Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফ্রান্সে পিএসজি, প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুল

ফ্রান্সে পিএসজি, প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুল
পিএসজির জয়ের নায়ক কিলিয়ান এমবাপে
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আরেকটি লিগ ওয়ান শিরোপা জয়ের পথে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। অবশ্য রোববার রাতে তুলজের বিপক্ষে জিততে বেশ বেগ পেতে হয়েছে ফেভারিটদের। শেষ অব্দি কিলিয়ান এমবাপের গোলে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে লিভারপুল। যদিও অনায়াসে জিততে পারেনি এই ক্লাবটিও। রোববার রাতে শেষ মুহূর্তে আত্মঘাতী গোলই টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে তিন পয়েন্ট এনে দিয়েছে অলরেডদের।

অ্যানফিল্ডে ২-১ গোলের জয়ে ফের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেছে লিভারপুল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/01/1554091096000.jpg

ফরাসি লিগে পিএসজির শিরোপা ধরে রাখাটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কারণ পয়েন্ট টেবিলে দুর্দান্ত দাপট দলটির। নেইমারকে ছাড়াই চেনা ছন্দে তারা। রোববারের জয়ে পিএসজির পয়েন্ট ২৯ ম্যাচে ৮০। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিলের চেয়ে ২০ পয়েন্ট এগিয়ে আছে জায়ান্টরা।

এদিন কিলিয়ান এমবাপের গোলেই রক্ষা। খেলার ৭৪তম মিনিটে এসে নিশানা খুঁজে নেন ফরাসি এই মহাতারকা। অবশ্য এমবাপে নিজেই এর আগে একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করেন। দলের অন্য ফুটবলাররা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে দল আরো বড় ব্যবধানেই জিততে পারতো।

এদিকে টটেনহ্যামের বিপক্ষে শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল লিভারপুল। কিন্তু রবের্তো ফিরমিনোর সেই গোল ধরা রাখা যায়নি। দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে পড়ে পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় থাকা দলটি সৌভাগ্যের পরশে হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে। প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোল হাসি ফোটায় ভক্তদের মুখে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/01/1554091122558.jpg

খেলার ১৬তম মিনিটে সতীর্থ অ্যান্ড্রু রবার্টসনের ভাসানো ক্রসে লাফিয়ে উঠে মাথা ছুঁইয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ফিরমিনো। এগিয়ে যায় লিভারপুল। এরপর ৭০তম মিনিটে সমতায় ফেরায় টটেনহ্যাম। লুকাস মউরা গোল দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয় লিভারপুলকে।

তবে টটেনহ্যামই সেই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেয় ফেভারিটদের। ৮৯ মিনিটে মোহাম্মদ সালাহর হেড আটকে দেন গোলকিপার উগো লরিস। তবে বল ক্লিয়ার করতে পারেন নি। ফিরতি বল টটেনহ্যামেরই ডিফেন্ডার টবি আল্ডারভাইরেল্ডের পায়ে লেগে চলে যায় নিজেদেরই জালে!

এই জয়ে ৩২ ম্যাচে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে ফের লিভারপুল। ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে এরপরই আছে ম্যানচেস্টার সিটি। ৬১ পটয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে টটেনহ্যাম। সমান পয়েন্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের।

আপনার মতামত লিখুন :

শচীনের বিশ্বকাপ একাদশেও সাকিব

শচীনের বিশ্বকাপ একাদশেও সাকিব
এক ফ্রেমে শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে সাকিব -ফাইল ছবি

পারফরম্যান্সই এগিয়ে দিয়েছে সাকিব আল হাসানকে। তাকে অবজ্ঞা করার কোন সুযোগই নেই। সদ্য শেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ৮ ইনিংসে দুই সেঞ্চুরি আর পাঁচ হাফ-সেঞ্চুরিতে করেছেন ৬০৬ রান। ৩টিতে ম্যাচসেরার সঙ্গে টুর্নামেন্টে সর্বাধিক গড় ৮৬.৫৭। সঙ্গে নিয়েছেন ১১ উইকেট। এই সাফল্যের পর আইসিসি থেকে শুরু করে প্রতিটি সেরা একাদশেই জায়গা পেয়েছেন সাকিব। এবার ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের বিশ্বকাপ একাদশেও আছেন এই টাইগার অলরাউন্ডার। তাকে ছাড়া বিশ্বকাপ একাদশ সাজাবেন কি করে শচীন?

আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯-এর সেরা একাদশে শচীন অধিনায়ক করেছেন কেন উইলিয়ামসনকে। অবশ্য বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসিও তাদের একাদশের নেতৃত্বে রাখেন নিউজিল্যান্ডের দলনেতাকে।

আইসিসির দলে না থাকলেও শচীনের একাদশে আছেন বিরাট কোহলি। তবে নেই মহেন্দ্র সিং ধোনি। সব মিলিয়ে ৫ ভারতীয়কে দলে রেখেছেন ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই খেলোয়াড়।

রেকর্ড পাঁচটি সেঞ্চুরি করা রোহিত শর্মা শচীনের একাদশের অটোমেটিক চয়েজ। এবারের বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করেছেন তিনি। তাকে তো রাখতেই হবে। ওপেনিংয়ে তার সঙ্গে আছেন ইংল্যান্ডের জনি বেয়ারস্টো। তবে জায়গা পেলেন না বিশ্বজয়ী দলের সদস্য- জেসন রয়। তিনি অবশ্য ছিলেন আইসিসির বিশ্বকাপ একাদশে।

তার বুদ্ধিমত্তা আর পারফরম্যান্সে কিউইরা পেয়েছে ফাইনালের টিকিট। কেন উইলিয়ামসন হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার। শান্ত-ধীর এই ক্রিকেটারটিকেই নেতা করেছেন শচীন। তবে তেমন একটা ভাল খেলতে না পারলেও বিরাট কোহলিকে দলে রেখেছেন শচীন! আইসিসির দলে অবশ্য ছিলেন না ভারত অধিনায়ক।

দলে আছেন বিশ্বকাপ ফাইনালে ঝড় তোলা বেন স্টোকস। ইংল্যান্ডের জয়ের কাণ্ডারি তিনিই। এ কারণেই আইসিসির পর শচীনও তার একাদশে রাখলেন এই অলরাউন্ডারকে। দলে আছেন হার্দিক পান্ডিয়াও। বিশ্বকাপে ব্যাট-বলে দাপট দেখালেও আইসিসির দলে অবশ্য ছিলেন না তিনি।

শচীন তার দলে বিস্ময়করভাবে রেখেছেন রবীন্দ্র জাদেজাকে। যার পারফরম্যান্স একেবারে সাদামাটা। তবে সেমি-ফাইনালে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং তিনটিতেই ভাল করেছিলেন। ধোনির সঙ্গে মিলে দলকে জয়ের পথেই নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সফল হননি।

পেস বোলার হিসেবে দলে আছেন মিচেল স্টার্ক। যিনি বিশ্বকাপ ২০১৯ বিশ্বকাপে নিয়েছেন ২৭ উইকেট। গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড। গ্লেন ম্যাকগ্রার (২৬) রেকর্ড পেছনে ফেলে এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি উইকেট এই অস্ট্রেলিয়ান বোলারেরই। শচীনের দলে আছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ৯ ম্যাচে ১৮টি উইকেট নিয়ে আলোচনাতেই ছিলেন তিনি।

দলে আছেন জোফরা আর্চারও। বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ডের এই তারকা ১১ ম্যাচে নিয়েছেন ২০ উইকেট। ফাইনালে জয়েরও অন্যতম নায়ক এই পেসার। ডেথ ওভার বোলিং ক্যারিশমায় শচীনকেও মুগ্ধ করেছেন তিনি।

শচীন টেন্ডুলকারের বিশ্বকাপ একাদশ-
কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, জনি বেয়ারস্টো, সাকিব আল হাসান, বেন স্টোকস, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, মিচেল স্টার্ক, জোফরা আর্চার ও জাসপ্রিত বুমরাহ।

থেরেসা মের অতিথি হলেন বিশ্বকাপ জয়ী মরগানরা

থেরেসা মের অতিথি হলেন বিশ্বকাপ জয়ী মরগানরা
প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের সঙ্গে ইয়ন মরগানরা

৪৪ বছর অপেক্ষার পর ৫০ ওভার ক্রিকেটের বিশ্ব শিরোপা ঘরে তুলেছে ইংল্যান্ড। গর্বিত সেই দলকে সংবর্ধনা না দিলে কী হয়! ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে সেটাই করলেন। ডাউনিং স্ট্রিটে নিজের সরকারি বাসভবনে আতিথ্য দিলেন দেশের বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট দলকে।

থেরেসা মে নিজে একজন ক্রিকেট ভক্ত। তাই ফাইনাল ম্যাচের রোমাঞ্চ উপভোগ করতে ভুলে যাননি। প্রিয় দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর নিজেই আনন্দে নেচেছেন। নিজের সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে পোস্টও করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আগামী সপ্তাহে পদত্যাগ করতে যাওয়া থেরেসা মে নিজের বাসভবনের সামনে ক্রিকেটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বিশ্বকাপ ট্রফি ও ইংলিশ ক্রিকেট টিমের সঙ্গে হন ক্যামেরার লেন্সবন্দি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563275557926.jpg

নিজের দেশের বিশ্বকাপ জয় মের কাছে, বর্তমান সময়ের অন্যতম গ্রেট ক্রীড়া প্রর্দশনী হিসেবে।

থেরেসা মে ক্রিকেটারদের প্রশংসা করে বলেন, ‘তোমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ম্যাচে সম্ভাবনা যখন তোমাদের বিরুদ্ধে চলে গিয়েছিল। তোমরা অদম্য থেকে হার মানতে রাজি হও নি। এটা সেই প্রতিজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য যা তোমাদের চ্যাম্পিয়ন করেছে। তার চেয়ে বড় কথা তোমরা ইতিহাস গড়েছো।’

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোববার লর্ডসের ফাইনাল নির্ধারিত ৫০ ওভারের পর সুপার ওভারেও টাই হলে বাউন্ডারি বেশি হাঁকিয়ে শিরোপা জিতে নেয় ইংল্যান্ড।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র