Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাংলাদেশের বিপক্ষে ফিরছেন স্টয়নিস!

বাংলাদেশের বিপক্ষে ফিরছেন স্টয়নিস!
দলে ফেরার অপেক্ষায় মার্কাস স্টয়নিস
স্পোর্টস ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের বিপক্ষে বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ান দলে দেখা যেতে পারে মার্কাস স্টয়নিসকে। অস্ট্রেলিয়ান এ অলরাউন্ডারকে ট্রেন্ট ব্রিজে দেখলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। যদিও শত ভাগ ফিট হওয়ার জন্য এখনো লড়াই করে যাচ্ছেন তিনি। এরইমধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে তার খেলার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি অস্ট্রেলিয়ার কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার, ‘শতভাগ ফিটনেস ফিরে পেতে স্টয়নিস চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছে না। সামান্য কিছুতে সুযোগটা সে খোয়াতে চায় না।’

সাইড স্ট্রেইন নিয়ে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের বিপক্ষে দর্শক হয়েছিলেন স্টয়নিস। চোটের জ্বালাতন সইতে না পেরে খেলেননি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও। কয়েকদিন আয়েশ করার পর তার ইনজুরি ধীরে ধীরে সেরে উঠছে। নেটে একটু আধটু অনুশীলনও করছেন এখন স্টয়নিস।

বাংলাদেশের বিপক্ষে অজি একাদশে জায়গা পেতে সব চেষ্টাই করছেন স্টয়নিস। ক্রিকেট গুরু ল্যাঙ্গারও তা জানিয়ে রাখলেন, ‘স্টয়নিস মাঠে ফিরতে দৃঢ় প্রত্যয়ী। পুনর্বাসন কার্যক্রমে দিন দিন সে যেভাবে উন্নতি করছে তাতে আমি বিস্মিত নই। কৃতিত্বটা স্টয়নিসের। কৃতিত্বটা মেডিকেল স্টাফদেরও। যারা তাকে ফিট করে তুলছে। প্রত্যাশা করি সে টুর্নামেন্টে সত্যিই প্রভাব বিস্তার করতে পারবে।’

কোনো কারণে খেলতে না পারলে স্টয়নিসের বিকল্প চিন্তুাও করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রস্তুত রেখেছে মিচেল মার্শকে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন নাথান কোল্টার-নাইল। পিঠের চোট কাটিয়ে এখন ফিট এ পেস বোলিং অলরাউন্ডার। ল্যাঙ্গার জানালেন সে কথাও, বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবেন পুরোপুরি ফিট নাথান কোল্টার-নাইল, ‘সাত দিনে তিন ম্যাচ খেলেছে কোল্টার-নাইল। মনে হয় না, এভাবে টানা সূচিতে দীর্ঘদিন খেলেছে। ফিট থাকলে কোনো সন্দেহ ও বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

কেকেআরে বিশ্বকাপ জয়ী কোচ বেলিস

কেকেআরে বিশ্বকাপ জয়ী কোচ বেলিস
নতুন দ্বায়িত্বে ট্রেভর বেলিস

ইংল্যান্ড সেমি-ফাইনালে উঠার পরই সিদ্ধান্তটা জানিয়ে দিয়েছিলেন কোচ ট্রেভর বেলিস। তার দল বিশ্বকাপ জিতুক বা না জিতুক চাকরিটা আর করছেন না তিনি। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ মিশন শেষে সেটাই করলেন তিনি। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী কোচ এবার যোগ দিলেন আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্সে (কেকেআর)।

দিন কয়েক আগেই সাবেক কোচ জ্যাক ক্যালিসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে কেকেআর। তখনই বোঝা গিয়েছিল, দলটি নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছে আইপিএলের আগামী আসর। লক্ষ্যটা সামনে রেখে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের দলটি সাবেক গ্রেট প্রোটিয়া অলরাউন্ডারের ফেলে যাওয়া শূন্য জায়গাটা পূরণ করল বেলিসকে দলে ভিড়িয়ে।

বেলিস এখন কাজ করবেন সাবেক নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালামের সঙ্গে। কিউই এ ধারাভাষ্যকার কাজ করবেন অবশ্য ব্যাটিং কোচ হিসেবে।

বেলিস এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০১১-২০১৪ সাল পর্যন্ত কেকেআরে কোচের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। দলের দুটি শিরোপাই আসে তার সময়েই। বেলিস কাজ করেন বিগ ব্যাশ দল সিডনি সিক্সার্সের সঙ্গেও। ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা শ্রীলঙ্কার কোচও ছিলেন তিনি।

পরে অস্ট্রেলিয়ান কোচ ২০১৫ সালে মনোযোগী হন ইংল্যান্ডকে নিয়ে। শ্রীলঙ্কা দলে নিজের সহকারী পল ফারব্রেসের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইংলিশ ক্রিকেট দলের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। দুই দিন আগে সেই দলকে প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপাও উপহার দিয়েছেন।

বিদায় বলেই ফেললেন ইনজামাম

বিদায় বলেই ফেললেন ইনজামাম
কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন ইনজামাম-উল-হক

শেষ পর্যন্ত সরেই যেতে হলো ইনজামাম-উল-হককে। বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারের পরই বিপাকে ছিলেন পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক। তখনই বলা হচ্ছিল সরে দাঁড়াবেন তিনি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে তার চুক্তি শেষ হচ্ছে ৩১ জুলাই৷ বুধবার জানিয়ে দিলেন, এরপর আর চুক্তি নবায়নে আগ্রহী নন তিনি।

পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক স্পষ্ট বললেন- দেশটির জাতীয় দলের নির্বাচকের পদে থাকবেন না তিনি।

২০১৬ সালের এপ্রিলে প্রধান নির্বাচকের চেয়ারে বসেছিলেন এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার। এরমধ্যে তার বিচক্ষণতায় দল বেশ এগিয়েছে। জিতেছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। যদিও সদ্য শেষ বিশ্বকাপের রাউন্ড রবিন লিগ থেকেই বিদায় নেয় পাকিস্তান।

একইসঙ্গে তার দল নিয়েও উঠে প্রশ্ন। বিশেষ করে মোহাম্মদ আমির ও ওয়াহাব রিয়াজকে শুরুতে দলের বাইরে রেখে পড়েন সমালোচনার তোপে। শেষ পর্যন্ত দুজনকেই দলে নিতে বাধ্য হন। আর পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে চমক দেখান দু'জনই।

এ অবস্থায় ব্যর্থতা কাঁধে নিয়েই নির্বাচকের দ্বায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন ইনজামাম। বিদায় বেলায় বলেন, ‘তিন বছরের বেশি সময় ধরে পাকিস্তান দলের নির্বাচক কমিটিতে আছি। কিন্তু এবার আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি- নতুন করে চুক্তি করব না। সেপ্টেম্বরে আইসিসি টেস্ট চ্যম্পিয়নশিপ শুরু। ২০২০ সালে টি-টুয়েন্টি আর ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নতুন প্রধান নির্বাচক নিয়োগ দেয়ার এটাই সেরা সময়। এ কারণেই সরে দাঁড়াচ্ছি আমি।’

এখানেই শেষ নয়, ৪৯ বছর বয়সী ইনজি আরো বলেন, ‘দেখুন, ক্রিকেট আমার আবেগের জায়গা। এক সময় দেশের হয়ে খেলেছি। এরপর নির্বাচক হয়ে গত তিন বছর দল নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ নিয়েছি। কিন্তু আর এই কাজ করতে চাই না আমি।’

বলা হচ্ছে অনেকটা অভিমানেই সরে দাঁড়াচ্ছেন ইনজামাম। কারণ সমালোচনার তোপ সহ্য করতে পারছেন না তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র