Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

হতাশার হার দিয়ে কোপা শুরু মেসির আর্জেন্টিনার

হতাশার হার দিয়ে কোপা শুরু মেসির আর্জেন্টিনার
কোপা আমেরিকার শুরুতেই হারল মেসির আর্জেন্টিনা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সেই পুরনো আর্জেন্টিনারই দেখা মিলল। একের পর এক গোল মিসের মহড়া। তারই পথ ধরে ছন্দেরও দেখা নেই। হার দিয়েই এবারের কোপা আমেরিকা শুরু হলো লিওনেল মেসিদের। শতবর্ষ পুরনো প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ বারের চ্যাম্পিয়নদের শুরুতেই ছন্দপতন!

বাংলাদেশ সময় রোববার ভোরে সালভাদরে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ২-০ গোলে হারায় কলম্বিয়া। ম্যাচের দুই গোলদাতা রজের মার্টিনেস ও সাপাতা।

এই আর্জেন্টিনাকে চেনাই গেল না। খেলা নেই ছন্দ। এলোমেলো, ছন্নছড়া ফুটবলের পসরা যেন সাজালেন তারা। মেসি বলের যোগানও পাননি। বল পেতে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নামতে হয়েছে নিচে। তারপরও পাস পাননি! জাতীয় দলের হয়ে নেমে হতাশই হতে হয়েছে বার্সেলোনার সুপার স্টারকে।

এরমধ্যে অবশ্য ম্যাচের প্রথম সুযোগটা আর্জেন্টিনাই পেয়েছিল। খেলার ৭ মিনিটের মাথায় পাওয়া সেই গোল সম্ভাবনাটা কাজে লাগাতে পারেন নি সার্জিও অ্যাগুয়েরো। মেসির পাস থেকে বল পেয়ে তার নাগালে যখন বল তখন সামনে শুধুই কলম্বিয়ার গোলকিপার ডেভিড আসপিনা। কিন্তু হতাশ করেন অ্যাগুয়েরো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/16/1560649845809.jpg

খেলার ২৭তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো কলম্বিয়া। বল বিপদমুক্ত না করে গোলকিপার ফ্রাঙ্কো আরমানি পাস দেন নিকোলাস ওতামেন্দিকে। তিনি ক্লিয়ার করতে না পারায় বিপদেই পড়ে যাচ্ছিল দল। এরপর কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন গিদো রদ্রিগেস।

৫৫তম মিনিটে ভাল সুযোগ পেয়েছিলেন মেসি। প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারকে কাটিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। কিন্তু সময় মতো শট নিতে পারেন নি। তারপর ৬৬তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ আসে আর্জেন্টিনার সামনে। ছোট ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়েও ঠিক মতো হেড নিদে পারেন নি মেসি!

এরপরের সময়টুকু কলম্বিয়ার। খেলার ৭১তম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে গোল তুলে নেয় তারা। জেমস রদ্রিগেসের লম্বা ক্রস থেকে বল পেয়ে ব্যবধাস গড়ে দেন ফরোয়ার্ড মার্টিনেস। তারপর ৮৬তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাপাতা। এই ব্যবধান ধরে রেখেই শেষ অব্দি মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।   

মধ্যরাতে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে পোর্তো আলেগ্রেতে ভেনেজুয়েলাকে আটকে দিয়েছে পেরু। গোলশূন্য ড্র হয়েছে ম্যাচটি। এরইমধ্যে বলিভিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে নেইমারকে ছাড়া খেলতে নামা ব্রাজিল!

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র