Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মুশফিকদের হারিয়ে জয়ে শেষ সিলেটের

মুশফিকদের হারিয়ে জয়ে শেষ সিলেটের
বল হাতেও দাপট দেখাল সিলেট
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কিছুই হারানোর ছিল না তাদের। আগেই লড়াই থেকে ছিটকে যাওয়া সিলেট সিক্সার্সের জন্য ম্যাচটি ছিল আনুষ্ঠানিকতা আর সম্মানের লড়াই। আর সেই দলটির কাছেই কীনা হেরে গেল প্লে-অফ নিশ্চিত করা চিটাগং ভাইকিংস। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসর জয়ে শেষ করল অলক কাপালির দল।

শুক্রবার চিটাগংকে অনায়াসে ২৯ রানে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্স। এই জয়ে ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লড়াই শেষ করল দলটি। সমান ম্যাচে মুশফিকুর রহিমের দলের পয়েন্ট ১৪।

মিরপুরের শেরেবাংলায় প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সিলেট সিক্সার্স সংগ্রহ করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান। জবাব দিতে নেমে চিটাগং ভাইকিংস ১৮.৩ ওভারে ১৩৬ রানে অলআউট হয়ে যায়।

জয়ের জন্য লক্ষ্যটা অবশ্য আকাশ ছোঁয়া ছিল না চিটাগংয়ের। কিন্তু মিরপুরের উইকেটে সেই রান তোলা সহজ নয়। সঙ্গে সিলেটের বোলাররাও ছিলেন দারুণ ছন্দে। মুশফিকুর রহিম আর মোসাদ্দেক হোসেন ছাড়া কেউই দাঁড়াতে পারলেন না!

৩২ বলে তিন ছক্কা ও তিন চারে ৪৮ রান করেন মুশফিক। আর ১৫ বলে ২৫ রান করেন মোসাদ্দেক। এরমধ্যে দশম ওভারে কাপালির বলে মোসাদ্দেক ছক্কা হাঁকানোর সময় লংঅফে ফিল্ডিং করছিলেন তাসকিন। পা সীমানা দড়িতে লেগে পড়ে যান। সতীর্থের কাঁধে ভর দিয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান তাসকিন। এরপরই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এই পেসারকে। তার চোট অবশ্য গুরুতর নয়। তাসকিনকে সাতদিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা।

সুযোগ পেয়ে এবারো কাজে লাগাতে পারেন নি মোহাম্মদ আশরাফুল। চিটাগংয়ের এই ব্যাটসম্যান এবার ফিরে গেলেন কোন রান না করেই।

২৭ রানে ৪ উইকেট নেন সিলেটের পেসার ইবাদত হোসেন। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পেলেন চার উইকেট।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে দারুণ লড়লেন আন্দ্রে ফ্লেচার। সাব্বির রহমান ও মোহাম্মদ নওয়াজ যোগ্য সঙ্গ দিলেন তাকে। সব মিলিয়ে চিটাগং ভাইকিংসকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেটই দেয় সিলেট সিক্সার্স। যদিও টস জিতে নেমেই আফিফ হোসেন ও জেসন রয়কে হারায় সিক্সার্স।

তারপরই সাব্বিরের সঙ্গে ৬৫ রানের জুটি গড়েন ফ্লেচার। ২৫ বলে ৩২ রান করা সাব্বিরকে সাজঘরের পথ দেখান নাঈম হাসান। ঝড় তুলে ফিরেছেন নওয়াজ। ১৯ বলে ৩৪ রান করেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা ফ্লেচার ৫৩ বলে খেলা ৬৬ রানের ইনিংস খেলে সিলেটকে বড় সংগ্রহ এনে দেন।

চিটাগংয়ের দক্ষিণ আফ্রিকান খেলোয়াড় হার্ডাস ভিলিওন ২৯ রানে শিকার করেন ৪ উইকেট। ১৪ রানে ১ উইকেট নেন নাঈম হাসান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

সিলেট সিক্সার্স: ২০ ওভারে ১৬৫/৫ (ফ্লেচার ৬৬, আফিফ ১, রয় ১১, সাব্বির ৩২, নওয়াজ ৩৪, জাকের ৮*, পার্নেল ২*; ভিলিওন ৪/২৯, ১/১৪)
চিটাগং ভাইকিংস: ১৮.৩ ওভারে ১৩৬/১০ (ডেলপোর্ট ২, আশরাফুল ০, ইয়াসির ২৭, মুশফিক ৪৮, মোসাদ্দেক ২৫, রাজা ৫, শানাকা ৭, ভিলিওন ১৫, নাঈম ০*, আবু জায়েদ ৫, খালেদ ০; তাসকিন ১/১০, ইবাদত ৪/১৭, পার্নেল ২/২২, নওয়াজ ১/৩৪, কাপালি ১/২৫)
ফল: সিলেট সিক্সার্স ২৯ রানে জয়ী

ম্যাচসেরা: ইবাদত হোসেন

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র