Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

সাইফুদ্দিনের বোলিংয়ে ধসে গেলো দোলেশ্বর

সাইফুদ্দিনের বোলিংয়ে ধসে গেলো দোলেশ্বর
ম্যাচ সেরার পুরষ্কার হাতে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

এই ম্যাচের নাম এখন বদলে দেয়ার দাবি তুলতেই পারেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। নতুন নাম; প্রাইম দোলেশ্বর বনাম সাইফুদ্দিন! বল হাতে নিয়ে সাইফুদ্দিন যা করলেন তাতেই উড়ে গেলো প্রাইম দোলেশ্বরের ব্যাটিং লাইনআপ। সুপার লিগের শুরুটা করলো আবাহনী ১৬৫ রানের বিশাল জয় দিয়ে। আবাহনীর ২৫১ রানের জবাবে দোলেশ্বর ধসে গেলো ৮৬ রানে।

আর দোলেশ্বরকে মূলত ধসিয়ে দিলেন ঐ একজনই মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। সবার আগে তার বোলিং বিশ্লেষণটাই জানাই-৬ ওভারে ২ মেডেনসহ মাত্র ৯ রানে ৫ উইকেট! দোলেশ্বর আসলে যা করলো তাকে ব্যাটিং বলে না। বলে হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়া! পুরো ম্যাচে মাত্র ৩৬টি বল করার সুযোগ পেলেন সাইফুদ্দিন। তাতে আবার ডট বল ৩০টি। আবাহনীর এই পেসারের চমৎকার সুইং ও সঠিক লাইন লেন্থে পড়া বল খেলতে দোলেশ্বরের ব্যাটসম্যানদের যেন নাভিশ্বাস উঠে গেল। একেকটা বল করছেন সাইফুদ্দিন আর মনে হচ্ছে এই বলেও বুঝি উইকেট পাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/15/1555334505625.jpg

সঙ্গী বোলারদের কাছ থেকেও দারুণ সমর্থন পান সাইফুদ্দিন। স্পিনার সানজামুল ইসলাম ৪.৪ ওভারে ২৩ রানে শিকার করেন ২ উইকেট। আবাহনীর বোলারদের মধ্যে কেবল মাশরাফি বিন মর্তুজা ছাড়া সবাই উইকেট পান।

ব্যাটিংয়ে আবাহনীর ইনিংসের শুরুটা যা হয়েছিলো তাতে কেঁপে উঠে পুরো ডাগ আউট। ৪.৪ ওভারেই ১২ রানে ৩ উইকেট নেই! ওয়াসিম জাফর ও নাজমুল হোসেন শান্ত সেই সংকট থেকে দলকে উদ্ধার করেন। দুজনেই সত্তরের ঘরে গিয়ে আউট হন। আবাহনীর ২৫১ রানের সঞ্চয়ে মোহাম্মদ মিঠুন ৪১ ও শেষের দিকে মাশরাফি বিন মুর্তজা ২১ বলে ২৪ রান করেন।

রান তাড়ায় নামা প্রাইম দোলেশ্বর তৃতীয় বলেই উইকেট হারায়। ধসের সেই শুরু। সেই ধস আর থামলো না। ‘সাইফুদ্দিনের ম্যাচে’ দোলেশ্বর অলআউট ৮৬ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: আবাহনী ২৫১/১০ (৪৯ ওভারে, জাফর ৭১, শান্ত ৭০, মিঠুন ৪১, মাশরাফি ২৪, আবু জায়েদ ৩/৪৭, ফরহাদ রেজা ২/৪৩, সাইফ হাসান ২/৩৭)। প্রাইম দোলেশ্বর: ৮৬/১০ (২৯.৪ ওভারে, সাইফ ১৩, মাহমুদুল হাসান ২৭*, সাইফুদ্দিন ৫/৯, সানজামুল ২/২৩, মিরাজ ১/৭)। ফল: আবাহনী ১৬৫ রানে জয়ী।

ম্যাচ সেরা: মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

আপনার মতামত লিখুন :

জয়োৎসবে শুরু বার্তার ফুটবল মিশন

জয়োৎসবে শুরু বার্তার ফুটবল মিশন
এক ফ্রেমে বার্তাটোয়েন্টিফোরের ফুটবল দল -ছবি সুমন নিলয়

খেলা শুরু সাড়ে দশটায়! কিন্তু পল্টনের জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে বার্তাটোয়েন্টিফোরের রিপোর্টার, নিউজরুম এডিটর, ফটো সাংবাদিক, ক্যামেরা পার্সনরা হাজির সকাল সাড়ে সাতটায়! টিম ম্যানেজার মবিনুল ইসলাম বাসা থেকে নিয়ে আসেন গরম গরম চালের রুটি। আর স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট খুররম জামান আনেন বুটের ডাল দিয়ে রান্না করা মাংস! ব্যস, মাঠে নামার আগেই উৎসব আমেজ!

নাস্তা শেষেই মরণচাঁদের মিষ্টি আর কোমল পানীয়তে গলা ভিজিয়ে মাঠে নেমে পড়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর ফুটবল টিম। ওয়ালটন-ডিআরইউ মিডিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের ম্যাচে প্রতিপক্ষ দৈনিক ইত্তেফাক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566723240957.jpg

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট সেরাজুল ইসলাম সিরাজের নেতৃত্বে ডিআরইউ মিডিয়া ফুটবলে রোববার অভিষেক হলো দেশের প্রথম মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজপোর্টাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের। জার্সি পরে ৯ ফুটবলার মাঠে নামতেই জানা গেল প্রতিপক্ষ দৈনিক ইত্তেফাকের রিপোর্টাররা তখনো হাজির হয়নি। খেলা শুরুর নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে ফের রেফারি নিলেন বাড়তি ৫ মিনিট।

অপেক্ষা যদি প্রতিপক্ষ দল আসে! তারপরও দেখা নেই দৈনিক ইত্তেফাকের। শেষ পর্যন্ত ওয়াকওভার পেয়ে টুর্নামেন্টের পরের ধাপে এগিয়ে গেল বার্তা!

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566723268321.jpg

অন্য অনেক মিডিয়া হাউজগুলো খেলোয়াড় সঙ্কটে থাকলেও বার্তার রিজার্ভ বেঞ্চও শক্তিশালী। শেষ পর্যন্ত নিজেরাই দুই ভাগে ভাগ হয়ে গা গরমের ম্যাচটাও খেলে নেয়!

ঢাকার রিপোর্টারদের শীর্ষ সংগঠনের এই টুর্নামেন্টে এবার বার্তার প্রতিপক্ষ জিটিভি। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৭ আগস্ট!

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566723329671.jpg

মাংস-পরোটায় শুরু হয়েছিল শেষ হলো ডাবের ঠান্ডা পানিতে গলা ভিজিয়ে। পরের ম্যাচে জয়ের প্রত্যয় নিয়েই মাঠ ছাড়লেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর ফুটবলাররা!

বার্তা ফুটবল দল-
সেরাজুল ইসলাম সিরাজ (অধিনায়ক), মাজেদুল নয়ন, শাহজাহান মোল্লা, খুররম জামান, আপন তারিক, শেখ নাসির, মাহফুজুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন রাসেল, ইশতিয়াক হোসেন ও মবিনুল ইসলাম (ম্যানেজার)।

অ্যান্টিগা টেস্টের লাগাম ভারতের হাতে

অ্যান্টিগা টেস্টের লাগাম ভারতের হাতে
কোহলি ও রাহানে উভয়ই হাফসেঞ্চুরি করেছেন, ছবি: সংগৃহীত

অ্যান্টিগা টেস্ট জয়ের অবস্থা প্রায় তৈরি করে ফেলেছে ভারত। তৃতীয়দিন শেষে ম্যাচে তাদের লিড ২৬০ রানের। হারিয়েছে মাত্র ৩ উইকেট। অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও অজিঙ্কা রাহানে উইকেটে সেট হয়ে ব্যাট করছেন, হাফসেঞ্চুরি নিয়ে। ৪০০ রানের টার্গেট দিয়ে ইনিংস ঘোষণার অপেক্ষায় ভারত। তবে সেই সঙ্গে তাদের সামনের দু’দিনের বৃষ্টির চিন্তাও মাথায় রাখতে হচ্ছে। সার্বিক হিসেব জানাচ্ছে, নাটকীয় কোনো কিছু না ঘটলে অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাজ এখন একটাই-ম্যাচ বাঁচানো!

প্রথম ইনিংসে ভারতের চেয়ে খুব বেশি পিছিয়ে ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষের দিকে অধিনায়ক জেসন হোল্ডার ৩৯ রান করে ব্যবধান কমিয়ে আনেন। ভারতের ২৯৭ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গুটিয়ে যায় ২২২ রানে।

দ্বিতীয় ইনিংসেও যথারীতি ভারতের ওপেনাররা ব্যর্থ। আগারওয়াল ফিরলেন ১৬ রানে। রাহুল করলেন ৩৮। ওয়ানডাউনে চেতশ্বর পুজারাও টানা ব্যর্থ। ৮১ রানে ৩ উইকেট হারানো ভারতকে পথ দেখালেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও অজিঙ্কা রাহানে। দু’জনেই হাফসেঞ্চুরি করে দলকে দ্বিতীয় ইনিংসে বড় স্কোরের পথে নিয়ে চলেছেন। তাদের চতুর্থ উইকেট জুটিতে যোগ হয়েছে হার না মানা ১০৪ রান। তৃতীয়দিন শেষ করে ভারত ৩ উইকেটে ১৮৫ রান তুলে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ১ম ইনিং: ২৯৭/১০ (৯৬.৪ ওভারে, রাহুল ৪৪, আগরওয়াল ৫, পুজারা ২, কোহলি ৯, রাহানে ৮১, বিহারি ৩২, পান্থ ২৪, জাদেজা ৫৮, রোচ ৪/৬৬, গ্যাব্রিয়েল ৩/৭১, চেজ ২/৫৮)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনি: ২২২/১০ (৭৪.২ ওভারে, ব্রাভো ১৮, চেজ ৪৮, হোপ ২৪, হেটমায়ার ৩৫, হোল্ডার ৩৯, ঈশান্ত ৫/৪৩)। ভারত দ্বিতীয় ইনিংস: ১৮৫/৩(৭২ ওভারে, রাহুল ৩৮, আগারওয়াল ১৬, পুজারা ২৫, কোহলি ৫১*, রাহানে ৫৩*, রোচ ১/১৮)
*তৃতীয়দিন শেষে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র