Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

এমবাপের দ্রুততম গোলের সেঞ্চুরি

এমবাপের দ্রুততম গোলের সেঞ্চুরি
ছবি: সংগৃহীত
স্পোর্টস ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কিলিয়ান এমবাপের মাঝে অনেকে খুঁজে ফেরেন ভবিষ্যতের লিওনেল মেসি বা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। কেউ কেউ তো এ ফরাসি তারকার মাঝে আর্জেন্টাইন ও পর্তুগিজ মহাতারকাদের ছাড়িয়ে যাওয়ার আভাস পেয়েছেন। তাদেরকে পুরোপুরি ছাড়িয়ে যেতে নিসন্দেহে এখনো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে তাকে।

তবে একটি বিষয়ে এখনই মেসি-রোনালদোকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন এমবাপে। দুই সুপারস্টারকে টপকে দ্রুততম সময়ে ১০০ গোলের মালিক বনে গেছেন পিএসজি-র এ তারকা।

মঙ্গলবার রাতে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স উড়িয়ে দিয়েছে অ্যান্ডোরাকে। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ১৩৪তম দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেরা দলের এমন ফল ছিল প্রত্যাশিত। এ ম্যাচেই নতুন এ কীর্তি গড়েছেন এমবাপে। ভেঙ্গে দিয়েছেন মেসি-রোনালদোদের রেকর্ড।

৪-০ গোলের জয়ের ম্যাচে ১১ মিনিটেই দ্য ব্লুজদের হয়ে গোলমুখ খোলেন পিএসজির এ মেগাস্টার। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার ১৩তম গোল। এমবাপের জন্য ঐতিহাসিক এক মুহূর্ত। এ গোলের মাধ্যমে বিশ্বের সেরা দুই ফুটবলার লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চেয়ে দ্রুততম সময়ে গোলের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন এমবাপে।

এমবাপে ক্যারিয়ারের ১০০তম গোল পেলেন ২০ বছর ১৭৩ দিন বয়সে। যেখানে মেসি মাইলফলকটি স্পর্শ করেন ২২ বছর ৯৭ দিনে। আর রোনালদোর সময় লেগেছিল ২২ বছর ৩৫৬ দিন।

ফ্রান্স ও ক্লাবের হয়ে ১৮০ ম্যাচে গোলের শতক হাঁকালেন এমবাপে। সাবেক ক্লাব মোনাকোর (৬০ ম্যাচ) হয়ে গোল করে এসেছেন ২৭টি। পিএসজি-র (৮৭ ম্যাচ) হয়ে এখন পর্যন্ত পেয়েছেন ৬০ গোল। আর জাতীয় দলের জার্সি গায়ে (৩৩ ম্যাচ) এমবাপের গোল ১৩টি।

আপনার মতামত লিখুন :

পাকিস্তানকে হারালেই শেষ চারে নিউজিল্যান্ড

পাকিস্তানকে হারালেই শেষ চারে নিউজিল্যান্ড
উইলিয়ামসনদের লড়াই আজ সরফরাজদের বিপক্ষে

ওয়ানডে বিশ্বকাপে আজ বুধবার মাঠে নামছে নিউজিল্যান্ড। বার্মিংহামে তাদের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। আজ সরফরাজ আহমেদদের হারাতে পারলেই সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে কেন উইলিয়ামসনদের।

শেষ চারের স্বপ্ন জিইয়ে রাখতে জিততেই হবে পাকিস্তানকে। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ক্রিকেট অনুরাগীরা নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন টেলিভিশনের পর্দায়।

৬ ম্যাচে ৫ জয়ে (শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে) ১১ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার  শীর্ষে এখন নিউজিল্যান্ড। এখনো পর্যন্ত অজেয় কিউইরা অবশ্য ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেনি বৃষ্টির কারণে।

৬ ম্যাচে ৩ হারের (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে) বিপরীতে ২ জয়ে (ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে) ৫ পয়েন্টে সপ্তম স্থানে থেকে পাকিস্তান এখনো শেষ চারে উঠার স্বপ্ন দেখছে।

দুই দলের হেড টু হেড লড়াইয়ে এগিয়ে পাকিস্তান। ১০৬ বারের দেখায় তারা জিতেছে ৫৪ ম্যাচে। আর নিউজিল্যান্ড হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে ৪৮ ম্যাচে। ১টি ম্যাচ টাই ও তিনটি ম্যাচ পরিত্যক্ত।

আর বিশ্বকাপে ৮ বারের দেখায় পাকিস্তান জিতেছে ৬ ম্যাচে। বাকী ২টিতে জিতেছে কিউইরা। ইতিহাস থেকে আজ অনুপ্রেরণা পেতেই পারেন সরফরাজ আহমেদ।

চলুন দেখে নেই টেলিভিশনে কোন চ্যানেলে দেখা যাবে বিশ্বকাপ ম্যাচটি-

ক্রিকেট
আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯
নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান
সরাসরি বিকেল সাড়ে ৩টা
বিটিভি, জিটিভি, মাছরাঙা, স্টার স্পোর্টস ওয়ান ও স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ওয়ান

সবার আগে বিশ্বকাপের সেমিতে অস্ট্রেলিয়া

সবার আগে বিশ্বকাপের সেমিতে অস্ট্রেলিয়া
ব্যাটে-বলে দাপটে শেষ চারের টিকিট পেয়ে গেল অজিরা

শুরুতে ব্যাট হাতে অ্যারন ফিঞ্চের শতরান তারপর জেসন বেহরেনডর্ফ-মিচেল স্টার্কের বোলিং তোপ। দুইয়ে মিলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে রীতিমতো আত্মসমর্পনই করল ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত শুরুর পর পথ হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এবার অজিদের সঙ্গেও লড়াই পারল না ইয়ন মরগানের দল। ইংলিশদের হারিয়ে সবার আগে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালের টিকিট পেল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

লর্ডসের ময়দানে মঙ্গলবার ৬৪ রানের বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।

এই জয়ে বিশ্বকাপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেছে ফিঞ্চের দল। সাত ম্যাচে ৬ জয়ে তাদের পয়েন্ট ১২। তবে হারলেও ছিটকে যায়নি ইংল্যান্ড। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে টেবিলের চতুর্থস্থানে।

সন্দেহ নেই তাদের হারে লাভ হল বাংলাদেশের। এক পয়েন্ট কম নিয়ে পঞ্চমস্থানে আছে টাইগাররা। এখন মাশরাফি বিন মর্তুজাদের সেমিতে খেলার সম্ভাবনা আরো জোরালো হল। যদিও ভারত-পাকিস্তান দুই দলকেই হারাতে হবে তাদের। সঙ্গে একটি ম্যাচে ইংলিশদের পরাজয় কামনা করতে হবে।

মঙ্গলবার টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে অজিরা ৭ উইকেট হারিয়ে করে ২৮৫ রান। জবাব দিতে নেমে ৪৪.৪ ওভারে অলআউট হয়ে ইংল্যান্ড তুলে ২২১ রান।

চ্যালেঞ্জিং স্কোরের সামনে খেলতে নেমে নিজ মাঠে কিছুই করতে পারল না ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা। শুরুতেই উইকেট পতনের মিছিল। দলীয় শূণ্য রানে ফেরেন জেমস ভিন্স। এরপর ১৫ রানের সময় তার পিছু নেন জো রুট। সম্ভাবনা জাগিয়েও ফেরেন জনি বেয়ারস্টো। ২৭ রান করা এই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখান বাঁহাতি পেসার জেসন বেহরেনডর্ফ।

তারপর অবশ্য বিপর্যয়ের মুখে হাল ধরেন বেন স্টোকস ও জস বাটলার। কিন্তু জুটি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে ফেরান মার্ক স্টয়নিস। ভাঙে ৭১ রানের জুটি। ২৫ রানে ফেরেন বাটলার। তারপর ক্রিস উইকস কিছুটা সঙ্গ দেন স্টোকসকে। কিন্তু পথ দেখানো হয়নি। ১১৫ বলে ৮৯ রান তুলে স্টোকস ফিরতেই সব শেষ!

এরপর আদিল রশিদের ২৫ রান শুধু হারের ব্যবধানটাই কমিয়েছে। কাজের কাজ হয়নি। পুরো ওভারও খেলতে পারেনি ইংলিশরা।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে দাপট দেখালেন অ্যারন ফিঞ্চ। ফের তুলে নেন শতরান। অবশ্য শুরুটাই দুর্দান্ত ছিল অস্ট্রেলিয়ার। তৃতীয় শতরানের জুটি গড়েন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নার। ১২৩ রানের জুটি ভাঙেন মঈন আলি। ওয়ার্নার তুলেন ৬১ বলে ৫৩ রান। এরপর শুরুতেই প্রাণ পেয়ে উসমান খাজা বেশিদূর যেতে পারেন নি। ২৩ রানে ফেরেন তিনি।

১১৫ বলে এই বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ও ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১৫তম শতরান তুলে নেন ফিঞ্চ। কিন্তু এরপরই ভুল করে ফেরেন সাজঘরে। স্টিভেন স্মিথ লডর্সের দর্শকদের দুয়োধ্বনির মধ্যেই তুলেন ৩৮ রান। আর শেষদিকে ২৭ বলে অপরাজিত ৩৮ রান করেন অ্যালেক্স কেয়ারি।

তবে ম্যাচের সেরা অ্যারন ফিঞ্চই। ওপেনিংয়ে নেমে তার অসাধারণ শতরানেই তো বড় সংগ্রহ গড়তে পেরেছে অজিরা। তারই পথ ধরে দল দুই ম্যাচ আগেই পেয়ে গেছে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালের টিকিট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-
অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ২৮৫/৭ (ফিঞ্চ ১০০, ওয়ার্নার ৫৩, খাজা ২৩, স্মিথ ৩৮, ম্যাক্সওয়েল ১২, স্টয়নিস ৮, কেয়ারি ৩৮*, কামিন্স ১, স্টার্ক ৪*; ওকস ২/৪৬, আর্চার ১/৫৬, উড ১/৫৯, স্টোকস ১/২৯, মঈন ১/৪২)
ইংল্যান্ড: ৪৪.৪ ওভারে ২২১/১০ (ভিন্স ০, বেয়ারস্টো ২৭, রুট ৮, মর্গ্যান ৪, স্টোকস ৮৯, বাটলার ২৫, ওকস ২৬, মইন ৬, রশিদ ২৫, আর্চার ১, উড ১*; বেহরেনডর্ফ ৫/৪৪, স্টার্ক ৪/৪৩, স্টয়নিস ১/২৯)
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৬৪ রানে জয়ী
ম্যাচসেরা: অ্যারন ফিঞ্চ


এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র