Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

প্রথম মৌসুমেই বর্ষসেরা রোনালদো

প্রথম মৌসুমেই বর্ষসেরা রোনালদো
ইতালিয়ান ক্লাব ফুটবলের বর্ষসেরা ফুটবলার হলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

লাতিন সেই প্রবাদের মতোই বাজিমাত ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। আসলেন দেখলেন এবং জয় করলেন! ঠিক তাই। প্রথমবারের মতো ইতালিয়ান ক্লাব ফুটবলে খেলতে গিয়েই বর্ষসেরা জুভেন্টাসের এই মহাতারকা!

রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে গত মৌসুমেই তুরিনোর ক্লাবটিতে নাম লেখান রোনালদো। যদিও মূল মিশনে ব্যর্থ। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন লিগ এনে দিতে পারেন নি তুরিনোর ওল্ড লেডি খ্যাত ক্লাবটিকে। কিন্তু অন্য লড়াইয়ে ঠিকই সফল এই প্লেমেকার। প্রথম মৌসুমেই করলেন ২২ গোল করেছেন। একইসঙ্গে ১১টি গোলের উৎস তৈরি করে দিলেন সতীর্থদের।

জুভদের সিরি এ জয়ে রাখলেন বড় ভূমিকা। তারই পথ ধরে এবার পেলেন ইতালির লিগ ফুটবলের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের খেতাব।

এই সাফল্যের পর প্রশংসায় ভাসছেন রোনালদো। তাকে যিনি তুরিনোতে নিয়ে এসেছিলেন সেই কোচ সামনের মৌসুমে থাকছেন না জুভেন্টাসে। এই সাফল্যের খবরে প্রিয় শিষ্যকে নিয়ে কোচ মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রি বলেন, ‘তোমার সঙ্গে কাজ করতে পারাটা ছিল গৌরবের। সবকিছুর জন্য তোমাকে ধন্যবাদ জানাই!’

আবার রোনালদো নিজেও প্রিয় কোচের প্রশংসা করলেন। বললেন ‘আমরা শুধু একটি মাত্র মৌসুম একসঙ্গে খেলেছি। কিন্তু এই এক মৌসুমেই বুঝতে পেরেছি আপনি মানুষ ও কোচ হিসেবে কতটা অসাধারণ।’

এদিকে ইতালিয়ান ফুটবল লিগের সেরা স্ট্রাইকার হয়েছেন সাম্পদোরিয়ার ফাবিও কোয়ারিয়ারেল্লা।  সেরা গোলকিপার হয়েছেন ইন্টার মিলানের সামির হানদানোভিচ। সেরা ডিফেন্ডার নাপোলির সেনেগালিজ ডিফেন্ডার কালিদু কোলিবালি। সেরা মিডফিল্ডার হলেন লাৎসিওর সার্গেহ মিলিঙ্কোভিচ সাভিচ। আর সেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার পেলেন এএস রোমার ইতালিয়ান মিডফিল্ডার নিকোলো জানিওলো।

আপনার মতামত লিখুন :

নিউজিল্যান্ডকে হারালেও পাকিস্তান এখনো বাংলাদেশের নিচে

নিউজিল্যান্ডকে হারালেও পাকিস্তান এখনো বাংলাদেশের নিচে
বাবর আজমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতেই জয়ের পথ খুঁজে নিয়েছে পাকিস্তান

বিশ্বকাপের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেলেই কেন যেন বদলে যায় পাকিস্তান!

বার্মিংহ্যামের এজবাস্টনেও পাকিস্তান সেই বদলে যাওয়া ক্রিকেট খেলেই ম্যাচ জিতলো ৬ উইকেটে। যে উইকেটে লাঞ্চের আগে ২৩৭ রান তুলতেই নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং হাঁসফাঁস করলো; সেই একই উইকেটে পাকিস্তানের ব্যাটিং দেখে মনে হলো তারা বুঝি বিকালে বাগানে ঘুরে এলো!

এমন সহজ ভঙ্গির ব্যাটিং করেই পাকিস্তান এই ম্যাচ জিতলো। এবং এই জয়ের সঙ্গে আপাতত দুটো ব্যাপার ঘটলো। প্রথমত নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালের অপেক্ষায় আরো বাড়লো। আর পাকিস্তান বিশ্বকাপের হারিয়ে ফেলা পথের দিশা খুঁজে পেলো যেন!

৭ ম্যাচে পাকিস্তান ৭ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে খেলার রানিং ট্র্যাকে। নিউজিল্যান্ডের সঞ্চয় ৭ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট। একটু জানিয়ে দেই ৭ ম্যাচে বাংলাদেশের পয়েন্টও ৭। এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে। সেমিফাইনালের বাকি তিনের লড়াইয়ে আরো অনেকের সঙ্গে এই দৌড়ে আছে বাংলাদেশও।

এজবাস্টনে জয়ের জন্য ২৩৮ রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান যে ব্যাটিং করলো তাকে বলে ‘সুস্থির’ ব্যাটিং! যা পাকিস্তান ক্রিকেটের সঙ্গে খুব একটা মানান সই নয়। শুরুতে দুই উইকেট হারালেও পরের দুই উইকেট জুটিতে বড়ো রানই পাকিস্তানকে ম্যাচ জিতিয়ে দেয়। ওয়ান ডাউন ব্যাটসম্যান বাবর আজমের অপরাজিত সেঞ্চুরি এবং আরেক মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যারিস সোহেলের হাফসেঞ্চুরি পাকিস্তানকে এই ম্যাচে বড় জয় এনে দেয়।
 
ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি পেলেন বাবর আজম এই ম্যাচে। চতুর্থ উইকেটে  বাবর আজম ও হ্যারিস সোহেলের ২৩.৪ ওভারে ১২৬ রানের জুটি পাকিস্তানের জয়ের কাজটুকু করে দেয়। জয় থেকে পাকিস্তান যখন মাত্র ২ রান দুরে তখনই হ্যারিস সোহেল ৬৪ রানে রান আউট হন।

৪৪ রানে পাকিস্তানের দুই ওপেনার ফিরে গেলে বাবর আজম অভিজ্ঞ মোহাম্মদ হাফিজের সঙ্গে তৃতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৬৬ রান। ৩২ রান তুলে হাফিজ নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক উইলিয়ামসনের স্পিনে ক্যাচ তুলে ফিরেন। ম্যাচে বাকি সময়ের কাহিনীর পুরোটুকু শুধু বাবর আজম ও হ্যারিস সোহেলের ব্যাটিং।

পাকিস্তান যখনই কোনো বিশ্বকাপে সমস্যায় পড়ে সঙ্গে সঙ্গে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ থেকে অনুপ্রেরণা নেয়ার চেষ্টা করে। সেই বিশ্বকাপেও পাকিস্তান গর্তের মধ্যে পড়েও উঠে দাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো। ২৭ বছর আগের সেই বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্যায়ের লড়াইয়ে পাকিস্তান এমন কায়দায় নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ফিরে এসেছিলো।

এবারো এই ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের সেই জনপ্রিয় ‘গল্প’ আরেকবার গলা ফাটিয়ে বলা শুরু করছে পাকিস্তান।

তবে পাকিস্তানের জানা উচিত-ইতিহাস কখনো ম্যাচ বা ট্রফি জেতায় না। পয়েন্ট সমান হলেও এখনো বাংলাদেশের নিচেই পাকিস্তানের অবস্থান। রানরেটে বাংলাদেশ এগিয়ে।

 ৫ জুলাই লর্ডসে ম্যাচ আছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। সেদিন আরেকবার এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ!

সংক্ষিপ্ত স্কোর: নিউজিল্যান্ড : ২৩৭/৬ (৫০ ওভারে, গাপটিল , মনরো ১২, উইলিয়ামসন ৪১, টেলর ৩, লাথাম ১, নিসাম ৯৭*, গ্র্যান্ডহোম ৬৪, স্যান্টার ৫, শাহীন আফ্রিদি ৩/২৮, আমির ১/৬৭, শাদাব খান ১/৪৩)। পাকিস্তান: ২৪১/৪ (৪৯.১ ওভারে, ইমাম উল হক ১৯, ফকর জামান ৯, বাবর আজম ১০১*, হাফিজ ৩২, হ্যারিস সোহেল ৬৪, উইলিয়ামসন ১/৩৯, বোল্ট ১/৪৮, ফার্গুসন১/৫০)। ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী। ম্যাচ সেরা: বাবর আজম।

বিশ্বকাপে নয়, অবসর ভাবনা পেছাল গেইলের

বিশ্বকাপে নয়, অবসর ভাবনা পেছাল গেইলের
আরো কিছুদিন খেলতে চাইছেন ক্রিস গেইল

ইংল্যান্ডে পা রাখার আগেই অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন বিশ্বকাপ খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানাবেন। কিন্তু পিছিয়ে গেল ক্রিস গেইলের অবসর। বিশ্বকাপ ময়দানে নয়, ভারতের বিপক্ষে সিরিজ শেষেই সরে দাঁড়াতে চান ‘ইউনিভার্সাল বস’ খ্যাত এই ক্রিকেটার।

আগামী ৩ আগষ্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সিরিজ খেলবে ভারত। তিনটি টি টুয়েন্টি, তিনটি ওয়ানডে ও দুটো টেস্ট ম্যাচ। এই সিরিজেই চোখ গেইলের। নিজ দেশে মাঠে থাকতে চান তিনি।

গেইল বলছিলেন, ‘দেখুন, বিশ্বকাপেই সবশেষ হয়ে যাচ্ছে না। আরও কয়েকটি ম্যাচ খেলেই আমি অবসর নেব। ভারতের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচ খেলতে চাই। তারপর ভারতের সঙ্গে অবশ্যই ওয়ানডে সিরিজ খেলব। তবে টি-টোয়েন্টি খেলব না। এটাই আমার পরিকল্পনা।’

তার এই ঘোষণার পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিডিয়া ম্যানেজার ফিলিট স্পনার জানিয়ে রাখলেন, ‘ক্রিস গেইল ভারতের বিরুদ্ধেই শেষ সিরিজটা খেলবে।’ এর অর্থ বিশ্বকাপ শেষেও উইন্ডিজের জার্সিতে দেখা মিলবে ৩৯ বছর বয়সী এই মারকুটে ব্যাটসম্যানের।

সন্দেহ নেই ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পর ক্যারবীয় জাতীয় দলকে গুডবাই বলবেন ১০৩ টেস্টে ৪২.১৯ গড়ে ৭২১৫ রান করা গেইল। ২৯৪ ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১০৩৪৫ রান করা এই লিজেন্ডের দল অবশ্য বিশ্বকাপে ভাল করতে পারেনি। অবশ্য এখনো সেমি-ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও টিকে আছে।

সেই সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে হলে বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপ লড়াইয়ে ভারতকে হারাতেই হবে ক্যারিবীয়দের।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র