Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ট্রাম্প-ওবামাদেরও অভিনন্দনে ভাসছেন টাইগার

ট্রাম্প-ওবামাদেরও অভিনন্দনে ভাসছেন টাইগার
আনন্দে আত্মহারা টাইগার উডস
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

যেন নতুন জন্ম হলো টাইগার উডসের! হারিয়েই গিয়েছিলেন তিনি। যার হাতে নিয়মিত উঠেছিল ট্রফি সেই গলফার কীনা ব্যর্থ হচ্ছিলেন বছরের পর বছর। অবশেষে ১১ বছর পর আবারো দেখা দিয়েছে সাফল্য! ক্যারিয়ারের ১৫তম মেজর ট্রফি জিতে এখন উড়ছেন উডস।

অগাস্টা মাস্টার্সের শিরোপা জয়ের পর থেকেই অভিনন্দনে ভেসে যাচ্ছেন টাইগার উডস। যুক্তরাষ্ট্রের এই গলফারের বন্দনায় মেতেছেন খোদ দেশটির প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প, বারাক ওবামা থেকে শুরু করে টেনিস কিংবদন্তি সেরেনা উইলিয়ামস সবারই মুখে এই গলফারের বন্দনা। এমন ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের প্রতীক্ষাতেই যেন ছিলেন সবাই!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প টুইটারের লিখেছেন, ‘অভিনন্দন টাইগার উডস! সত্যিকারের গ্রেট চ্যাম্পিয়ন। চাপেও যারা নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকতে পারেন, তাদের আমি ভালবাসি। অসাধারণ প্রত্যাবর্তনই!’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/16/1555398192845.jpg

সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও মেতেছেন টাইগার বন্দনায়। টুইটারে লিখেছেন, ‘অভিনন্দন! এতোটা উত্থান-পতন সামাল দিয়ে মাস্টার্স জয়ে তুমি দেখিয়ে দিয়েছো- তোমার দক্ষতা, জেদ আর দৃঢ় চরিত্রকে।’

অগাস্টা মাস্টার্সে টাইগার উডসের সাফল্য চোখ জলে নিয়ে এসেছে সেরেনা উইলিয়ামসের। ২০০৮ সালের পর যে গলফার ব্যক্তিগত জীবন, ইনজুরি আর অফ ফর্মে হারিয়েই গিয়েছিলেন তিনি। ১১ বছর পর উডসের সাফল্যে খুশি এই টেনিস তারকা বলছিলেন, ‘ওর জয় দেখে চোখ অশ্রুসজল হয়ে উঠেছিল। চোট-আঘাত ওকে অনেক ভুগিয়েছে। সেই ধাক্কা সামলে ও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তোমাকে দেখে আমি ভীষণ ভাবে অনুপ্রাণিত।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/16/1555398208138.jpg

অনেক প্রতীক্ষা শেষে এই সাফল্য, দারুণ খুশি টাইগার উডসও। চোট, অস্ত্রোপচার আর পারিবারিক সমস্যা কাটিয়ে ফিরতে পারবেন সেই বিশ্বাসটা ছিল কিংবদন্তি এই গলফারের। জানাচ্ছিলেন, ‘আমি জানতাম এই দিনটা আসবে। নিজের ওপর আস্থা ছিল আমার।’ তার চেয়েও খুশি হয়েছেন ছেলে চার্লি উডস। এ বছরই স্কুলে ‘২০১৯ সালের লক্ষ্য কী’ জানতে চাইলে চার্লি লিখেছিল, ‘আবারও বাবাকে চ্যাম্পিয়ন হতে দেখতে চাই।’

ছেলের সেই লক্ষ্যটা বাবা চটজলদি পূরণ করে দিয়েছেন। রোববার জর্জিয়ার ন্যাশনাল গলফ কোর্সে ট্রফি জয়ের পরই চার্লিকে জড়িয়ে ধরে আনন্দে চিৎকার করে উঠেন টাইগার! বলতে থাকেন, ‘আমি সত্যিই ফের জিতেছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র