট। ওপেনিং থেকে মিডলঅর্ডার-বিভিন্ন পজিশনে ব্যাট করেছেন, কিন্তু রানের দেখা পাননি।

টুর্নামেন্টে ২৫ জানুয়ারি, শুক্রবার চিটাগংয়ের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিলেট সিক্সার্সের বিরুদ্ধে রাজশাহী কিংসের একাদশে না থাকলেও সৌম্য সরকার মাঠে ঠিকই ছিলেন, ম্যাচে অংশও নেন; কিন্তু একটু অন্য ভুমিকায়-দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে!

এই ভুমিকায়ও ম্যাচে খুব একটা সুখের সময় কাটেনি সৌম্যের। বেশিরভাগ সময় লংঅফে দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখলেন সিলেট সিক্সার্সের ব্যাটিং উল্লাস। পয়েন্ট তালিকায় এখন রাজশাহী কিংস যে অবস্থানে রয়েছে তাতে সামনের ম্যাচগুলোতে অফফর্মে থাকা সৌম্যর ওপর টিম ম্যানেজমেন্ট আস্থা রাখবে-এই সম্ভাবনাও ক্ষীণ।

এই টুর্নামেন্টে অনেকেই সফল হচ্ছেন। পারফর্ম করছেন। কিন্তু সৌম্য সরকার যে ব্যর্থতার বলয় থেকে বেরুতেই পারছেন না। সৌম্য সরকার পারছেন না। কিন্তু তাসকিন আহমেদ ঠিকই পারছেন। এবং নিয়মিতই পারছেন। সেই সাফল্যের অংশ হিসেবে তাসকিন এখন ষষ্ঠ বিপিএলের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার। ২৫ জানুয়ারি, শুক্রবার রাজশাহী কিংসের বিপক্ষেও ২০ রানে ২ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট তালিকার নাম্বার ওয়ান অবস্থানে পৌছে যান সিলেট সিক্সার্সের এই পেসার। পারফর্ম করে কিভাবে ফিরে আসতে হয়-এবারের বিপিএলে তাসকিন যেন তারই প্রামান্য চিত্র!
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে কোন উইকেট পাননি তাসকিন। সেই ম্যাচটা ছিলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে। ফিরতি মোকাবেলায়ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ম্যাচে উইকেটহীন তাসকিন। বাকি ৭ ম্যাচের সবগুলোতেই বল হাতে তাসকিন সিলেটের বিগ পারফর্মার। ইনিংসের মাঝপথে যখনই অধিনায়ক তার হাতে বল তুলে দিয়েছেন, দলকে নিরাশ করেননি তাসকিন।

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি তাসকিন এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের একমাত্র বোলার হিসেবে দু’বার চার উইকেট লাভের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। সাত দলের মধ্যে পয়েন্ট তালিকায় সিলেট সিক্সার্সের অবস্থান এখনো ষষ্ঠ। কিন্তু বোলিংয়ে পারফর্মার হিসেবে নাম্বার ওয়ান সিলেটের তাসকিন আহমেদ।

আপনার মতামত লিখুন :

বিদায় বলেই ফেললেন ইনজামাম

বিদায় বলেই ফেললেন ইনজামাম
কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন ইনজামাম-উল-হক

শেষ পর্যন্ত সরেই যেতে হলো ইনজামাম-উল-হককে। বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারের পরই বিপাকে ছিলেন পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক। তখনই বলা হচ্ছিল সরে দাঁড়াবেন তিনি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে তার চুক্তি শেষ হচ্ছে ৩১ জুলাই৷ বুধবার জানিয়ে দিলেন, এরপর আর চুক্তি নবায়নে আগ্রহী নন তিনি।

পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক স্পষ্ট বললেন- দেশটির জাতীয় দলের নির্বাচকের পদে থাকবেন না তিনি।

২০১৬ সালের এপ্রিলে প্রধান নির্বাচকের চেয়ারে বসেছিলেন এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার। এরমধ্যে তার বিচক্ষণতায় দল বেশ এগিয়েছে। জিতেছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। যদিও সদ্য শেষ বিশ্বকাপের রাউন্ড রবিন লিগ থেকেই বিদায় নেয় পাকিস্তান।

একইসঙ্গে তার দল নিয়েও উঠে প্রশ্ন। বিশেষ করে মোহাম্মদ আমির ও ওয়াহাব রিয়াজকে শুরুতে দলের বাইরে রেখে পড়েন সমালোচনার তোপে। শেষ পর্যন্ত দুজনকেই দলে নিতে বাধ্য হন। আর পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে চমক দেখান দু'জনই।

এ অবস্থায় ব্যর্থতা কাঁধে নিয়েই নির্বাচকের দ্বায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন ইনজামাম। বিদায় বেলায় বলেন, ‘তিন বছরের বেশি সময় ধরে পাকিস্তান দলের নির্বাচক কমিটিতে আছি। কিন্তু এবার আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি- নতুন করে চুক্তি করব না। সেপ্টেম্বরে আইসিসি টেস্ট চ্যম্পিয়নশিপ শুরু। ২০২০ সালে টি-টুয়েন্টি আর ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নতুন প্রধান নির্বাচক নিয়োগ দেয়ার এটাই সেরা সময়। এ কারণেই সরে দাঁড়াচ্ছি আমি।’

এখানেই শেষ নয়, ৪৯ বছর বয়সী ইনজি আরো বলেন, ‘দেখুন, ক্রিকেট আমার আবেগের জায়গা। এক সময় দেশের হয়ে খেলেছি। এরপর নির্বাচক হয়ে গত তিন বছর দল নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ নিয়েছি। কিন্তু আর এই কাজ করতে চাই না আমি।’

বলা হচ্ছে অনেকটা অভিমানেই সরে দাঁড়াচ্ছেন ইনজামাম। কারণ সমালোচনার তোপ সহ্য করতে পারছেন না তিনি।

ওভারথ্রোর নিয়ম মাথায় ছিল না উইলিয়ামসনের!

ওভারথ্রোর নিয়ম মাথায় ছিল না উইলিয়ামসনের!
আম্পায়ারকে দোষ দিচ্ছেন না কেন উইলিয়ামসন

বিশ্বকাপটা প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড নয় জিততে যাচ্ছিল নিউজিল্যান্ডই। কিন্তু অবিশ্বাস্য নাটকীয় ম্যাচে একটি ওভারথ্রোতেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নটা ভেঙে যায় কিউইদের। 

কিন্তু ওভারথ্রোর নিয়মটা নাকি মাথায় ছিল না নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের, ‘আসলে ওভারথ্রোর নিয়মটা আমার জানাই ছিল না।’ মার্টিন গাপটিলের থ্রো স্টোকসের ব্যাটে লেগে ছুঁয়ে ফেলে বাউন্ডারি। ইংল্যান্ড পেয়ে যায় বাড়তি চার রান। বিপত্তি এখানেই শেষ নয়। মাঠের আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ভুল করে একটি রান বেশি দিয়ে দেন ইংল্যান্ডকে।

ব্যাটসম্যান স্টোকস উইকেটের প্রান্ত সীমানা স্পর্শ না করলেও পাঁচ রানের জায়গায় ছয় রান দিয়ে দেন আম্পায়ার ধর্মসেনা। শিরোপাটা তখনই হাতছাড়া হয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের।

রোববার ফাইনালে মাঠের আম্পায়ার ভুল করে ইংল্যান্ডকে একটি বাড়তি রান দিয়ে ফেলেন। কিন্তু তারপরও নিজেদের হারের জন্য আম্পায়ারদের দোষারোপ করছেন না উইলিয়ামসন, ‘আম্পায়ারদের এবং তাদের কাজের ওপর আপনাকে অবশ্যই আস্থা রাখতে হবে।’

রোববার লর্ডসের মহানাটকীয় ফাইনালে বিশ্বকাপ শিরোপার বিজয়ী কিন্তু রানের বিচারে নির্ধারিত হয়নি। হয়েছে বাউন্ডারি হাঁকানোর হিসেবে। আর এনিয়ে ক্রিকেট দুনিয়ায় চলছে সমালোচনার ঝড়। বাউন্ডারির নিয়ম বাতিলের জোর দাবী উঠেছে চার দিকে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র