Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

স্বাধীনতা দিবসে ফুটবল দিলো জয়ের আনন্দ

স্বাধীনতা দিবসে ফুটবল দিলো জয়ের আনন্দ
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল বাংলাদেশ
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শেষ ম্যাচে জিতলো বাংলাদেশ। হাসলো বাইরাইনের খলিফা স্পোর্টস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশি সমর্থকদের গ্যালারি। স্বাধীনতা দিবসের বাড়তি প্রেরণা নিয়ে খেলতে নামা এই ম্যাচে বাংলাদেশ ২-০ গোলে হারায় শ্রীলঙ্কাকে।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়ে খেলে বাংলাদেশ এএফসি অনুর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বে নিজেদের শেষ এই ম্যাচটিতে সাফল্য নিয়ে ফিরলো।

বাছাই পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে অবশ্য বাংলাদেশের জন্য এই চ্যাম্পিয়নশিপের সামনে বাড়ার পথ আগেই বন্ধ হয়ে যায়। শেষ ম্যাচটিতে জিততে পারায় অন্তত স্বস্তি নিয়ে ফেরার একটা সুখ পাচ্ছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এই ম্যাচে বাংলাদেশই ফেভারিট ছিলো। সেই হিসেব রেখেই ম্যাচ জিতলো বাংলাদেশ।

ম্যাচের ৫ মিনিটে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন বিপুল আহমেদ। ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়ে বাংলাদেশ দারুণ উজ্জ্বীবিত হয়ে উঠে। মাঝমাঠ থেকে বেশ কয়েকবার পরিকল্পিত আক্রমণ শ্রীলঙ্কার রক্ষণভাগকে কাঁপিয়ে দেয়। সেই আক্রমণের সুফল পায় বাংলাদেশ ম্যাচের ১৮ মিনিটের সময়। এবার গোলদাতা টুটুল হোসেন বাদশা।

বাছাই পর্বে শক্তি, র‌্যাঙ্কিং এবং ফেভারিট তত্ত¡ অনুযায়ী বাহরাইন ও ফিলিস্তিনের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশ বেশ পিছিয়ে ছিল। শুরুর সেই দুই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ন্যূনতম ব্যবধানে বাংলাদেশ ম্যাচ হারলেও পুরো দলের লড়াইয়ের জেদ এবং প্রানশক্তিকে ঠাসা ফুটবল বেশ প্রশংসিত হয়।

বাহরাইনের ঈশা টাউনের খলিফা স্পোর্টস স্টেডিয়ামে শুরু এই দুই ম্যাচেও বাংলাদেশি সমর্থকরা জাতীয় পতাকা হাতে দলকে সমর্থন করে গেছেন। কিন্তু বাহরাইন ও ফিলিস্তিনের কাছে সেই দুই ম্যাচ বাংলাদেশ জিততে পারেনি। তবে দর্শকরা মুখ ফিরিয়ে নেননি। শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও দলকে সমর্থন জানাতে লাল-সবুজ পতাকা নিয়ে স্টেডিয়ামে সমাবেত হয়েছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশি সমর্থকরা।

 শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ দল তাদের নিরাশ করেনি। এই ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের আনন্দ নিয়ে অনেকদিন গল্প করার একটা উপলক্ষ্য পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

ফুটবল দলকে ধন্যবাদ স্বাধীনতা দিবসে দেশ এবং দেশবাসিকে আনন্দময় সংবাদ উপহার দেয়ার জন্য।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র