Alexa

গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের প্রথম জয়

গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের প্রথম জয়

মেহেদি হাসানের ব্যাটে ৭০ রানের ইনিংস

মেহেদি হাসান যখন ৭০ রানে আউট হয়ে ফিরলেন তখনো ম্যাচ জয় থেকে একশ’রও বেশি রান প্রয়োজন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের। ওভার বাকি ২০। উইকেট হাতে ৫টি। ডাগআউটে উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ঠ। কিন্তু সব টেনশন দুর করে দিলেন মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান তৌহিদ তারেক। সঙ্গী হিসেবে নিলেন আবু হায়দার রনিকে। এই দুজনের ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে অপরাজিত ৬৭ রান গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে তাদের প্রথম জয় এনে দিলো।

বিকেএসপির গড়া ২৪৯ রান টপকে গেলো গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ৪ উইকেট হাতে রেখে। ম্যাচের নায়ক তৈাহিদ তারেক ৯৩ বলে হার নামা ৭৬ রান করেন। সমান তিন বাউন্ডারি ও ছক্কায় সাজানো তার এই ইনিংস গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে স্বস্তির জয় এনে দিলো। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তাকে দারুণ সমর্থন দেন ২৪ বলে হার না মানা ৩২ রান করে আবু হায়দার রনি।

ফতুল্লায় টসে হেরে ব্যাট করতে নামা বিকেএসপির শুরুর চার ব্যাটসম্যানই যা রান করার করলেন। রাতুল খান ও মাহমুদুল হাসান জয়ের ওপেনিং জুটিতে জমা ১৫০ রান। রাতুল করেন ৩৪। জয় দলের সর্বোচ্চ ৯৩ বলে ৮৫ রান। ওয়ানডাউনে আমিনুল ইসলাম শেষ ওভার পর্যন্ত একাই লড়াই চালিয়ে যান। ৬৯ বলে অপরাজিত ৬৩ রান করেন তিনি। চার নম্বরে নামা শামীম হোসেনের ব্যাট থেকে এলো ৩৯ বলে ৪৪ রান। দলের বাকি ৫ ব্যাটসম্যানের কেউ ডাবল ফিগারেও পৌছালেন না!

ওপেনিং জুটিতে ৩৫ ওভার ব্যাট করে ১৫০ রান তোলা দল কেন ৫০ ওভার শেষে মাত্র ২৪৯ রান করবে-এই ম্যাচে হারের কারণ বিশ্লেষণে বসলে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই হবে বিকেএসপিকে। স্কোরবোর্ডে দলীয় সঞ্চয়কে আরও সমৃদ্ধ করার ভাল একটা সুযোগ ছিলো তাদের সামনে। কিন্তু সেটা তারা নষ্ট করে।

লিগে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে হেরেছে বিকেএসপি। অন্যদিকে দ্বিতীয় ম্যাচে এটি গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের প্রথম জয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: বিকেএসপি: ২৪৯/৭ (৫০ ওভারে, রাতুল খান ৩৪, মাহমুদুল হাসান ৮৫, আমিনুল ৬৩*, শামীম ৪৪, আবু হায়দার ২/৪৬, কামরুল ২/৫২)। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স: ২৫২/৬ (৪৯.২ ওভারে, মেহেদি হাসান ৭০, শামসুর ২৩, তৈাহিদ তারেক ৭৬*, আবু হায়দার রনি ৩২*, হাসান মুরাদ ৩/৩২)। ফল: গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ৪ উইকেটে জয়ী। ম্যাচ সেরা: তৌহিদ তারেক।

আপনার মতামত লিখুন :