Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শফিউল-রকিুবলের ম্যাচে মোহামেডানের জয়

শফিউল-রকিুবলের ম্যাচে মোহামেডানের জয়
পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছেন শফিউল -ফাইল ছবি
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

এই ম্যাচের সবকিছুই জমা ছিলো তাহলে শেষের নাটকের জন্যই!

শেষের সেই নাটকীয়তায় জিতলো মোহামেডান। আর ব্যাট হাতে দলের এই জয়ের নায়ক অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রকিবুল হাসান। তার হার না মানা ৮২ রানের চওড়া ব্যাটেই মোহামেডান ৩ উইকেটে হারালো গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে। তবে ম্যাচ সেরার কৃতিত্বে রকিবুলের ৮২ রানকে পেছনে ফেললেন পাঁচ উইকেট শিকারি শফিউল ইসলাম।

শনিবার (৯ মার্চ) সাভারে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে গাজী গ্রুপ যে ভয়াবহ বিপদে পড়ে তাতে একসময় মনে হচ্ছিলো তিন অংকেও পৌছাবে না তাদের স্কোর। ২৬ রানে নেই শুরুর ৬ উইকেট! এই ৬ উইকেটের মধ্যে পাঁচটিই মোহামেডানের পেসার শফিউল ইসলামের! ব্যাটিংয়ে চরম সঙ্কটে পড়া দলকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন শেষের ব্যাটসম্যানরা।

সাত আট ও নয় নম্বরে ব্যাট করতে নামা তিন ব্যাটসম্যানের কৃতিত্বে গাজী গ্রপের সঞ্চয় কিছুটা লড়াইয়ের পুঁজি পায়। ১৮২ রানে থামে গাজীর নড়বড়ে ইনিংস। যেখানে সাত নম্বরে ব্যাট করতে নামা তৌহিদ তারিখ খানের অবদান ৭০ বলে ৫৬ রান। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে ব্যাট হাতে বিস্ময় উপহার দেন আট নম্বরে ব্যাট করতে নামা শামসুল ইসলাম অনিক। মাত্র ৩ বাউন্ডারিতে ১১১ বলে তার অপরাজিত ৭১ রান গাজী গ্রপের ইনিংসে সবচেয়ে সাহসী ব্যাটিংয়ের পদক পাচ্ছে! নয় নম্বর ব্যাটসম্যান আবু হায়দার রনির ৩৪ বলে ২৪ রানও দলের সংগ্রহকে দুশোর কাছে পৌছে দেয়।

মোহামেডানের বোলিংয়ের পুরোটাই জুড়ে কেবল একটাই নাম-শফিউল ইসলাম। এক স্পেলেই গাজীর ৫ উইকেট উপড়ে দেন তিনি। চলতি লিগে ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকারের এটাই প্রথম কৃতিত্ব।

জবাব দিতে নেমে মোহামেডানের ব্যাটিংও ছত্রখান হয়ে পড়ে! ২২.১ ওভারেই তারা মাত্র ৮৭ রানে হারিয়ে ফেলে ৬ উইকেট। ম্যাচে গোল্ডেন ডাক মারেন মোহাম্মদ আশরাফুল ও ইরফান শুকুর। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বসে মোহামেডান।

বিপর্যয়টা একা হাতেই সামাল দিলেন অভিজ্ঞ রকিবুল হাসান। একপ্রান্ত আঁকড়ে রেখে রকিবুল ধৈর্য্যশীল ব্যাটিং করে গেলেন। ১২৪ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় তার অপরাজিত ৮২ রানের ইনিংস মোহামেডানকে ৩ উইকেটের জয় উপহার দিলো। শেষের দিকে সোহাগ গাজীর ২৯ ও নয় নম্বরে ব্যাট করতে নামা আলাউদ্দিন বাবু অপরাজিত ১৪ রান মোহামেডানের জয়ে অবদান রাখে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স: ১৮১/১০ ( ৪৫.২ ওভারে, তৌহিদ তারিক ৫৬, অনিক ৭১*, রনি ২৪, শফিউল ৫/৩২, সোহাগ গাজী ২/১৭)। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব: ১৮৩/৭ (৪৫.৩ ওভারে, রকিবুল ৮২*, সোহাগ গাজী ২৯, আলাউদ্দিন বাবু ১৪*, রুয়েল ২/৩২, কামরুল ২/১৯)। ফল: মোহামেডান ৩ উইকেটে জয়ী। ম্যাচ সেরা: শফিউল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন :

শচীনের বিশ্বকাপ একাদশেও সাকিব

শচীনের বিশ্বকাপ একাদশেও সাকিব
এক ফ্রেমে শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে সাকিব -ফাইল ছবি

পারফরম্যান্সই এগিয়ে দিয়েছে সাকিব আল হাসানকে। তাকে অবজ্ঞা করার কোন সুযোগই নেই। সদ্য শেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ৮ ইনিংসে দুই সেঞ্চুরি আর পাঁচ হাফ-সেঞ্চুরিতে করেছেন ৬০৬ রান। ৩টিতে ম্যাচসেরার সঙ্গে টুর্নামেন্টে সর্বাধিক গড় ৮৬.৫৭। সঙ্গে নিয়েছেন ১১ উইকেট। এই সাফল্যের পর আইসিসি থেকে শুরু করে প্রতিটি সেরা একাদশেই জায়গা পেয়েছেন সাকিব। এবার ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের বিশ্বকাপ একাদশেও আছেন এই টাইগার অলরাউন্ডার। তাকে ছাড়া বিশ্বকাপ একাদশ সাজাবেন কি করে শচীন?

আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯-এর সেরা একাদশে শচীন অধিনায়ক করেছেন কেন উইলিয়ামসনকে। অবশ্য বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসিও তাদের একাদশের নেতৃত্বে রাখেন নিউজিল্যান্ডের দলনেতাকে।

আইসিসির দলে না থাকলেও শচীনের একাদশে আছেন বিরাট কোহলি। তবে নেই মহেন্দ্র সিং ধোনি। সব মিলিয়ে ৫ ভারতীয়কে দলে রেখেছেন ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই খেলোয়াড়।

রেকর্ড পাঁচটি সেঞ্চুরি করা রোহিত শর্মা শচীনের একাদশের অটোমেটিক চয়েজ। এবারের বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করেছেন তিনি। তাকে তো রাখতেই হবে। ওপেনিংয়ে তার সঙ্গে আছেন ইংল্যান্ডের জনি বেয়ারস্টো। তবে জায়গা পেলেন না বিশ্বজয়ী দলের সদস্য- জেসন রয়। তিনি অবশ্য ছিলেন আইসিসির বিশ্বকাপ একাদশে।

তার বুদ্ধিমত্তা আর পারফরম্যান্সে কিউইরা পেয়েছে ফাইনালের টিকিট। কেন উইলিয়ামসন হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার। শান্ত-ধীর এই ক্রিকেটারটিকেই নেতা করেছেন শচীন। তবে তেমন একটা ভাল খেলতে না পারলেও বিরাট কোহলিকে দলে রেখেছেন শচীন! আইসিসির দলে অবশ্য ছিলেন না ভারত অধিনায়ক।

দলে আছেন বিশ্বকাপ ফাইনালে ঝড় তোলা বেন স্টোকস। ইংল্যান্ডের জয়ের কাণ্ডারি তিনিই। এ কারণেই আইসিসির পর শচীনও তার একাদশে রাখলেন এই অলরাউন্ডারকে। দলে আছেন হার্দিক পান্ডিয়াও। বিশ্বকাপে ব্যাট-বলে দাপট দেখালেও আইসিসির দলে অবশ্য ছিলেন না তিনি।

শচীন তার দলে বিস্ময়করভাবে রেখেছেন রবীন্দ্র জাদেজাকে। যার পারফরম্যান্স একেবারে সাদামাটা। তবে সেমি-ফাইনালে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং তিনটিতেই ভাল করেছিলেন। ধোনির সঙ্গে মিলে দলকে জয়ের পথেই নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সফল হননি।

পেস বোলার হিসেবে দলে আছেন মিচেল স্টার্ক। যিনি বিশ্বকাপ ২০১৯ বিশ্বকাপে নিয়েছেন ২৭ উইকেট। গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড। গ্লেন ম্যাকগ্রার (২৬) রেকর্ড পেছনে ফেলে এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি উইকেট এই অস্ট্রেলিয়ান বোলারেরই। শচীনের দলে আছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ৯ ম্যাচে ১৮টি উইকেট নিয়ে আলোচনাতেই ছিলেন তিনি।

দলে আছেন জোফরা আর্চারও। বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ডের এই তারকা ১১ ম্যাচে নিয়েছেন ২০ উইকেট। ফাইনালে জয়েরও অন্যতম নায়ক এই পেসার। ডেথ ওভার বোলিং ক্যারিশমায় শচীনকেও মুগ্ধ করেছেন তিনি।

শচীন টেন্ডুলকারের বিশ্বকাপ একাদশ-
কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, জনি বেয়ারস্টো, সাকিব আল হাসান, বেন স্টোকস, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, মিচেল স্টার্ক, জোফরা আর্চার ও জাসপ্রিত বুমরাহ।

থেরেসা মের অতিথি হলেন বিশ্বকাপ জয়ী মরগানরা

থেরেসা মের অতিথি হলেন বিশ্বকাপ জয়ী মরগানরা
প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের সঙ্গে ইয়ন মরগানরা

৪৪ বছর অপেক্ষার পর ৫০ ওভার ক্রিকেটের বিশ্ব শিরোপা ঘরে তুলেছে ইংল্যান্ড। গর্বিত সেই দলকে সংবর্ধনা না দিলে কী হয়! ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে সেটাই করলেন। ডাউনিং স্ট্রিটে নিজের সরকারি বাসভবনে আতিথ্য দিলেন দেশের বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট দলকে।

থেরেসা মে নিজে একজন ক্রিকেট ভক্ত। তাই ফাইনাল ম্যাচের রোমাঞ্চ উপভোগ করতে ভুলে যাননি। প্রিয় দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর নিজেই আনন্দে নেচেছেন। নিজের সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে পোস্টও করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আগামী সপ্তাহে পদত্যাগ করতে যাওয়া থেরেসা মে নিজের বাসভবনের সামনে ক্রিকেটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বিশ্বকাপ ট্রফি ও ইংলিশ ক্রিকেট টিমের সঙ্গে হন ক্যামেরার লেন্সবন্দি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563275557926.jpg

নিজের দেশের বিশ্বকাপ জয় মের কাছে, বর্তমান সময়ের অন্যতম গ্রেট ক্রীড়া প্রর্দশনী হিসেবে।

থেরেসা মে ক্রিকেটারদের প্রশংসা করে বলেন, ‘তোমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ম্যাচে সম্ভাবনা যখন তোমাদের বিরুদ্ধে চলে গিয়েছিল। তোমরা অদম্য থেকে হার মানতে রাজি হও নি। এটা সেই প্রতিজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য যা তোমাদের চ্যাম্পিয়ন করেছে। তার চেয়ে বড় কথা তোমরা ইতিহাস গড়েছো।’

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোববার লর্ডসের ফাইনাল নির্ধারিত ৫০ ওভারের পর সুপার ওভারেও টাই হলে বাউন্ডারি বেশি হাঁকিয়ে শিরোপা জিতে নেয় ইংল্যান্ড।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র