Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চেন্নাইনের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয় আবাহনীর

চেন্নাইনের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয় আবাহনীর
নিজেদের মাঠে জয় তুলে নিয়েছে আবাহনী লিমিটেড- ছবি: বাফুফে
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল আবাহনী লিমিটেডের। লড়াইয়ে টিকে থাকতে জয় ছাড়াও উপায় ছিল না বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন ক্লাবটির। এমন সমীকরণে অবশ্য দলে ছিল ইনজুরির মিছিল। তারপরও বুধবার সন্ধ্যায় দৃষ্টিনন্দন ফুটবল খেলল আবাহনী। ভারতের চেন্নাইন এফসির বিপক্ষে দল তুলে নিয়েছে মনে রাখার মতো এক জয়।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এএফসি কাপে ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে ভারতের চ্যাম্পিয়ন ক্লাবটিকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে আবাহনী।

প্রথম লেগে প্রতিপক্ষের মাঠে এই ক্লাবের বিপক্ষেই আত্মঘাতী গোলে ১-০ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশের দলটি।

বুধবার রুদ্ধশ্বাস ছড়ানো ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়ায় আবাহনী। এরপর শেষ দিকে মামুনুল ইসলামের গোলে হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে ধানমন্ডির ক্লাবটি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/15/1557939496036.jpg

যদিও নিজেদের মাঠে খেলার ৬ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে আবাহনী। ‍চেন্নাইনকে এগিয়ে দেন সি কে ভিনেথ। এরপর ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও কাজ হচ্ছিল না। নাবীব নেওয়াজ জীবন ও সানডে চিজোবাদের আক্রমণ আটকে যাচ্ছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণ সীমানায়।

খেলার ৬৪তম মিনিটে এসে সতায় ফেরায় আবাহনী। দলের আফগান ডিফেন্ডার মাসিহ সাইঘানির পাস ধরে নিশানা খুঁজে নেন কেরভেন্স ফিলস বেলফোর্ট। তারপর মাসিহ সাইঘানির গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/15/1557939529829.jpg

কিন্তু ৭৪ মিনিটে রক্ষণভাগের ভুলে হতাশ হয়ে যায় আবাহনী শিবির। আইজাক ভানমালসাওমার গোলে সমতা ফেরায়া চেন্নাইন।

মনে হচ্ছিল ম্যাচে বুঝি ড্রয়ের আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়বে আবাহনী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে তারা। ৮৪তম মিনিটে মামুনুলের গোল স্বস্তি নিয়ে সমর্থকদের মনে। এই ব্যবধান ধরে রেখেই শেষ অব্দি মাঠ ছাড়ে ঢাকার ক্লাবটি।

এই জয়ে পয়েন্ট তালিকাতেও উন্নতি হয়েছে আবাহনীর। গ্রুপ পর্বের বাধা টপকে যাওয়ার আশাটাও বেঁচে থাকল তাদের। ‘ই’ গ্রুপে ৪ ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে তাদের অর্জন ৭ পয়েন্ট। সমান পয়েন্ট চেন্নাইন এফসির ক্লাবেরও।

আপনার মতামত লিখুন :

পিছিয়ে গেল কিউই ক্রিকেটারদের সংবর্ধনা

পিছিয়ে গেল কিউই ক্রিকেটারদের সংবর্ধনা
কেন উইলিয়ামসনদের পারফরম্যান্সে খুশি দেশটির ক্রিকেটপ্রেমীরা

অবিশ্বাস্য ফাইনালে নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপ শিরোপার দেখা পায়নি ঠিকই। কিন্তু ক্রিকেট অনুরাগীদের মন ছুঁয়েছে তাদের মাঠের পারফরম্যান্স। আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ভুল করে ইংল্যান্ডকে এক রান বাড়তি না দিলে বিশ্ব শিরোপা মাথার ওপর উঁচিয়ে ধরতো তারাই। কিন্তু রুদ্ধশ্বাস ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে রানার্স-আপের তকমা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।

কিন্তু নিউজিল্যান্ডের এ অর্জন কম কিসে। টানা দুই বিশ্বকাপের রানার্স-আপ তারা। দেশে বীরোচিত সংবর্ধনাই পাওয়ার যোগ্য কেন উইলিয়ামসনরা। কিউই সরকার সেটা করবেও। তবে একটু দেরিতে। কারণটা অবশ্য যৌক্তিক।

ঘটা করে স্বাগত জানাতে গেলে সব ক্রিকেটারদের এক সঙ্গে দেশে থাকতে হবে। কিন্তু সেটা এখন হচ্ছে না। কারণ সব ক্রিকেটার এক সঙ্গে দেশে ফিরছেন না। কয়েকজন ক্রিকেটার ছুটি কাটানোর জন্য যুক্তরাজ্যেই থেকে যাবেন। তাই ক্রিকেটারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিয়েছে নিউজিল্যান্ড সরকার।

সব ক্রিকেটারদের এক সঙ্গে না পাওয়ার কারণটা ব্যাখ্যা করেন  নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী ডেভিড হোয়াইট, ‘কয়েকজন ক্রিকেটার ভিন্ন ভিন্ন সময়ে দেশে ফিরবেন। কয়েকজন ফিরবেনই না। অন্যদের অন্য কোথাও খেলার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এটাই এখন বাস্তবতা।’

দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যাবে। এমনটাই জানান হোয়াইট, ‘আমরা প্রশংসার দাবী রাখে এমন অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চাচ্ছি। কিন্তু বাস্তবতার কারণে তা করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যাবে।’

হোয়াইট আরো বলেন, ‘ক্রীড়া ও বিনোদন মন্ত্রী গ্র্যান্ট রবার্টসনের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। ক্রিকেটারদের সংবর্ধনা দিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কথা আমাদের মনে আছে।’

রোববার লর্ডসে বিশ্বকাপ শিরোপা হাতছাড়া করেছে কেন উইলিয়ামসনরা। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে বাউন্ডারি হাঁকানোর হিসেবে পিছিয়ে থাকায় ইংল্যান্ডের কাছে শিরোপা হাতছাড়া করে ব্ল্যাক ক্যাপরা।

১০০ ওভার খেলা শেষে কোনো দলই জিততে পারেনি। নিউজিল্যান্ডের সমান ২৪১ রান করে ম্যাচ টাই করে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে ইংল্যান্ডের সমান ১৫ রান তুলে টাই করে বসে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু বাউন্ডারি হাঁকানোর হিসাবে এগিয়ে থাকায় শিরোপা জিতে নেয় ইয়ন মরগানরা।

নাম্বার ওয়ানেই আছেন সাকিব

নাম্বার ওয়ানেই আছেন সাকিব
বিশ্বকাপে ঝড় তুলে শীর্ষস্থান ধরে রাখলেন সাকিব আল হাসান

প্রত্যাশার সঙ্গে যেন প্রাপ্তির দেখা হল। শীর্ষস্থানেই যে তিনি থাকবেন তা নিশ্চিত ছিল আগেই। বিশ্বকাপে অসাধারণ ক্রিকেটের পসরা সাজিয়ে আলোচনাতেই ছিলেন সাকিব আল হাসান। সেই সাফল্যে নিজের জায়গা ধরে রাখলেন এই অলরাউন্ডার। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আফগানিস্তানের রশিদ খানকে সরিয়ে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার হয়েছিলেন সাকিব। টুর্নামেন্ট শেষেও ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থার রায়ে তিনিই এক নম্বরে।

তবে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছেন রশিদ খান। বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে ব্যর্থ এই অলরাউন্ডার দুই থেকে নেমে গেলেন পাঁচে! অন্যদিকে বেশ এগিয়েছেন বেন স্টোকস। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক আছেন দুই নম্বরে।

শীর্ষে থাকা সাকিবের পয়েন্ট ৪০৬। দুই নম্বরে থাকা স্টোকসের (৩১৯) চেয়ে অনেক এগিয়ে বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। এবারের বিশ্বকাপে ৮ ইনিংসে দুই সেঞ্চুরি ও পাঁচ হাফ-সেঞ্চুরিতে তার রান ৬০৬। ৩টিতে ম্যাচসেরা আর টুর্নামেন্টে সর্বাধিক গড় ৮৬.৫৭। এখানেই শেষ নয়, বল হাতে নেন ১১ উইকেট। এই সাফল্যে আইসিসির বিশ্বকাপ দলেও আছেন সাকিব।

আইসিসি ওয়ানডে অলরাউন্ডারদের তিনে রয়েছেন আফগানিস্তানের মোহম্মদ নবি। তার পয়েন্ট ৩১০। চারে আছেন পাকিস্তানের ইমাদ ওয়াসিম (৩০০)। এরপরই রশিদ খান (২৮৯)।

ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের ব়্যাংকিংয়ের শীর্ষেও অবশ্য কোন পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই নাম্বার ওয়ানে আছেন ভারতের বিরাট কোহলি। দুইয়ে রয়েছেন বিশ্বকাপে ৫ সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়া রোহিত শর্মা। ৮৮৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক নম্বরে আছেন অধিনায়ক কোহলি। পাঁচ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রোহিত।

তিন নম্বরে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান বাবর আজম (৮২৭)। চার নম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস (৮২০)। এরপরই নিউজিল্যান্ডের রস টেলর (৮১৭)।

তালিকার ১৯ নম্বরে রয়েছেন বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম। সাকিব ২২ নম্বরে।

ওয়ানডে বোলারদের ব়্যাংকিংয়ে আগের মতোই শীর্ষ জাসপ্রিত বুমরাহ। ভারতের এই পেসারের রেটিং পয়েন্ট ৮০৯। দুই নম্বরে নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট (৭৪০)। তিনে দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদা (৬৯৪)। এরপরই অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স (৬৯৩) ও দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির (৬৮৩)।

বোলারদের তালিকায় ১৫ নম্বরে আছেন টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। সাকিব ২৮ নম্বরে।

দল হিসেবে শীর্ষেই আছে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। এরপরই ভারত। তিন নম্বরে রানার্সআপ নিউজিল্যান্ড। চারে অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ নম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা। ছয়ে পাকিস্তান। তারপরই আছে বাংলাদেশ দল। শ্রীলঙ্কা রয়েছে ৮ নম্বরে। নবম ও দশমস্থানে যথাক্রমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র