Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

১১৬ বল হাতে রেখেই প্রোটিয়াদের হাসিমুখ

১১৬ বল হাতে রেখেই প্রোটিয়াদের হাসিমুখ
ডি কক-হাশিম আমলার ব্যাটিংয়ে প্রোটিয়ারা পেলো অনায়াস জয়
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যাটে-বলে দাপটে হেসে-খেলে জয়! আফগানিস্তানকে নিয়ে রীতিমতো খেলল দক্ষিণ আফ্রিকা। যে দলটি বিশ্বকাপ শুরুর আগে হুঙ্কার দিয়েছিল, তারাই এখন দিশেহারা। বড় ব্যবধানে একের পর এক ম্যাচ হেরে কোনঠাসা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটি। বিশ্বকাপের লড়াইয়ে এবার প্রোটিয়ারাও উড়িয়ে দিয়েছে আফগানদের।

কার্ডিফ ওয়েলস স্টেডিয়ামে শনিবার ডাকওয়ার্থ ও লুইস ম্যাথডে ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১১৬ বল বাকী থাকতেই ধরা দিয়েছে দাপুটে জয়।

দিবা-রাত্রির এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩৪.১ ওভারে ১২৫ রানে অলআউট আফগানিস্তান। জবাব দিতে নেমে অবশ্য ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ৪৮ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৭ রান। সেই টার্গেট ২৮.৪ ওভারে ১ উইকেটে হারিয়ে তুলে নেয় প্রোটিয়ারা। এটিই এবারের বিশ্বকাপে তাদের প্রথম জয়।

মামুলি সংগ্রহটা তুলে নিতে কোন বেগই পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই ওপেনার হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি কক অনায়াসে রান তুলেছেন। যে উইকেটে সংগ্রাম করেছেন আফগান ব্যাটসম্যানরা সেখানে সাবলীল ছিলেন দু'জন। প্রথম উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেন ১০৪ রান। ৭২ বলে ৬৮ রান করে ফেরেন কক।

এরপর আন্দিলে ফেলুকোয়ায়োকে নিয়ে বাকীটা পথ পাড়ি দেন হাশিম আমলা। তিনি অপরাজিত থাকেন ৪১ রানে। ফেলুকোয়ায়োর ব্যাটে ১৭।

এর আগে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মন্দ ছিল না আফগানদের। আফগানিস্তান ৫.৫ ওভারে ৩৩ রান করার পরই প্রথম দফায় নেমে আসে বৃষ্টি। খেলা বন্ধ থাকে ২৫ মিনিট। এরপরই ফেরেন হজরতউল্লাহ জাজাই (২২)। নুর আলি জাদরান ফেরেন ৩২ রানে।

২০ ওভার শেষে আফগানদের রান যখন ২ উইকেটে ৬৯ তখন ফের নেমে আসে বৃষ্টি। এক ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর খেলা শুরু হলে বৃষ্টি আইনে কমে ম্যাচ দাঁড়ায় ৪৮ ওভারে। তারপরই পথ হারায় আফগানরা। ৭০ রানে ৬ উইকেট চলে যায়। এরপর একাই কিছুক্ষণ লড়লেন রশিদ খান। ২৫ বলে তিনি করেন ৩৫ রান।

দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ইমরান তাহির নেন ২৯ রানে ৪ উইকেট। ক্রিস মরিস ১৩ রান খরচায় তুলেন তিন উইকেট। ম্যাচের সেরা ঘূর্ণি বলের জাদুকর ইমরান তাহির!

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

আফগানিস্তান: ৩৪.১ ওভারে ১২৫/১০ (জাজাই ২২, জাদরান ৩২, রহমত ৬, শাহিদি ৮, আসগর ০, নবি ১, ইকরাম ৯, নাইব ৫, রশিদ ৩৫, হামিদ ০, আফতাব ০*; রাবাদা ১/৩৬, ফেলুকোয়ায়ো ২/১৮, মরিস ৩/১৩, ইমরান ৪/২৯)।
দক্ষিণ আফ্রিকা: (লক্ষ্য ৪৮ ওভারে ১২৭) ২৮.৪ ওভারে ১৩১/১ (আমলা ৪১*, ডি কক ৬৮, ফেলুকোয়ায়ো ১৭*; নাইব ১/২৯)
ফল: ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ৯ উইকেটে জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা
ম্যাচসেরা: ইমরান তাহির

আপনার মতামত লিখুন :

স্ত্রী-সন্তান নিয়ে প্যারিসে ছুটির আনন্দে সাকিব

স্ত্রী-সন্তান নিয়ে প্যারিসে ছুটির আনন্দে সাকিব
আইফেল টাওয়ারের পাশে সপরিবারে সাকিব আল হাসান- ছবি: ফেসবুক

স্বপ্নের মতোই বিশ্বকাপটা কেটেছে সাকিব আল হাসানের। ব্যাট হাতে যা করতে চেয়েছেন তারও চেয়ে বেশি যেন পেয়েছেন তিনি। ৮ ইনিংসে দুটি সেঞ্চুরি। তিনটিতে ম্যাচসেরা। ৮৬.৫৭ গড়ে তুলেন ৬০৬ রান। আর বল হাতে ১১ উইকেট। সেই সাফল্যের পর এখন ছুটির মেজাজেই আছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

বিশ্বকাপ শেষে বাংলাদেশ দল গত ৭ জুলাই ফিরে এসেছে দেশে। কিন্তু সতীর্থদের সঙ্গে ফেরেননি সাকিব। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছ থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563546222754.jpg

কয়েকদিন ইংল্যান্ডে কাটিয়ে স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির আর কন্যা আলাইনা হাসান অউব্রিকে নিয়ে চলে যান সুইজারল্যান্ডে। সেখানে নিজেদের মতো করেই কাটালেন সময়। তারপরই বেড়াতে যান ইউরোপের আরেক দেশ ইতালিতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563546238220.jpg

ছুটির এ পর্যায়ে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে রয়েছেন সাকিব। সেখানেই স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে কাটছে তার আনন্দের সময়।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ছুটির আনন্দের একটি ছবি পোস্ট করেন সাকিব। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সেই ছবিতে দেখা যায়- স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে প্যারিসে ভোজনে ব্যস্ত নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার! পেছনে দেখা যাচ্ছে প্যারিসের বিখ্যাত আইফেল টাওয়ার!

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563546254187.jpg

সাকিব সেই ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘ফ্যামিলি ভ্যাকেশন ❤️❤️❤️।’

নিউজিল্যান্ডের বর্ষসেরা হচ্ছেন বেন স্টোকস!

নিউজিল্যান্ডের বর্ষসেরা হচ্ছেন বেন স্টোকস!
এবার জন্মভূমি থেকেও পুরস্কারের হাতছানি স্টোকসের

ইংল্যান্ডের প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মিশনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন বেন স্টোকস। গত রোববারের অকল্পনীয় ও অভাবনীয় ফাইনালে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন ২৮ বছরের এ মেগাস্টার। অসাধারণ সেই নৈপুণ্যের জন্য আরো পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন এ তারকা অলরাউন্ডার। খবর রটেছে, খুব শিগগিরই তিনি পাচ্ছেন নাইটহুড পদক। মানে বেন স্টোকস থেকে বনে যাচ্ছেন স্যার বেন স্টোকস। এতো গেল তার দেশের খবর।

দেশের বাইরে থেকেও একটি পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বেন স্টোকসের জন্য। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের জন্য বর্ষসেরা পুরস্কারের মনোনয়ন পেয়েছেন এ তারকা ইংলিশ ক্রিকেটার। তা কোন দেশ থেকে পেলেন তিনি মনোনয়ন? উত্তরটা জানলে আপনিও অবাক হবেন! ভাবছেন কেন?

লর্ডসের শ্বাসরুদ্ধকর মহানাটকীয় ফাইনালে যাদের হৃদয় আর স্বপ্ন ভেঙে বিশ্ব শিরোপা জিতেছে ইংল্যান্ড। সেই নিউজিল্যান্ড থেকে পুরস্কারের মনোনয়ন পেয়েছেন বেন স্টোকস। মানে বর্ষসেরা নিউজিল্যান্ডার অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনিত হয়েছেন তিনি। সন্দেহ নেই খবরটা চমকে দেবে খোদ স্টোকসকেই।

ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিকেট খেললেও স্টোকসের জন্মভূমি কিন্তু নিউজিল্যান্ডই। ১২ বছর বয়সে ক্রাইস্টচার্চ থেকে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান তিনি। যে কারণেই পুরস্কারের জন্য মনোনিত হয়েছেন স্টোকস।

তার মানে, অনেক কিউই জনগণ এখনো তাকে নিজেদের ছেলে বলেই মনে করেন। অ্যাওয়ার্ডের প্রধান বিচারক ক্যামেরন বেনেট জানালেন তেমনটাই, ‘স্টোকস হয়তো ব্ল্যাক ক্যাপস শিবিরের হয়ে খেলছেন না। কিন্তু তার জন্ম ক্রাইস্টচার্চে। তার মা-বাবা এখনো এখানেই বসবাস করেন। ব্যাপারটা পরিষ্কার মাওরি সম্প্রদায়ের অনেক কিউইরা এখনো তাকে নিজেদের সন্তান বলেই মনে করেন।’

বেন স্টোকসের সঙ্গে এ পুরস্কারের জন্য মনোনিত হয়েছেন কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও। এটা প্রমাণ করে, বিশ্বকাপের সেরা এ খেলোয়াড়কে হারিয়ে পুরস্কার জেতাটা বেশ কঠিনই হবে স্টোকসের জন্য।

জাতির কল্যাণে অবদান রাখা ‘অনুপ্রেরণাদায়ক কিউইদের’ মনোনয়ন দেন নিউজিল্যান্ডের জনগণ। যাদের জন্য দেশ গর্ব করতে পারে।

২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক জেফ্রে জন হোপের হাত ধরে শুরু এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া। যা ১১ বছরে পা দিল এবার। এর আগে পুরস্কারটি জেতেন সাবেক নিউজিল্যান্ড রাগবি ইউনিয়ন অধিনায়ক রিচি ম্যাককো, সিনেমা নির্মাতা তাইকা ওয়াইতিতি ও মানসিক স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইনার মাইক কিং।

মনোনয়ন পর্ব শেষ হবে সেপ্টেম্বরে। ডিসেম্বরে বিচারক প্যানেল ১০ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করবেন। অকল্যান্ডে জমকালো অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে ফেব্রুয়ারিতে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র