Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফের ইংলিশ লিগের সেরা ম্যানেজার গার্দিওলা

ফের ইংলিশ লিগের সেরা ম্যানেজার গার্দিওলা
নতুন উচ্চতায় ম্যানচেস্টার সিটির ম্যানেজার পেপ গার্দিওলা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

এ যেন প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির দেখা! ম্যানচেস্টার সিটি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ট্রফি জয়ের পরই নিশ্চিত ছিল বর্ষসেরা ম্যানেজার হবেন তিনি। ঠিক তাই হলো। সিটিজেন শিবিরে ফের আনন্দের রেশ। ম্যানেজার অব দ্য ইয়ার হলেন সিটির হেড কোচ পেপ গার্দিওলা।

তবে এই লড়াইয়ে স্প্যানিশকে হারাতে হয়েছে লিভারপুলের ইয়ুর্গেন ক্লপ ও টটেনহ্যাম হটস্পারের মাউরিসিও পচেত্তিনোকে।

মৌসুমে শিরোপা লড়াইয়ে সমানে সমান লড়েছে ম্যানসিটি ও লিভারপুল। শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্টের ব্যবধানে শেষ ম্যাচে এসে ট্রফি জয়ের আনন্দে মাতে সিটি। তারপরও সেরা ম্যানেজারের দৌড়ে ছিলেন লিভারপুলের ইয়ুর্গেন ক্লপ। তবে তাকে টপকে বাজিমাত গার্দিওলার।

টানা দুইবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্ষসেরা কোচ হলেন এই স্প্যানিশ। গতবারও লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তার দল। এই সাফল্যে পুরনো স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছেন তিনি। ১০ বছর আগে স্যার ফার্গুসনের অধীনে টানা দুটি শিরোপা জিতেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এবার এবার সেই কিংবদন্তি কোচের কীর্তি স্পর্শ করলেন ৪৮ বছর বয়সী গার্দিওলা।

এমন অর্জনে দারুণ খুশি গার্দিওলা বলছিলেন, ‘এটা অনন্য এক সম্মান। এই অর্জন আমি আমার ফুটবলারদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে চাই। তারাই আসলে সব কিছুর কারিগর।’

ম্যানসিটির সামনে এবার আরেকটি ট্রফির হাতছানি। আগামী শনিবার এফএ কাপের ফাইনাল। যেখানে দলটি লড়বে ওয়াটফোর্ডের বিপক্ষে। প্রথমবারের ঘরোয়া ট্রেবলের অপেক্ষায় গার্দিওলার দল।

মোট তিন ক্লাবের হয়ে গার্দিওলা জিতেছেন ২৬টি শিরোপা। বার্সেলোনার হয়ে ১৪টি (৩টি লা লিগা, ২টি কোপা ডেল রে, ২টি চ্যাম্পিয়নস লিগ, ৩টি সুপারকোপা, ২টি উয়েফা সুপার কাপ ও ২টি ক্লাব বিশ্বকাপ)। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৭টি (৩টি বুন্দেসলিগা, ২টি জার্মান কাপ, একটি উয়েফা সুপার কাপ ও একটি ক্লাব বিশ্বকাপ)। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ৫টি  শিরোপা উঠেছে তার হাতে (২টি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা, ২টি লিগ কাপ ও ১টি কমিউনিটি শিল্ড)।

সর্বকালের সেরা কোচদের তালিকায় গার্দিওলা আছে পাঁচ নম্বরে। তার ওপরে অ্যালেক্স ফার্গুসন (৪৯ শিরোপা), মিরেসা লুসেসকু (৩২), ভ্যালেরি লেবানোভস্কি (৩০) আর ওটমার হিটজফিল্ড (২৮)।

আপনার মতামত লিখুন :

বোল্ট-সাউদিকে আটকে দিল বেরসিক বৃষ্টি

বোল্ট-সাউদিকে আটকে দিল বেরসিক বৃষ্টি
বৃষ্টির আগে বল হাতে দাপট দেখালেন টিম সাউদি

বৃষ্টি দেবতাকে ধন্যবাদ দিতেই পারে শ্রীলঙ্কা! ট্রেন্ট বোল্ট ও টিম সাউদির বোলিং তোপে রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল দল। মনে হচ্ছিল অল্প পুঁজিতেই বুঝি শেষ হয়ে যাবে স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস। কিন্তু বৃষ্টিতে আপাতত রক্ষা! বেরসিক বৃষ্টি ভাসিয়ে নিয়েছে  দুই সেশনের খেলা।

টেস্টের  প্রথম দিন খেলা হয় মাত্র ৩৬.৩ ওভার। আর দ্বিতীয় দিন হলো আরও কম, মাত্র ২৯.৩ ওভার!

শুক্রবার কলম্বোতে টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে তুলেছে ১৪৪ রান। উইকেটে আছেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা (৩২) ও দিলরুয়ান পেরেরা (৫)।

কলম্বোর পি সারা ওভালে এদিন ২ উইকেটে ৮৫ রান নিয়ে খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু শুরুতেই নিউজিল্যান্ডের বোলিং তোপে দিশেহারা হয়ে যায়। দ্রুত সাজঘরের পথ ধরে  অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ও কুসল পেরেরা। অভিজ্ঞ ম্যাথুজকে ফিরিয়ে নিউজিল্যান্ডের তৃতীয় বোলার হিসেবে টেস্টে আড়াইশ উইকেটের অনন্য মাইলস্টোন স্পর্শ করেন বোল্ট।

এদিন নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন টিম সাউদিও। দিমুথ করুনারত্নে ও নিরোশান ডিকভেলাকে ফিরিয়ে পৌঁছে যান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০০ উইকেট শিকারির ক্লাবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের হয়ে আগেই ৫০০ উইকেট শিকারি ক্লাবে আছেন ড্যানিয়েল ভেট্টোরি (৬৯৬) আর স্যার রিচার্ড হ্যাডলি (৫৮৯)। সব মিলিয়ে বিশ্বের ৩৪তম বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০০ উইকেট শিকারি হলেন সাউদি।

আর টেস্টে কিউইদের হয়ে ২৫০ উইকেট শিকারে বোল্ট তৃতীয় বোলার। তার আগে এই মাইলফলকে পা রাখেন কিংবদন্তি স্যার রিচার্ড হ্যাডলি (৪৩১) ও ড্যানিয়েল ভেট্টোরি (৩৬২)।

শুক্রবার লঙ্কানদের হয়ে যা একটু লড়েছিলেন ডি সিলভা আর অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। কিন্তু ৬৫ রান তুলে করুনারত্নে ফিরতেই সব শেষ। তবে ডি সিলভা (৩২) ছিলেন অপরাজিত। কিউইদের হয়ে বোল্ট ৩৩ রানে শিকার করেছেন ২ উইকেট। ৪০ রানে সমান ২ উইকেট নেন আরেক পেসার টিম সাউদি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-
শ্রীলঙ্কা ১ম ইনিংস: (আগের দিন শেষে ৮৫/২) ৬৬ ওভারে ১৪৪/৬ (করুনারত্নে ৬৫, ম্যাথুজ ২, কুসল পেরেরা ০, ডি সিলভা ৩২*, ডিকভেলা ০, দিলরুয়ান ৫*; বোল্ট ২/৩৩, সাউদি ২/৪০, ডি গ্র্যান্ডহোম ১/৩৫, সমারভিল ১/২০)।

‘সাকিব ভাই থাকলে কাজটা সহজ হয়ে যায়’

‘সাকিব ভাই থাকলে কাজটা সহজ হয়ে যায়’
অনুশীলনে কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর মনোযোগী ছাত্র তাইজুল ইসলাম (বামে), ছবি: বিসিবি

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ছিলো কন্ডিশনিং ক্যাম্পের ছুটির দিন। তবে এদিন কেউ মন চাইলে অনুশীলনে আসতে পারে, সমস্যা নেই। সামনে টেস্ট সিরিজ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচের সেই টেস্ট সিরিজ সামনে রেখে নিজেকে তৈরির জন্য বাড়তি প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। আর তাই ছুটির দিনেও চলে এলেন মাঠে। ব্যাটিং অনুশীলনেই সময় কাটলো তার। মিরপুরে হোম অব ক্রিকেটে তাইজুল কথা বললেন মন খুলে।

#ব্যাটিংয়ের দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছেন যে খুব?

ক্রিকেট এখন অনেক প্রতিযোগিতামূলক হয়ে পড়েছে। ভালো পারফরম্যান্স করতে হলে আপনাকে সব বিভাগেই দক্ষতা দেখাতে হবে। আমি এখন আমার ব্যাটিং উন্নতি করারও চেষ্টা করছি, যাতে করে আমার ব্যাটিং দলের কাজে লাগতে পারে।

# দলের সাম্প্রতিক বোলিং ব্যর্থতা প্রসঙ্গে

বিশ্বকাপের ঠিক আগেভাগে আমরা একটা টুর্নামেন্ট জিতেছি। তবে প্রতিটি সিরিজই যে আপনার আশা আকাঙ্ক্ষা পুরো হবে সেই ভাবনাটাও ঠিক নয়। একটা দুটো সিরিজ পক্ষে না গেলে যে আপসেট হয়ে পড়তে হবে-এমন কিছুও না। তাছাড়া আমাদের দলের কেউ তেমনভাবে চিন্তা করে না। অনুশীলন ক্যাম্পে অংশ নেয়া সবাই নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করছে। আশা করছি মাঠের ক্রিকেটে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

# সাকিবের সঙ্গে বোলিং জুটি প্রসঙ্গে

সাকিব ভাইকে ছাড়া বোলিং করাটা বেশ কঠিনই হয়ে দাঁড়ায়। তিনি খুবই অভিজ্ঞ এবং বিশ্বের নাম্বার ওয়ান বোলার। বিশ্বের যে কোনো ব্যাটসম্যান সাকিব ভাইকে সতর্কতার সঙ্গে খেলে, আর তাতেই আমাদের মতো বোলারদের জন্যও ম্যাচে সুযোগ তৈরি হয়। তার উপস্থিতি আমাদের কাজটা সহজ করে দেয়। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে সাকিব ভাই যোগ দিচ্ছেন, এটা আমাদের জন্য বেশ ভালো খবর।

# তাহলে আফগানিস্তানের বিপক্ষেও স্পিন উইকেটই তৈরি হচ্ছে?

উইকেট কেমন হবে, সেটা নিয়ে আমরা এখনো কিছু জানি না। এটা ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার। আর দলের স্পিনার হিসেবে আমি যে কোনো ধরনের উইকেটেই বল করার জন্য প্রস্তুত।

#ওয়ানডে ক্রিকেট নিয়ে চিন্তাভাবনা প্রসঙ্গে

ওয়ানডে ক্রিকেটে খেলার স্বপ্ন আমারও আছে। খেলেছিও। নির্বাচকরা যদি মনে করে থাকেন, আমি ওয়ানডেতে পারফর্ম করতে সক্ষম, তাহলে হয়তো তারা আমাকে নিয়মিত দলে রাখতেও পারেন। দলে সুযোগ পেলে আমি নিয়মিত পারফর্ম করার চেষ্টা করবো।

#প্রতিপক্ষ হিসেবে আফগানিস্তান কেমন দল?

মোটেও সহজ কোনো প্রতিপক্ষ হবে না আফগানিস্তান। মাঠের ক্রিকেটে যে দল ভালো খেলবে, তারাই জিতবে। আমরা এবার ঘরের মাটিতে খেলছি, চেষ্টা থাকবে সিরিজ জেতার।

#ড্যানিয়েল ভেটোরিকে স্পিন কোচ হিসেবে পাচ্ছেন।

ভেটোরি তো লিজেন্ড। এটা আমাদের বোলারদের খুবই সৌভাগ্য যে তার মতো স্পিনারের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারবো আমরা। তার কাছ থেকে যতবেশি শেখা যায়- সেই চেষ্টাই থাকবে আমাদের।

# টেস্টে সেঞ্চুরি উইকেটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। চাই আরেকটি উইকেট মাত্র।

দেখুন আমি একটা উইকেট নেয়ার জন্য ম্যাচে খেলি না। যখনই মাঠে নামি, চিন্তা থাকে, চেষ্টা থাকে যেন পাঁচ উইকেট পাই। ছয় উইকেট পাই। কিভাবে বাংলাদেশ দলকে সহায়তা করা যায় সেটা নিয়েই শুধু ভাবি।

#নতুন হেড কোচ এবং বোলিং কোচকে কেমন লাগলো?

নতুন কোচ তো মাত্রই এলেন। এখনো পুরোপুরি তেমন মাত্রায় কাজ শুরু হয়নি। তবে প্রথম দেখায় যা বুঝেছি, তারা বেশ বন্ধুবৎসল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র