Alexa

ইয়াসিরের সেঞ্চুরির ম্যাচে ‘নায়ক’ আবাহনীর সাইফুদ্দিন

ইয়াসিরের সেঞ্চুরির ম্যাচে ‘নায়ক’ আবাহনীর সাইফুদ্দিন

ছুটি শেষে মাঠে ফিরলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা

শেষের হিসেবই মেলাতে পারলো না ব্রার্দাস! আর তাতেই ম্যাচে হার।

আবাহনীর ২৩৭ রানের জবাব দিতে নেমে ব্রার্দাসের ইনিংস থেমে গেলো ২২২ রানে। টেনশনে পড়লেও শেষ পর্যন্ত ১৪ রানের জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী লিমিটেড। লিগে এটি তাদের টানা তৃতীয় জয়।

ব্রার্দাসের ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলী নিজেকে ‘ বেচারা’ ভাবতেই পারেন! এক লড়াই করেও দলকে জেতাতে পারলেন না দারুণ ফর্মে থাকা মিডলঅর্ডার এই ব্যাটসম্যান। ১১২ বলে অপরাজিত ১০৬ রান করেন ইয়াসির। কিন্তু তার সঙ্গীরা যে কেউ শেষের হিসেব মেলাতে পারলেন না!

শেষ তিন ওভারে ম্যাচ জিততে ব্রার্দাসের প্রয়োজন দাড়ায় ৩৮ রান। ব্রার্দাস অধিনায়ক মোহাম্মদ শরীফ ও নাইম ইসলাম জুনিয়রকে সঙ্গে নিয়েও সেই লক্ষ্যে পৌছাতে পারেননি ইয়াসির আলী। শরীফ ২৬ বলে করেন ১৭ রান। নাইম ইসলাম জুনিয়র ১৬ বলে ১০ রানের বেশি করতে পারেননি। এই দুজনের রানের চেয়ে বেশি বল খরচ করার ব্যাটিং ব্রার্দাসের দুঃখ বাড়ায়।

এই ম্যাচ দিয়ে চলতি লিগ শুরু করলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। ৮ ওভারে ৩৯ রানে মাশরাফির শিকার ২ উইকেট। এর মধ্যে শেষের দিকে মোহাম্মদ শরীফের উইকেট তুলে নিয়েই ম্যাচের মোড় পুরোপুরি আবাহনীর দিকে ঘুরিয়ে দেন মাশরাফি। ব্যাট হাতেও ৩ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে অপরাজিত ২৬ রান করেন তিনি।

আবাহনী একাদশে মাশরাফি ফিরলেও এই ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেন যথারীতি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে সকালে ব্যাট করতে নামা আবাহনীর টপঅর্ডার ব্যর্থ হয়। মিডলঅর্ডারে নাজমুল হোসেন শান্ত’র ৪৪ ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ৯৫ বলে ৫৪ রান শুরুর সেই ধাক্কা সামাল দেয়।

সাইফুদ্দিন ও মাশরাফির ব্যাটিং আবাহনীর শেষের সঞ্চয় বাড়িয়ে দেয়। সাইফুদ্দিনের ৪৫ বলে অপরাজিত ৫৯ রান জানিয়ে দিলো অলরাউন্ডার হিসেবে নিজেকে ভালই গড়ে তুলছেন তিনি। সাইফুদ্দিন ও মাশরাফি সপ্তম উইকেট জুটিতে মাত্র ৩২ বলে হার না মানা ৬৩ রান যোগ করেন।

বল করলেই উইকেট পাচ্ছেন! চলতি লিগে ব্যাপারটাকে প্রায় নিয়মিতই বানিয়ে ফেলছেন সাব্বির রহমান। লিগে পেছনের তিন ম্যাচের তিনটিতেই উইকেট পেয়েছেন অকেশেনাল এই লেগস্পিনার। এই ম্যাচেও ৫ ওভারে ২১ রানে তার শিকার ২ উইকেট!

সংক্ষিপ্ত স্কোর: আবাহনী ২৩৬/৮ (৫০ ওভারে, নাজমুল ৪৪, মোসাদ্দেক ৫৪, সাইফুদ্দিন ৫৯*, মাশরাফি ২৬* মেহেদি ২/৫৮, নাইম ইসলাম ২/২৮)। ব্রার্দাস: ২২২/৮ (৫০ ওভারে, ইয়াসির আলী ১০৬*, শরীফুল্লাহ ২১, শরীফ ১৭, সাব্বির ২/২১, মাশরাফি ২/৩৯)। ফল: আবাহনী ১৪ রানে জয়ী। ম্যাচ সেরা: সাইফুদ্দিন।

আপনার মতামত লিখুন :