লাওসে ঈদ কাটালেন জামাল-মামুনুলরা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম
সেলফিতে দেশের বাইরের ঈদ উদযাপন মুহূর্তগুলো ধরে রাখেন ফুটবলাররা- ছবি:ফেসবুক

সেলফিতে দেশের বাইরের ঈদ উদযাপন মুহূর্তগুলো ধরে রাখেন ফুটবলাররা- ছবি:ফেসবুক

  • Font increase
  • Font Decrease

সবার আগে দেশ, তারপর অন্যকিছু। দেশের হয়ে খেলতে গিয়ে ঈদ আনন্দটা বিসর্জন দিলেন তারাও। মাশরাফি বিন মর্তুজা-সাকিব আল হাসানদের মতো পরবাসে ঈদ উল ফিতর কাটালেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলাররা। কাতার বিশ্বকাপ প্রাক-বাছাই পর্বে লাওসের বিপক্ষে ম্যাচ জামাল ভুঁইয়াদের। বৃহস্পতিবারই মাঠে নামবে দল।

তার আগে ১০ দিনের ক্যাম্প চলছে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে। স্থানীয় দুটি ক্লাবের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে এখন ফুটবলাররা চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।

তার আগে বুধবার ঈদ উদযাপন করলেন মামুনুল ইসলাম ও জামাল ভুঁইয়ারা। সকালে লাওসের ভিয়েনতিয়েনের জামে মসজিদে নামাজ পড়েছেন জেমি ডের শিষ্যরা। নামাজ শেষেই পরবাসে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করেন তারা। তবে পরিবারের সবাইকে মিস করেছেন।

ঈদের দিন সকালে অনুশীলন না হলেও বিকেলে মাঠে নামেন ফুটবলাররা। তার আগে নামাজ শেষে সেলফিতে দেশের বাইরের ঈদ উদযাপন মুহূর্তগুলো ধরে রাখেন তারা।

ফেসবুকে জাতীয় দলের গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘ঈদ মোবারক। সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। আজ পরিবার পরিজন ছাড়া দেশের বাইরে ঈদ করছি অনেক খারাপ লাগছে। যদিও এবারই প্রথম নয়, এর আগেও অনেকবার পরিবার ছাড়া দেশের বাইরে ঈদ করেছি। এই ত্যাগটুকু শুধুই দেশের জন্য, ফুটবলের জন্য। বিশ্বকাপ প্রাক বাছাই লাওসের সঙ্গে মহাগুরুত্বপূর্ণ খেলা। তাই দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই, যেন জিততে পারি।’

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৮৪ নম্বরে আছে লাওস। বাংলাদেশ ১৮৮ নম্বরে। দুই লেগ মিলিয়ে জিতলেই কাতার বিশ্বকাপের মূল বাছাইপর্বে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের। ফিরতি পর্বে লাওসের সঙ্গে লড়াই ১১ জুন, ঢাকায়।

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ দল-
গোলরক্ষক: আশরাফুল ইসলাম রানা, আনিসুর রহমান জিকো ও মাজহারুল ইসলাম হিমেল।
রক্ষণভাগ: টুটুল হোসেন বাদশা, সুশান্ত ত্রিপুরা, বিশ্বনাথ ঘোষ, ইয়াসিন খান, রহমত মিয়া, রিয়াদুল হাসান, নাসিরউদ্দিন চৌধুরী।
মাঝমাঠ: ইমন মাহমুদ, সোহেল রানা, জামাল ভূঁইয়া, রবিউল হাসান, মাসুক মিয়া জনি, মামুনুল ইসলাম।
আক্রমণভাগ: নাবিব নেওয়াজ জীবন, মাহবুবুর রহমান সুফিল, মতিন মিয়া, তৌহিদুল আলম সবুজ, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বিপলু আহমেদ ও আরিফুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :