Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাশারকে ছুঁয়ে ফেললেন মাশরাফি

বাশারকে ছুঁয়ে ফেললেন মাশরাফি
সোমবার টন্টনে টস করতে নেমেই নতুন উচ্চতায় পা রাখেন মাশরাফি
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আরো একটি অর্জন যোগ হয়েছে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মতুর্জার নামের পাশে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচে সোমবার মাঠে নেমেই স্পর্শ করলেন হাবিবুল বাশার সুমনকে। এতোদিন বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ডটা ছিল শুধুই বাশারের। তার সেই অর্জনে ভাগ বসালেন মাশরাফি।

টন্টনে উইন্ডিজের বিপক্ষে টস করতে নেমেই নতুন এই উচ্চতায় উঠে গেছেন ম্যাশ। ২০০৭ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে নেতৃত্বে ছিলেন বাশার। যেখানে ৯টি ম্যাচে টাইগারদের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। সাফল্যটাও মন্দ নয় তার। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও বারমুডার বিপক্ষেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দল।

মাশরাফি এবার নিয়ে মোট দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশকে। এর আগে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে নড়াইল এক্সপ্রেসের নেতৃত্বে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে টাইগাররা। প্রথমবারের মতো দল পেয়ে যায় কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট।

দুই বিশ্বকাপে খেলা মাশরাফি রোববার অধিনায়ক হিসেবে খেললেন বিশ্বকাপে নিজের নবম ম্যাচ। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০ জুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস করতে নেমেই রেকর্ডটা নিজের নেবেন মাশরাফি।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে টাইগারদের প্রথম অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। তার অধিনায়কত্বে দল খেলে ৫টি ম্যাচ। এরপর ২০০৩ বিশ্বকাপের ৬ ম্যাচে খালেদ মাসুদ পাইলট ছিলেন অধিনায়ক। আর ২০১১ বিশ্বকাপের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তিনি নেতৃত্ব দেন ৭টি ম্যাচে।

সবচেয়ে বেশি মাচে নেতৃত্বের সঙ্গে জয়ের রেকর্ডটাও মাশরাফির দখলে। মোট ৪ ম্যাচে জয় এনে দিয়েছে তিনি। বিশ্বকাপে তিনটি করে ম্যাচ জিতেছে অধিনায়ক সাকিব ও বাশারের নেতৃত্বে। আমিনুল দুটি জয়ে এনে দেন। কিন্তু পাইলট একটি ম্যাচেও জেতাতে পারেন নি দলকে!



আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র