তিনশ’ টপকে প্রাইম দোলেশ্বরের জয়

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম
ম্যাচ শেষে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন দুই দলের ক্রিকেটাররা

ম্যাচ শেষে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন দুই দলের ক্রিকেটাররা

  • Font increase
  • Font Decrease

একেই বলে ক্যালকুলেটিভ ক্রিকেট!

জয়ের টার্গেট ৩০২ রান। বড় লক্ষ্য, মানতেই হবে। কিন্তু এই বড় টার্গেটের পেছনে ছুটতে নেমে প্রাইম দোলেশ্বর যে কায়দায় ম্যাচ জিতলো তাতে প্রমাণিত তারা যোগ-বিয়োগটা প্রাইম ব্যাংকের চেয়ে ভালই জানে!

কি অনায়াস কায়দায় না ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতলো দোলেশ্বর! এত বিশাল স্কোর তাড়া, কিন্তু কোন তাড়াহুড়ো নেই। বড় কোন সেঞ্চুরি নেই। একক কারো কৃতিত্ব নয়, যাকে বলে একজোট হয়ে ম্যাচ জেতার জন্য খেলা-সেই ব্যাটিংটাই করলো এই ম্যাচে প্রাইম দোলেশ্বর।

ওপেনার সাইফ হাসান করলেন ১০২ বলে ৮৫ রান। মিডলঅর্ডারে মার্শাল আইয়ুবের ব্যাট উপহার দিলো ৮২ বলে ৭৬ রান। পাঁচ নম্বরে নামা সাদ নাসিমের ব্যাট হাসলো ৫ ছক্কা ও ২ বাউন্ডারিতে ৪৭ বলে ৬৪ রানের চওড়া হাসিতে। শেষের দিকে ব্যাট হাতে ফিনিসারের দায়িত্ব পালন করলেন অধিনায়ক ফরহাদ রেজা। মাত্র ১৫ বলে তার অপরাজিত ৩৫ রান দলকে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো জয় এনে দিলো।

বিকেএসপির মাঠ ব্যাটসম্যানদের দারুণ পছন্দের। টসে হেরে প্রাইম ব্যাংক সেই সুযোগটা কাজে লাগায়। ৫২ রানে শুরুর দুই উইকেট হারানোর পর প্রাইম ব্যাংককে বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখায় সুদ্বীপ চ্যাটার্জি ও আর আমিনের ব্যাট। চ্যাটার্জি ৫৭ রান করে ফিরে গেলেও আল আমিন চলতি লিগে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন। ৯৯ বলে ৪ ছক্কা ও ৮ বাউন্ডারিতে তার ১১১ রানের স্কোর প্রাইম ব্যাংকের সঞ্চয় সমৃদ্ধ করে।

কিন্তু ৩০১ রান তুলেও ম্যাচ হেরে যাওয়া প্রাইম ব্যাংককে পরের ম্যাচে নামার আগে দলের বোলিং শক্তির ঘাটতি পুষিয়ে নিতে বাড়তি হোমওয়ার্ক করতে হবে। 

স্কোর: প্রাইম ব্যাংক: ৩০১/৮ (৫০ ওভারে, সুদ্বীপ চ্যাটার্জি ৫৭, আল আমিন ১১১, জাকির হাসান ৩৬, আরিফুল ২৮, আরাফাত সানি ২/৩৪, ফরহাদ রেজা ২/৪৩, সৈকত আলী ২/৪৬) প্রাইম দোলেশ্বর: ৩০২/৫ (৪৮.২ ওভারে, সাইফ হাসান ৮৫, মার্শাল আইয়ুব ৭৬, সাদ নাসিম ৬৪, ফরহাদ রেজা ৩৫*, মনির ২/৪৩, আরিফুল ২/৫১)। ফল: প্রাইম দোলেশ্বর ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যাচ সেরা: সাদ নাসিম।

আপনার মতামত লিখুন :