Alexa

মাঠ, হোটেল, শপিং মলেও ক্রিকেটারদের পিছু নেবেন তারা

মাঠ, হোটেল, শপিং মলেও ক্রিকেটারদের পিছু নেবেন তারা

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে দূর্নীতি আটকাতে আটঘাট বেধে নেমেছে আইসিসি

ক্রিকেটে দূর্নীতি নতুন কিছু নয়! দূর্নীতিবাজদের জন্য বারবারই কলঙ্কিত হয়েছে ব্যাট-বলের লড়াই। সপ্তাহ দুয়েক পরই বিশ্বকাপ। তার আগে এই ব্যাপারটিই বেশি ভাবাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি)। এজন্য আটঘাট বেধেই মাঠে নামছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাটি।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দশ দেশের জন্য একজন করে দুর্নীতি-দমন কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে যাচ্ছে আইসিসি। দূর্নীতি মুক্ত বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে শুরু করে শেষ অব্দি প্রতিটি দলের সঙ্গেই থাকবেন আইসিসি’র দূর্নীতি দমন শাখার একজন কর্মকর্তা।

৩০ মে ইংল্যান্ডে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে অংশ নেবে দশটি দেশ। তবে এবার ফরম্যাটে ভিন্নতা থাকায় ম্যাচের সংখ্যা বেড়েছে। এ অবস্থায় পাতানো ম্যাচ কিংবা স্পট ফিক্সিংসহ অন্য দুর্নীতির শঙ্কাও দেখছে আইসিসি। কিন্তু কঠোর হাতে সব দমন করতে প্রস্তুত ক্রিকেটের অভিবাবক সংস্থাটি।

ব্রিটেনের প্রভাবশালী পত্রিকা ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ এরইমধ্যে জানিয়েছে- প্রস্তুতি ম্যাচের শুরু থেকে প্রতিটি দলের সঙ্গে থাকবেন একজন অ্যান্টি করাপশন অফিসার। আসর শেষে দেশের বিমানে ধরার আগ পর্যন্ত দলের সঙ্গে থাকবেন তিনি। এর আগে প্রতিটি ভেন্যুতে একজন করে কর্মকর্তা রাখতো আইসিসির দুর্নীতি-দমন ইউনিট (আকসু)। এ কারণে মাঠের বাইরে ক্রিকেটাররা এই কর্মকর্তাদের দেখা পেতেন না।

এবার নিয়ম পাল্টে মাঠ, হোটেল এমন কী শপিং মলে যেখানেই ক্রিকেটাররা যাবেন সঙ্গী হবেন দূর্নীতি দমন শাখার কর্মকর্তা। সার্বক্ষণিক নজরে থাকবেন প্রতিটি ক্রিকেটার। 

অবশ্য ফিক্সিংসহ নানা দূর্নীতি থেকে ক্রিকেটকে মুক্ত রাখতে আইসিসি ক্রিকেটারদেরও সহযোগিতা চেয়েছে। এ কারণেই ক্রিকেটারদের সঙ্গে আকসুর সম্পর্কটা আরো মজবুত করতে চাইছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।

আপনার মতামত লিখুন :