Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইয়র্কার ও বাউন্সার নিয়েই ভাবছেন আর্চার

ইয়র্কার ও বাউন্সার নিয়েই ভাবছেন আর্চার
জোফরা আর্চার : বিশ্বকাপের নতুন তারকা
স্পোর্টস ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ক্রিকেট বিশ্বের নতুন সেনসেশন জোফরা আর্চার। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের নতুন তারকা বলা হচ্ছে ক্যারিবিয়ান বংশোদ্ভুত এই ইংলিশ ক্রিকেটারকে। বিশ্বকাপে বাকী ম্যাচেও এভাবে বল হাতে ঝড় তোলার অপেক্ষায় এই পেসার।

এক সাক্ষাৎকারে এখন বিশ্বকাপ উপভোগের কথাই জানালেন পেসার জোফরা আর্চার।

বিশ্বকাপে আপনার কাছে প্রতাশা অনেক। আপনি কী চাপ অনুভব করছেন?
না। সত্যি চাপ অনুভব করছি না। আমার ধারণার চেয়ে আমি চার বছর আগে ক্রিকেটের বিশ্ব আসরে খেলে যাচ্ছি। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি। শুধু নিজের খেলাটা উপভোগ করে যাচ্ছি।

রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আপনার পারফরম্যান্স কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
ক্রিকেটার হিসেবে আমার বিকাশে আইপিএল অনেক কাজে দিয়েছে। সপ্তাহের পর সপ্তাহ গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে আপনি বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের বিপক্ষে খেলতে পারেন। সত্যি বলতে কী আইপিএল বিশ্বকাপের চাপের জন্য ক্রিকেটারদের গড়ে তুলে।

আইপিএল কী আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে কী ভিন্ন কিছু হবে?
নিজের ওপর আস্থা নিয়ে খেলতে নামাটা সব সময়ই সুখকর ব্যাপার। আস্থার প্রতিদান দিলে পারলে আপনা আত্মবিশ্বাসী থাকবেন। জানি ইংল্যান্ড কন্ডিশন অন্য যে কোনো দেশের কন্ডিশনের চেয়ে ভালো। তাই এটা নিয়ে মোটেই চিন্তিত নই।

বিশেষ কোনো ডেলিভারি নিয়ে কাজ করছেন?
সত্যি না। আমি শুধু নিজের ডেলিভারির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মনোযোগী। ইতিমধ্যে আমি ইয়র্কার, স্লোয়ার বল ও বাউন্সার দিয়ে যাচ্ছি।

আপনার দৃষ্টিতে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাটসম্যান কারা?
আমার দিক থেকে বলতে গেলে জস বাটলার, বিরাট কোহলি ও ডেভিড ওয়ার্নার। জস আপনার সেরা বলটিও মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিতে পারেন। খামখেয়ালিপনা কাজ করে তার মধ্যে। বাকি দুজন আলাদা। আপনি কী ধরণের বল করতে যাচ্ছেন সেটা বুঝেই ম্যাচে এগিয়ে যান কোহলি। প্রতিপক্ষকে খুটিয়ে খুটিয়ে বিশ্লেষণ করাই তার কাজ। আমার মনে হয় না ওয়ার্নারের মতো অন্য কেউ শক্ত ভাবে বল আঘাত করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র