Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আর্সেনালকে হতাশ করে ইউরোপা চ্যাম্পিয়ন চেলসি

আর্সেনালকে হতাশ করে ইউরোপা চ্যাম্পিয়ন চেলসি
ট্রফি নিয়ে ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন চেলসির ফুটবলার-কর্মকর্তারা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একেবারে হেসে-খেলে জয়। অল ইংল্যান্ড ফাইনালে উত্তেজনার কোন ছোঁয়া ছিল না। ৯০ মিনিটের একপেশে লড়াইয়ে বাজিমাত চেলসির। আর্সেনালকে উড়িয়ে ইউরোপা লিগের ট্রফি জিতেছে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের ক্লাবটি।

বুধবার রাতে আজারবাইজানের বাকুর অলিম্পিক স্টেডিয়ামে শিরোপা লড়াইয়ে ৪-১ গোলে সহজেই জয় তুলে নেয় চেলসি। ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে দ্বিতীয় সেরা প্রতিযোগিতায় এর আগে ২০১২-১৩ মৌসুমে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অলব্লুজরা।

ফাইনাল লড়াইটা এমন একপেশে হবে আঁচ করা যায়নি। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে চেলসি দুর্দান্ত ফুটবলের পসরা সাজাল। জোড়া গোল করেছেন ইডেন হ্যাজার্ড। অন্য দুটি গোল অলিভিয়ে জিরুদ আর পেদ্রোর।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/30/1559191080256.jpg

শুরুটা অবশ্য তেমন ভাল ছিল না চেলসির। তবে ম্যাচের বয়স বাড়তেই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে প্রিমিয়ার লিগের দলটি। কিন্তু গোলের দেখা মিলছিল না। ৪৯ মিনিটে এসে নিশানা খুঁজে নেয় তারা। পিটার চেককে হতাশ করে বল পাঠিয়ে দেন জালে জিরুদ। এমেরসনের ভাসানো ক্রসে দেখার মতো এক হেড এই ফরাসি তারকার। এটি এবারের লড়াইয়ে তার একাদশতম গোল।

৬০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে চেলসি। এবারের গোলদাতা পোদ্রো। তারপর ৬৫তম মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে যায় অলব্লুজরা। ডি-বক্সে জিরুদ ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। এরপর স্পট কিকে গোল করতে ভুল করেন নি হ্যাজার্ড।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/30/1559191099448.jpg

এরপর একটা গোল শোধ করলেও আর ম্যাচে ফেরা হয়নি আর্সেনালের। ৬৯তম মিনিটে ব্যবধান কমিয়েছিলেন আলেক্স আইওবি। কিন্তু ৭২তম মিনিটে জিরুদের পাস থেকে বল পেয়ে অসাধারণ এক ভলিতে ফের গোল করেন হ্যাজার্ড (৪-১)!

জোড়া গোল করা এই ফুটবলারটি আসছে মৌসুমে নাও খেলতে পারেন চেলসির হয়ে। দলবদলের গুঞ্জণে শেষটা দুর্দান্তই হলো বেলজিয়ামের এই ফরোয়ার্ডের। বলা হচ্ছে নতুন মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদে নাম লেখাতে পারেন তিনি।

এদিকে ফাইনাল ম্যাচটি মনে রাখার মতো হয়ে থাকবে চেলসি কোচ আন্তোনিও কন্তের। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে নাম লেখানোর পর প্রথম শিরোপা পেলেন স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের এই ইতালিয়ান কোচ!

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র