Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বাংলাদেশের জয়ে ‘এক্স’ ফ্যাক্টর মাশরাফি

বাংলাদেশের জয়ে ‘এক্স’ ফ্যাক্টর মাশরাফি
নতুন মিশনের সামনে মাশরাফি বিন মর্তুজা
এম. এম. কায়সার
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ক্রিকেটে দুটি প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ। সেরা অলরাউন্ডার ও সেরা অধিনায়ক কে? এই দুই প্রশ্নে ভোটাভুটি হলে নিশ্চিত থাকুক সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মতুর্জা যে ভোট পাবেন, রাজনীতিতে তাকে বলে ভূমিধস বিজয়!

তাদের এই জয় যে শুধুমাত্র আবেগের ছড়াছড়িতে তা কিন্তু নয়, ক্রিকেটীয় রেকর্ডই তাদের হয়ে কথা বলছে। তারা নিজেকে তৈরিই করেছেন অনেকের চেয়ে একটু ভিন্নতায়।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির মেয়াদটা সবচেয়ে বেশি দীর্ঘ। অধিনায়ক হিসেবে শুরু করেছিলেন সেই ২০১০ সালে। মাঝে কিছুদিন ইনজুরির কারণে দলের বাইরে থাকায় সাকিব আল হাসান ও মুশফিক রহিম সেই দায়িত্বটা সামাল দিয়েছিলেন। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের আগে ভাগ থেকে দ্বিতীয় মেয়াদে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর থেকে এখনো মাশরাফি সেই সিংহাসনে। এই সময়কালে টি-টুয়েন্টি দলের অধিনায়কও মাশরাফিই ছিলেন। কিন্তু ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কা সফরের সময় হঠাৎ টি-টুয়েন্টি দল থেকে সরে দাড়ান। আর্ন্তজাতিক টি-টুয়েন্টিকে বিদায় জানান। ক্রিকেট বোর্ড অনেক সাধাসাধি করেও তার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারেনি। তবে এবার বিশ্বকাপে যাবার আগে স্পষ্ঠ করেই মাশরাফি জানিয়ে দিয়েছেন-‘এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ।’

খেলাটাও এখানেই ছেড়ে দিচ্ছেন কিনা সেটা এখনো চুড়ান্ত করেননি। খুব বেশি দুরের চিন্তা করার চেয়ে কাছের পরিকল্পনা সফল করতেই বেশি আনন্দ তার।

২০০১ সালের ৮ ডিসেম্বর ওয়ানডে দলে যখন মাশরাফির অভিষেক হয় তখন আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ নিয়মিত হারতো। এমনকি জিম্বাবুয়েও তখন চোখ রাঙাতো! খেলোয়াড়ি জীবনে ক্যারিয়ারের প্রথম ১২ ওয়ানডেতে টানা হার দেখেছেন মাশরাফি। ১৩ নম্বর ম্যাচে এসে প্রথম জয়ের দেখা পান। আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে সেটা ছিলো তার খেলা ম্যাচে প্রথম জয়। তারিখটা ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর। প্রতিপক্ষ ভারত। ভেন্যু বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম।

নিজের প্রথম জয়ের সেই ম্যাচে মাশরাফিই ব্যাটে-বলে সেরা পারফর্মার। ম্যাচ সেরা। অপরাজিত ৩১ রানের সঙ্গে ২ উইকেট। ভারতের বিপক্ষে ১৫ রানের জয়ে তার পারফর্মেন্সটাই সেরা। ১৩ নম্বর সংখ্যাকে সাধারণত অনেকেই ‘আনলাকি’ ভাবেন। কিন্তু নিজের সেই ১৩ নম্বর ম্যাচেই মাশরাফি বদলে দিলেন নিজের এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভাগ্যকে।

সেসময় যে বাংলাদেশ শুধু টানা ম্যাচ হারতো। সেই গর্ত থেকে দলকে বের করে আনলো মাশরাফির পারফরমেন্স। ভারতকে হারানোর সেই ম্যাচ দিয়েই বাংলাদেশ পেলো ক্রিকেটের নতুন ‘এক্স ফ্যাক্টর’! বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সেটাই ভারতের বিপক্ষে আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম জয়।

অবাক করা তথ্য হলো- ভারতকে হারানো বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়েও নায়ক সেই একইজন; মাশরাফি। তিনবছর পরে ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে ৩৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে মাশরাফিই ম্যাচ সেরা!

‘এক্স ফ্যাক্টরের’ আরো তালিকা খুঁজছেন? জানাচ্ছি।

বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৭৭টি আর্ন্তজাতিক ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন মাশরাফি। জিতেছেনও বাংলাদেশের অধিনায়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৪টি ম্যাচ। জয়ের শতকরা রেকর্ড বাংলাদেশের অধিনায়কদের মধ্যে তারই সর্বোচ্চ ৫৮.৬৬!

পেছনের চার বছরে দেশ ও দেশের বাইরে মিলিয়ে ৯টি ওয়ানডে সিরিজ জয়। অধিনায়ক হিসেবে ভারত, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলকে ওয়ানডে সিরিজে প্রথমবারের মতো হারানো। টানা দুই বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দেয়া। পুরো দলকে বন্ধুর স্নেহে বাঁধেন, আবার অভিভাবকের মতো পাশে দাড়ান। দুই পায়ে সবমিলিয়ে ছয়টা অস্ত্রোপচার হয়েছে। তারপরও শুরুতে, নয়তো মাঝে অথবা ডেথ ওভারে-দলের যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে নিংড়ে দিতে চলে আসেন। এখনো যে কায়দায় ফিল্ডিং দেন, ঝাঁপিয়ে পড়ে মাটির ইঞ্চিখানেক ওপর থেকে একহাতে ক্যাচ ধরেন, পুরোটা সময় জুড়ে যে এনার্জি খরচ করেন, সেই দুরুন্তপনায় পুরোদুস্তর গ্রামের কিশোরের চঞ্চল বিচরণ যেন!

নড়াইলের মেঠোপথ, বন-বাদাড়, তরতরিয়ে ডাব গাছে উঠে পড়ার সেইসব দিন, চিত্রা নদীর ঢেউয়ে কুল পেরুনো সাঁতার-নিজের সব সুন্দর স্মৃতি, সব সাহসকে সঙ্গে করে ক্রিকেট মাঠে নামেন বলেই তো মাশরাফি যেমন জিতছেন ২২ গজের লড়াই, ঠিক তেমনি মানুষের মনও!

অধিনায়ক মাশরাফির মানেই তার কথায়, উপস্থিতিতে এবং পারফরমেন্সে পুরো দলের চনমনে চাঙা হয়ে উঠা। ঝিমিয়ে পড়া দলকে কিভাবে তাতিয়ে তুলতে হয়, দলের প্রত্যেকের ভেতর থেকে সেরা খেলাটা বের করে আনার তাগিদ জাগিয়ে তুলতে হয়- সেটা অধিনায়ক মাশরাফির চেয়ে বেশি আর কারো জানা নেই সম্ভবত।

কটা উদাহরণ।

শেষ এশিয়া কাপের ফাইনালে লিটন দাস যখন হাফসেঞ্চুরি করলেন, ড্রেসিংরুমের দরজায় এসে দাড়িয়ে মাশরাফি ডানহাত বুকের সঙ্গে লাগিয়ে জানালেন-‘বুক চিতিয়ে খেলো!’ পরমুর্হূতে দুই হাত প্রশসারিত করে লিটনের দিকে ঈশারা করলেন-‘ইনিংস লম্বা করো’।

লিটন সেই ম্যাচে ইনিংসটা লম্বা করলেন, সেঞ্চুরি করলেন!

সবাই যখন সাব্বির রহমানের বিপক্ষে। তখনই তার কাঁধে অধিনায়কের হাত। অনেক সমালোচনা সত্তে¡ও তাকে দলে নিলেন অধিনায়ক। সেই সাব্বির নিউজিল্যান্ড সফরে ঠিকই ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি ফিরলেন! সাত নম্বরে একজন মারকুটো ব্যাটসম্যান খোঁজার সমস্যা কাটলো।

ক্রিকেট মাঠে টিম ম্যানেজমেন্ট বলে একটা কথা আছে। সেই ম্যানেজমেন্টে মাশরাফি ওস্তাদ ক্রিকেটার।

বাংলাদেশের সাফল্য মানেই তাতে মাশরাফির কিছু না কিছু ভুমিকা অবশ্য থাকবে। এখন পর্যন্ত ওয়ানডে ক্রিকেটে মাশরাফি যেসব ম্যাচে তিন বা তারচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন, এমন ৩৩টি ম্যাচের ২২টিই বাংলাদেশ জিতেছে।

-কি ‘এক্স ফ্যাক্টর’ পেলেন তো!

আপনার মতামত লিখুন :

নিউজিল্যান্ডকে হারালেও পাকিস্তান এখনো বাংলাদেশের নিচে

নিউজিল্যান্ডকে হারালেও পাকিস্তান এখনো বাংলাদেশের নিচে
বাবর আজমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতেই জয়ের পথ খুঁজে নিয়েছে পাকিস্তান

বিশ্বকাপের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেলেই কেন যেন বদলে যায় পাকিস্তান!

বার্মিংহ্যামের এজবাস্টনেও পাকিস্তান সেই বদলে যাওয়া ক্রিকেট খেলেই ম্যাচ জিতলো ৬ উইকেটে। যে উইকেটে লাঞ্চের আগে ২৩৭ রান তুলতেই নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং হাঁসফাঁস করলো; সেই একই উইকেটে পাকিস্তানের ব্যাটিং দেখে মনে হলো তারা বুঝি বিকালে বাগানে ঘুরে এলো!

এমন সহজ ভঙ্গির ব্যাটিং করেই পাকিস্তান এই ম্যাচ জিতলো। এবং এই জয়ের সঙ্গে আপাতত দুটো ব্যাপার ঘটলো। প্রথমত নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালের অপেক্ষায় আরো বাড়লো। আর পাকিস্তান বিশ্বকাপের হারিয়ে ফেলা পথের দিশা খুঁজে পেলো যেন!

৭ ম্যাচে পাকিস্তান ৭ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে খেলার রানিং ট্র্যাকে। নিউজিল্যান্ডের সঞ্চয় ৭ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট। একটু জানিয়ে দেই ৭ ম্যাচে বাংলাদেশের পয়েন্টও ৭। এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে। সেমিফাইনালের বাকি তিনের লড়াইয়ে আরো অনেকের সঙ্গে এই দৌড়ে আছে বাংলাদেশও।

এজবাস্টনে জয়ের জন্য ২৩৮ রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান যে ব্যাটিং করলো তাকে বলে ‘সুস্থির’ ব্যাটিং! যা পাকিস্তান ক্রিকেটের সঙ্গে খুব একটা মানান সই নয়। শুরুতে দুই উইকেট হারালেও পরের দুই উইকেট জুটিতে বড়ো রানই পাকিস্তানকে ম্যাচ জিতিয়ে দেয়। ওয়ান ডাউন ব্যাটসম্যান বাবর আজমের অপরাজিত সেঞ্চুরি এবং আরেক মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যারিস সোহেলের হাফসেঞ্চুরি পাকিস্তানকে এই ম্যাচে বড় জয় এনে দেয়।
 
ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি পেলেন বাবর আজম এই ম্যাচে। চতুর্থ উইকেটে  বাবর আজম ও হ্যারিস সোহেলের ২৩.৪ ওভারে ১২৬ রানের জুটি পাকিস্তানের জয়ের কাজটুকু করে দেয়। জয় থেকে পাকিস্তান যখন মাত্র ২ রান দুরে তখনই হ্যারিস সোহেল ৬৪ রানে রান আউট হন।

৪৪ রানে পাকিস্তানের দুই ওপেনার ফিরে গেলে বাবর আজম অভিজ্ঞ মোহাম্মদ হাফিজের সঙ্গে তৃতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৬৬ রান। ৩২ রান তুলে হাফিজ নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক উইলিয়ামসনের স্পিনে ক্যাচ তুলে ফিরেন। ম্যাচে বাকি সময়ের কাহিনীর পুরোটুকু শুধু বাবর আজম ও হ্যারিস সোহেলের ব্যাটিং।

পাকিস্তান যখনই কোনো বিশ্বকাপে সমস্যায় পড়ে সঙ্গে সঙ্গে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ থেকে অনুপ্রেরণা নেয়ার চেষ্টা করে। সেই বিশ্বকাপেও পাকিস্তান গর্তের মধ্যে পড়েও উঠে দাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো। ২৭ বছর আগের সেই বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্যায়ের লড়াইয়ে পাকিস্তান এমন কায়দায় নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ফিরে এসেছিলো।

এবারো এই ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের সেই জনপ্রিয় ‘গল্প’ আরেকবার গলা ফাটিয়ে বলা শুরু করছে পাকিস্তান।

তবে পাকিস্তানের জানা উচিত-ইতিহাস কখনো ম্যাচ বা ট্রফি জেতায় না। পয়েন্ট সমান হলেও এখনো বাংলাদেশের নিচেই পাকিস্তানের অবস্থান। রানরেটে বাংলাদেশ এগিয়ে।

 ৫ জুলাই লর্ডসে ম্যাচ আছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। সেদিন আরেকবার এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ!

সংক্ষিপ্ত স্কোর: নিউজিল্যান্ড : ২৩৭/৬ (৫০ ওভারে, গাপটিল , মনরো ১২, উইলিয়ামসন ৪১, টেলর ৩, লাথাম ১, নিসাম ৯৭*, গ্র্যান্ডহোম ৬৪, স্যান্টার ৫, শাহীন আফ্রিদি ৩/২৮, আমির ১/৬৭, শাদাব খান ১/৪৩)। পাকিস্তান: ২৪১/৪ (৪৯.১ ওভারে, ইমাম উল হক ১৯, ফকর জামান ৯, বাবর আজম ১০১*, হাফিজ ৩২, হ্যারিস সোহেল ৬৪, উইলিয়ামসন ১/৩৯, বোল্ট ১/৪৮, ফার্গুসন১/৫০)। ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী। ম্যাচ সেরা: বাবর আজম।

বিশ্বকাপে নয়, অবসর ভাবনা পেছাল গেইলের

বিশ্বকাপে নয়, অবসর ভাবনা পেছাল গেইলের
আরো কিছুদিন খেলতে চাইছেন ক্রিস গেইল

ইংল্যান্ডে পা রাখার আগেই অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন বিশ্বকাপ খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানাবেন। কিন্তু পিছিয়ে গেল ক্রিস গেইলের অবসর। বিশ্বকাপ ময়দানে নয়, ভারতের বিপক্ষে সিরিজ শেষেই সরে দাঁড়াতে চান ‘ইউনিভার্সাল বস’ খ্যাত এই ক্রিকেটার।

আগামী ৩ আগষ্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সিরিজ খেলবে ভারত। তিনটি টি টুয়েন্টি, তিনটি ওয়ানডে ও দুটো টেস্ট ম্যাচ। এই সিরিজেই চোখ গেইলের। নিজ দেশে মাঠে থাকতে চান তিনি।

গেইল বলছিলেন, ‘দেখুন, বিশ্বকাপেই সবশেষ হয়ে যাচ্ছে না। আরও কয়েকটি ম্যাচ খেলেই আমি অবসর নেব। ভারতের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচ খেলতে চাই। তারপর ভারতের সঙ্গে অবশ্যই ওয়ানডে সিরিজ খেলব। তবে টি-টোয়েন্টি খেলব না। এটাই আমার পরিকল্পনা।’

তার এই ঘোষণার পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিডিয়া ম্যানেজার ফিলিট স্পনার জানিয়ে রাখলেন, ‘ক্রিস গেইল ভারতের বিরুদ্ধেই শেষ সিরিজটা খেলবে।’ এর অর্থ বিশ্বকাপ শেষেও উইন্ডিজের জার্সিতে দেখা মিলবে ৩৯ বছর বয়সী এই মারকুটে ব্যাটসম্যানের।

সন্দেহ নেই ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পর ক্যারবীয় জাতীয় দলকে গুডবাই বলবেন ১০৩ টেস্টে ৪২.১৯ গড়ে ৭২১৫ রান করা গেইল। ২৯৪ ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১০৩৪৫ রান করা এই লিজেন্ডের দল অবশ্য বিশ্বকাপে ভাল করতে পারেনি। অবশ্য এখনো সেমি-ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও টিকে আছে।

সেই সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে হলে বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপ লড়াইয়ে ভারতকে হারাতেই হবে ক্যারিবীয়দের।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র