মেসির জোড়া গোলে শেষ আটে বার্সা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সেই চির চেনা উদযাপনে লিওনেল মেসি

সেই চির চেনা উদযাপনে লিওনেল মেসি

  • Font increase
  • Font Decrease

আগের দিনই বল পায়ে যাদু দেখিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। একদিন না যেতেই দুর্দান্ত ফুটবলের পসরা সাজালেন বর্তমান ফুটবলে তারই প্রতিদ্বন্দী লিওনেল মেসি। এই মহাতারকার ম্যাজিকেই অলিম্পিক লিঁওর বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা। দল পেয়েছে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট।

শেষ ষোলর ফিরতি লেগে বুধবার রাতে শুধু জোড়া গোল করেই থামেন নি মেসি। দুই সতীর্থের গোলেও রেখেছেন অবদান। ন্যু ক্যাম্পে নিজেদের মাঠে ফরাসি ক্লাবটিকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। লিওঁর মাঠে প্রথম লেগে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল তারা।

খেলায় মেসির গোলেই প্রথমে এগিয়ে যায় বার্সা। এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফিলেপে কৌতিনিয়ো। লুকা তুজা লিঁওর হয়ে একটি গোল শোধ করতেই ফের মেসি বাড়িয়ে নেন ব্যবধান। তারপরই জেরার্দ পিকে ও উসমান দেম্বেলের গোলে  বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

খেলার ১৭তম মিনিটে মেসির গোলে এগিয়ে যায় কাতালান ক্লাবটি। লুইস সুয়ারেস ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় দলটি। গোল করতে ভুল করেন নি আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুল করেন কৌতিনিয়ো। তবে ৫৮তম মিনিটে তুজার গোলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় লিঁও। কিন্তু ৭৮তম মিনিটে মেসি বুঝিয়ে দেন আজ ভিন্ন মেজাজে আছেন তিনি। তার গোলে ফের ব্যবধানটা আরো বেড়ে যায়।

ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই টুর্নামেন্টে এবার এটি মেসির অষ্টম ও সব মিলিয়ে ১০৮তম গোল। ন্যু ক্যাম্পে নিজেদের মাঠ ৬১ ম্যাচে ৬২ গোল। একইসঙ্গে টানা ১১ মৌসুমে ক্লাবের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে কমপক্ষে ৩৫টি করে গোল করার রেকর্ড গড়েন তিনি।

খেলার ৮১তম মিনিটে মেসির পাসে নিশানা খুঁজে নেন পিকে। ৮৬ মিনিটে তারই অবদানে দেম্বেলের গোলে হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে বার্সা।

এই জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের মাঠে টানা ৩০ ম্যাচ অপরাজিত থেকে রেকর্ড গড়ল বার্সেলোনা। এদিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুধবারের আরেক ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠেছে লিভারপুল।

আপনার মতামত লিখুন :