Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

পাকিস্তানকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল অস্ট্রেলিয়া

পাকিস্তানকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল অস্ট্রেলিয়া
আরো একটি জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মনে হচ্ছিল অনায়াসেই বিশ্বকাপে তৃতীয় জয়টা মুঠোবন্ধী হবে অ্যারন ফিঞ্চের। কিন্তু টনটনে শেষ বিকেলে রোমাঞ্চ ছড়িয়ে দেন দুই পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান। অষ্টম উইকেট জুটিতে হিসাবের ছকটা উল্টে দিতে থাকেন সরফরাজ আহমেদ ও ওয়াহাব রিয়াজ। অসাধারণ এক জুটিতে প্রায় হারা ম্যাচেও নিয়ে আসেন প্রাণ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি! সেই প্রতিরোধ শেষে অনায়াসেই জয়ের বন্দরে ফেভারিটরা।

বিশ্বকাপে ঠিক চ্যাম্পিয়নের মতোই দাপটে এগিয়ে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। নাটকীয়তার ইতি টেনে হাসিমুখ ফিঞ্চের। শুরুতে আফগানিস্তান, তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ের পর এবার অজিদের শিকার পাকিস্তান।

সরফরাজ আহমেদের দলকে হারিয়ে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ভারতের কাছে ৩৬ রানে হারের ধাক্কা সামলে ফের চেনা পথে তারা।

টনটনে বুধবার পাকিস্তানকে ৪১ রানে হারিয়েছে অ্যারন ফিঞ্চের দল।

ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। এরপর ডেভিড ওয়ার্নারের শতরান ও ফিঞ্চের দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া ৪৯ ওভারে করে ৩০৭ রান। জবাব দিতে নেমে পাকিস্তান ৪৫.৪ ওভারে অলআউট হয়ে করে ২৬৬ রান।

যদিও টার্গেট তেমন বড় ছিল না পাকিস্তানের। কিন্তু চ্যালেঞ্জটা নিতে পারেনি ১৯৯২ সালের চ্যাম্পিয়নরা। দলের যখন ২ রান তখন সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার ফকর জামান (০)। তবে এরপরই বাবর আজমকে নিয়ে কিছুটা সময় লড়েছেন ইমাম-উল-হক। দলীয় ৫৬ রানে ভাঙে এই জুটি। ৩০ রানে ফেরেন বাবর।

তারপর বিপর্যয়ের মুখে হাল ধরেন ইমাম ও মোহাম্মদ হাফিজ। মনে হচ্ছিল ম্যাচটি বুঝি জিততে যাচ্ছে পাকিস্তানই। দু'জনই অজি বোলিং আক্রমণ উড়িয়ে দিয়ে লড়তে থাকেন। কিন্তু এবার বাধা হয়ে দাঁড়ান প্যাট কামিন্স। তিনি ফিরিয়ে দেন ইমামকে। ৭৫ বলে ৫৩ রান তুলে ধরেন সাজঘরের পথ।

এরপরই তাকে এই ওপেনারকে অনুসরণ করেন হাফিজ। অ্যারন ফিঞ্চের বলে আউট হওয়ার আগে করেন ৪৯ বলে ৪৬। তারপর হাসান আলি ১৫ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ফিরে গেলে নিভে যায় পাকিস্তানের আশার প্রদীপ। তবে চেষ্টা করেছিলেন সরফরাজ আহমেদ। সঙ্গে ওয়াহাব রিয়াজ বেশ লড়াই করেন। অষ্টম উইকেটে দু'জন যোগ করেন ৬৪ রান। কিন্তু রিয়াজ ৩৯ বলে ৪৫ রান করে ফিরতেই সব শেষ। এরপর অধিনায়ক সরফরাজ ৪৮ বলে ৪০ রানে ফেরেন সাজঘরে!

তিনটি উইকেট নেন পেসার প্যাট কামিন্স। দুটি করে উইকেট শিকার করেন মিচেল স্টার্ক ও কেন রিচার্ডসন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে সেঞ্চুরি পেতেই পারতেন অ্যারন ফিঞ্চ। শুরু থেকে অধিনায়কোচিত ব্যাটিং পারফরম্যান্সে দিয়ে সেই ইঙ্গিতটাই দিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ফিঞ্চ (৮২) শতক পূর্ণ করতে না পারলেও পেরেছেন তার সতীর্থ! সাজঘরে ফেরার আগে তার ওপেনিং পার্টনার ডেভিড ওয়ার্নার (১০৭) ঠিকই পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা।

বল টেম্পারিংয়ের নিষেধাজ্ঞা শেষে ফিরে অসাধারণ ক্রিকেট খেলছেন ওয়ার্নার। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে করেন অপরাজিত ৮৯ রান। ভারতের বিপক্ষেও তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। এবার শতরান!

১১ চার আর এক ছক্কায় অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ওয়ার্নারের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৫তম সেঞ্চুরি এটি। বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ২০১৫ বিশ্বকাপে পার্থে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ছিলেন তিনি। ফিঞ্চ ও ওয়ার্নারের ব্যাটিং বড় সংগ্রহের পথেই ছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ফিনিশিংটা ভাল হয়নি তাদের। ফিঞ্চ ও ওয়ার্নারের ব্যাটিং বড় সগ্রহের পথেই ছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ফিনিশিংটা ভাল হয়নি তাদের। আরেকটু সরাসরি বলা যায় মোহাম্মদ আমিরের পেসেই শেষটা ভাল হয়নি অজিদের।

ওয়ার্নারের সঙ্গে ১৪৬ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন অধিনায়ক ফিঞ্চ। তিনি ফেরেন ৮৪ বলে ৮২ রানে। আর ওয়ার্নার ১১১ বলে ১১ চার ও এক ছক্কায় ১০৭ রান। তিনিই ম্যাচের সেরা।

এরপর আমির তার বোলিং তোপে ১০ ওভারে দুই মেডেনসহ ৩০ রানে নেন ৫ উইকেট। ওয়ানডেতে এই প্রথম পাঁচ উইকেট পেয়েছেন পাকিস্তানের এই পেসার। তবে ম্যাচ শেষে হাসি ছিল না তার মুখে। কারণ দল যে হেরেছে!

সংক্ষিপ্ত স্কোর-
অস্ট্রেলিয়া: ৪৯ ওভারে ৩০৭/১০ (ফিঞ্চ ৮২, ওয়ার্নার ১০৭, স্মিথ ১০, ম্যাক্সওয়েল ২০, মার্শ ২৩, খাওয়াজা ১৮, কেয়ারি ২০, কোল্টার-নাইল ২, কামিন্স ২, স্টার্ক ৩, রিচার্ডসন ১*; আমির ৫/৩০, আফ্রিদি ২/৭০, হাসান ১/৬৭, ওয়াহাব ১/৪৪, হাফিজ ১/৬০)।
পাকিস্তান: ৪৫.৪ ওভারে ২৬৬/১০ (ইমাম ৫৩, ফখর ০, বাবর ৩০, হাফিজ ৪৬, সরফরাজ ৪০, মালিক ০, আসিফ ৫, হাসান ৩২, ওয়াহাব ৪৫, আমির ০, আফ্রিদি ১*; কামিন্স ৩/৩৩, স্টার্ক ২/৪৩, রিচার্ডসন ২/৬২, কোল্টার-নাইল ১/৫৩, ফিঞ্চ ১/১৩)
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৪১ রানে জয়ী
ম্যাচসেরা: ডেভিড ওয়ার্নার

আপনার মতামত লিখুন :

ফিদে রেটিং দাবা শুরু মঙ্গলবার

ফিদে রেটিং দাবা শুরু মঙ্গলবার
সংবাদ সম্মেলনে স্পন্সর ওয়ালটন ও আয়োজক দাবা ফেডারেশনের কর্মকর্তারা

ঈদের পর ফের ব্যস্ত হয়ে উঠছে দেশের দাবা অঙ্গন। বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের আয়োজনে মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে ‘ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর মহানগরী ফিদে রেটিং দাবা প্রতিযোগিতা-২০১৯’। রেটিং ২১০০ এর নিচে ও রেটিং বিহীন দাবাড়ুরা খেলতে পারবেন এই টুর্নামেন্টে।

৯ রাউন্ড সুইস লিগ পদ্ধতিতে ফিদে রেটিং দাবা শেষ হবে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর।

রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দাবা ক্রীড়া কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান আয়োজক ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। এই টুর্নামেন্টের শীর্ষ ১৬ দাবাড়ু জাতীয় ‘বি’ দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

এবারও টুর্নামেন্টের স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ওয়ালটন গ্রুপ। ২০১৪ সাল থেকেই ওয়ালটন গ্রুপ প্রিমিয়ার ডিভিশন, প্রথম বিভাগ দাবা লিগ এবং বিজয় দিবস র‌্যাপিড দাবা প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

রোববার সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (গেমস এন্ড স্পোর্টস, মার্কেটিং) এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহ-সভাপতি গাজী সাইফুল তারেক, বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, মাসুদুর রহমান মল্লিক দিপু ও প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক হারুন অর রশিদ।

শ্বাসরুদ্ধকর উত্তেজনার টেস্ট জিতলো ইংল্যান্ড! নায়ক বেন স্টোকস

শ্বাসরুদ্ধকর উত্তেজনার টেস্ট জিতলো ইংল্যান্ড! নায়ক বেন স্টোকস
ইংল্যান্ডের নাটকীয় জয়ের নায়ক বেন স্টোকস

আহ্ টেস্ট ম্যাচ! কি দুর্দান্ত ম্যাচ! টান টান লড়াই! ব্যাট-বলের জমাট লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জিতলো ইংল্যান্ড। তাও আবার মাত্র ১ উইকেটে! ন্যূনতম ব্যবধানে ইংল্যান্ডের এই জয়ই জানান দিচ্ছে কি দারুণ জমেছিলো এই ম্যাচ!

জয়ের জন্য ইংল্যান্ড শেষ রান না নেয়া পর্যন্ত বোঝাই যাচ্ছিলো না এই টেস্ট কে জিতবে- ইংল্যান্ড নাকি অস্ট্রেলিয়া?

বেন স্টোকসের ব্যাটে সব সন্দেহ, দ্বিধা দূর করে ইংল্যান্ড জিতলো তাদের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক ম্যাচ। স্টোকসের অপরাজিত ১৩৫ রানের ইনিংস হেডিংলির মাঠে ইয়ান বোথামের ১৯৮১ সালের অ্যাশেজের হার না মানা ১৪৯ রানের সেই ম্যাচ জয়ী ইনিংসের কথাই মনে করিয়ে দিলো। বোথামের মতো এই টেস্টও পুরোপুরি একা হাতে ইংল্যান্ডকে জেতালেন বেন স্টোকস।

শেষ উইকেটে হার না মানা ৭৬ রানের ইংল্যান্ডের অবিশ্বাস্য জুটিই সব হিসেবের সমাধান করে দিলো। এই ৭৬ রানের মধ্যে মাত্র ১ রান করলেন শেষ ব্যাটসম্যান জ্যাক লিচ। বাকি সব স্টোকসের কৃতিত্ব।

ম্যাচ জিততে শেষ ইনিংসে ইংল্যান্ডের সামনে টার্গেট ৩৫৯ রানের। শেষ ইনিংসে এরচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড আছে ইংল্যান্ডের। কিন্তু সেই ম্যাচ তারা জিততে পারেনি। ড্র করেছিলো। এই প্রথম চতুর্থ ইনিংসে এতো বেশি রান তাড়া করে ম্যাচ জিতলো ইংল্যান্ড। তাও আবার যে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে তারা গুটিয়ে গিয়েছিলো ৬৭ রানে!

হোঁচট খেয়েও কিভাবে উঠে দাঁড়াতে হয়? কিভাবে ফিরে আসতে হয়? কিভাবে প্রায় শূন্য অবস্থান থেকে জিততে হয়? সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিলো ইংল্যান্ড হেডিংলি টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে।

১১ বাউন্ডারি ও ৮ ছক্কায় ২১৯ বলে বেন স্টোকসের হার না মানা ১৩৫ রান অ্যাশেজের ইতিহাসে সেরা ইনিংসের একটি হয়ে রইলো। এই জয়ের সুবাদে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ এখন ১-১ ড্র। সিরিজের চতুর্থ টেস্ট শুরু হবে ৪ সেপ্টেম্বর, ওল্ড ট্রাফোর্ডে।

চতুর্থদিনে জস বাটলার আউট হওয়ার পর এই ম্যাচের পাল্লা অস্ট্রেলিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে। দলের নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে স্টুয়ার্ট ব্রড যখন আউট হলেন তখন ইংল্যান্ডের স্কোর ২৮৬ রান। ম্যাচ জিততে তখনো তাদের চাই ৭৩ রান। প্রায় অসম্ভব সেই কাজ শেষ উইকেটে করে ফেললো ইংল্যান্ড। আসলে বলা উচিত করে দিলেন বেন স্টোকস। একপ্রান্ত আঁকড়ে রেখে অন্যপ্রান্তের ব্যাটসম্যানকে বাঁচিয়ে খেলার যে দুর্দান্ত ব্যাটসম্যানশিপ উপহার দিলেন বেন স্টোকস এই টেস্টে-তা হেডিংলির দর্শকরা অনেক অনেকদিন মনে রাখবে।

শেষের দিকে এসে অবশ্য কিছুটা ভাগ্যেরও সহায়তা পায় ইংল্যান্ড। জয়ের জন্য ১৭ রান দুরে থাকতে বেন স্টোকের ক্যাচ মিস করেন মার্কাস লাবুসচাঙ্গে। ইংল্যান্ড যখন জয় থেকে ৯ রান দুরে তখন নাথান লায়নের এক ওভারে জোড়া আফসোসে মন ভাঙল অস্ট্রেলিয়ার। জ্যাক লিচকে রান আউটের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন নাথান লায়ন। পরের বলেই বেন স্টোকস এলবিডব্লিউ ছিলেন। কিন্তু আম্পায়ার তাতে সম্মত হলেন না। অস্ট্রেলিয়া তাদের রিভিউ আগেই নষ্ট করে ফেলেছে! রিপ্লেতে পরিষ্কার দেখা গেলো বেন স্টোকস এলবি। কিন্তু রিভিউ যে নেই!

শেষের এই টেনশনের মধ্যে কামিন্সের বলে এক রান নিয়ে স্কোর সমান করে দিলেন লিচ। সম্ভবত তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সবচেয়ে মূল্যবান সিঙ্গেল রান নিলেন লিচ। পরের বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বেন স্টোকস ইংল্যান্ডকে এনে দিলেন অবিস্মরণীয় এক জয়!

সংক্ষিপ্ত স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ১৭৯/১০ (৫২.১, ওয়ার্নার ৬১, লাবুসচাঙ্গে ৭৪, পাইন ১১, আর্চার ৬/৪৫, ব্রড ২/৩২)। দ্বিতীয় ইনিংস: ২৪৬/১০ (৭৫.২ ওভারে, খাজা ২৩, লাবুশানে ৮০, হেড ২৫, ওয়েড ৩৩, স্টোকস ৩/৫৬, আর্চার ২/৪০, ব্রড ২/৫২)।
ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস ৬৭/১০ (২৭.৫ ওভারে, জো ডেনলি ১২, হ্যাজেলউড ৫/৩০, কামিন্স ৩/২৩, প্যাটিসন ২/৯)। দ্বিতীয় ইনিংসে: ৩৬২/৯ (১২৫.৪ ওভারে, জো রুট ৭৭, জো ডেনলি ৫০, বেয়ারস্টো ৩৬, স্টোকস ১৩৫*, হ্যাজেলউড ৪/৮৫)। ফল: ইংল্যান্ড ১ উইকেটে জয়ী। ম্যাচ সেরা: বেন স্টোকস।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র