Alexa

গোল উৎসবের ম্যাচে সিটির স্বপ্ন ভেঙে সেমিতে টটেনহ্যাম

গোল উৎসবের ম্যাচে সিটির স্বপ্ন ভেঙে সেমিতে টটেনহ্যাম

অ্যাওয়ে গোলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে গোল টটেনহ্যাম

রুদ্ধশ্বাস এক ম্যাচ! যেখানে দৃষ্টিনন্দন ফুটবল খেলল দুই ক্লাবই। গোলের পর গোল। খেলা শুরু প্রথম ১১ মিনিট না যেতেই দেখা মিলল চার গোলের। এরপর একই ছন্দ দুই ক্লাবের। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে নান্দনিক ফুটবল। শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে শেষ হাসি টটেনহ্যাম হটস্পারের।

জিতেও রক্ষা হলো না ম্যানচেস্টার সিটির। হেরেও অ্যাওয়ে গোল টটেনহ্যামকে নিয়ে গেল উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে।

কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বুধবার রাতে ৪-৩ গোলে জয় পায় সিটি। দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইন ৪-৪। কিন্তু প্রতিপক্ষের মাঠে বেশি গোল করায় সেমিতে উঠে গেল টটেনহ্যাম। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ১-০ গোলে জিতে দলটি।

এরই পথ ধরে এবারই প্রথম ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদা পূর্ণ লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো সেমি-ফাইনালে উঠলো টটেনহ্যাম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/18/1555553338122.jpg

সেমিতে তাদের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসের ক্লাব আয়াক্স। যারা রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের স্বপ্ন ভেঙে উঠে এসেছে শেষ চারে।

উত্তেজনা ছড়ানো ম্যাচে টটেনহ্যামের সাফল্যের নায়ক এবারো সন হিউং-মিন। শেষ আটের প্রথম লেগের জয়সূচক গোল করেন তিনি। এরপর বুধবার রাতে দক্ষিণ কোরিয়ার এই ফরোয়ার্ড প্রতিপক্ষের মাঠে করেন দুটি গোল।

যদিও রাহিম স্টার্লিংয়ের জোড়া গোলে সেমির স্বপ্ন দেখছিল ম্যানসিটি। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। তারকা কোচ পেপ গার্দিওলাকে হতাশ হয়েই ছাড়তে হলো মাঠ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/18/1555553430984.jpg

আট গোলের ম্যাচে প্রথম গোলটির দেখা মেলে ৪ মিনিটে। সতীর্থ কেভিন ডি ব্রুইনের পাস থেকে বল পেয়ে সিটিকে এগিয়ে দেন রাহিম স্টার্লিং। কিন্তু তিন মিনিট পরই হিউং-মিন ফেরান সমতা। তার শট প্রতিপক্ষের গোলকিপার এদেরসনের পায়ে লেগে চলে যায় জালে।

দশম মিনিটে আবারও ম্যাজিক হিউং-মিনের। ক্রিস্তিয়ান এরিকসেনের পাস থেকে বল পেয়ে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি পেয়ে যান তিনি। যদিও মিনিট না ঘুরতেই খেলায় সমতা ফেরায় সিটি। অবশ্য ভাগ্যও সয়াহতা করে তাদের। বের্নার্দো সিলভার শট থেকে আসা বল আটকাতে চেষ্টা করেছিলেন উগো লরিস। এরপর বল ডিফেন্ডার ড্যানি রোজের পায়ে লেগে টটেনহ্যামের পোষ্টে চলে যায় (২-২)।

এরপর ২১তম মিনিটে স্টার্লিং ম্যাজিকে ফের এগিয়ে যায় সিটি। এরপর ৫৯তম মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন সার্জিও আগুয়েরো। মনে হচ্ছিল ম্যানসিটিই পা রাখভে সেমিতে। কারণ তখন দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইন ৪-৩!

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/18/1555553450865.jpg

কিন্তু কে জানতো এরপরই কপাল পুঁড়বে। খেলার ৭৩তম মিনিটে সমতা ফেরায় টটেনহ্যাম। কিরান ট্রিপিয়ারের ভাসানো কর্নার থেকে আসা বল ফার্নান্দো লরেন্তের পায়ে লেগে জালে চলে যায়। বলটি হাতে লেগেছে কীনা বুঝতে ভিএআর দেখে গোলের বাঁশি দেন রেফারি।

যদিও ইনজুরি সময়ে স্টার্লিং প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠালেও গোল পেলো না সিটি। কারণ আগুয়েরো ছিলেন অফসাইডে। ভিএআরে বাতিল হয় গোল। তারই পথ ধরে বিদায় নেয় সিটি। আর টটেনহ্যাম উঠে যায় সেমিতে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুধবারের আরেক ম্যাচে অনায়াসেই সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছে লিভারপুল। শেষ আটের ফিরতি লেগে তারা পোর্তোকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে। দুই লেগ মিলে ৬-১ ব্যবধানে এগিয়ে অলরেডরা পেলো শেষ চারের টিকিট। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে লিওনেল মেসির বার্সেলোনার সঙ্গে লড়বে মোহাম্মদ সালাহর লিভারপুল।

আপনার মতামত লিখুন :