Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কঠিন, তবে অসম্ভব না-লড়বে দল; প্রতিজ্ঞা মাশরাফির

কঠিন, তবে অসম্ভব না-লড়বে দল; প্রতিজ্ঞা মাশরাফির
আরেকটি জয়ের অপেক্ষায় মাশরাফি বিন মর্তুজা
এম. এম. কায়সার
স্পোর্টস এডিটর
বার্তা২৪.কম
নটিংহ্যামশায়ার
ইংল্যান্ড থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

একজন সাংবাদিক মনে করিয়ে দিলেন শেষবারের মতো ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিলো বাংলাদেশ ১৪ বছর আগে। মাঝের সময়টায় আর হারাতে পারেনি। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ এবং ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে  ম্যাচটা বৃষ্টিতে পন্ড হয়ে গিয়েছিলো। আরেকটি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ২০ জুন, বৃহস্পতিবারের ম্যাচে।

-এবার?

মাশরাফি হাসলেন। ১৪ বছর আগে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর ম্যাচের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ দিলেন-‘আমি নিজেও ছিলাম সেই ম্যাচে। ইংল্যান্ডের মাটিতেই (কার্ডিফে) হয়েছিলো সেই ম্যাচ। সেই ম্যাচ জিতে আমরা জানাতে পেরেছিলাম বিশ্বের যে কোনো দলকেই আমরা হারাতে পারি। বিশ্বকাপে আরেকবার তাদের মুখোমুখি হচ্ছি আমরা। অস্ট্রেলিয়া বেশ ভালো ক্রিকেট খেলছে এই বিশ্বকাপে। আমরাও পেছনের ম্যাচটা বেশ ভালো খেলেছি। এই অস্ট্রেলিয়াকে হারানো সহজ হবে না। কঠিন হবে কাজটা। তবে আমি বলছি-তাদের হারানোটা অসম্ভব কিছু না। লড়বো আমরা। দেখা যাক!’

এই বিশ্বকাপটা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের জন্য নাগর দোলার মতো। একবার উপরে। পরক্ষনেই নিচে। আবার সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা। পাঁচ ম্যাচে দুই জয়। দুই হার। একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে বাতিল। প্রথম ম্যাচে জয়। পরের দুটি হার। চতুর্থ ম্যাচ বৃষ্টিতে বাতিল। পঞ্চম ম্যাচে আবার জিতে স্বপ্ন রঙিন! শেষ চারের স্বপ্ন।

মাশরাফি দলের এই চড়াই-উতরাই সম্পর্কে জানালেন-‘শেষ ম্যাচটা আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে যে কায়দায় জিতেছি, তাতে পুরো দল দারুণ উজ্জ্বীবিত। মাঠে ভাল পারফরমেন্স দেখানোর জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে সবাই। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটা যদি আমাদের ভালো যায় তাহলে এই টুর্নামেন্টে নিজেদের অবস্থানটা আরো শক্তিশালী হবে।’

 ট্রেন্টব্রিজের এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ফেবারিট, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের  ৩২১ রান তাড়া করে ম্যাচ জেতা বাংলাদেশ অনেক ক্রিকেট পন্ডিতের অনেক বিশ্লেষণ ও হিসেব বদলে দিয়েছে।

এই ম্যাচকে ঘিরেও অনেকে সহজ সমীকরণ কষছেন-অস্ট্রেলিয়ার জয়। কিন্তু বাংলাদেশ হলো এই বিশ্বকাপের সেই দল যারা বদলে দিতে জানে পুরানো এবং পুষে রাখা সব হিসেব।
২ জুন ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সেই গল্পই তো শুরু করেছে বাংলাদেশ এবারের বিশ্বকাপে। অস্ট্রেলিয়াকে হারালে সেই রোমাঞ্চটা আরো শিহরণ জাগাবে!


আপনার মতামত লিখুন :

বিদায় বলেই ফেললেন ইনজামাম

বিদায় বলেই ফেললেন ইনজামাম
কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন ইনজামাম-উল-হক

শেষ পর্যন্ত সরেই যেতে হলো ইনজামাম-উল-হককে। বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারের পরই বিপাকে ছিলেন পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক। তখনই বলা হচ্ছিল সরে দাঁড়াবেন তিনি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে তার চুক্তি শেষ হচ্ছে ৩১ জুলাই৷ বুধবার জানিয়ে দিলেন, এরপর আর চুক্তি নবায়নে আগ্রহী নন তিনি।

পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক স্পষ্ট বললেন- দেশটির জাতীয় দলের নির্বাচকের পদে থাকবেন না তিনি।

২০১৬ সালের এপ্রিলে প্রধান নির্বাচকের চেয়ারে বসেছিলেন এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার। এরমধ্যে তার বিচক্ষণতায় দল বেশ এগিয়েছে। জিতেছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। যদিও সদ্য শেষ বিশ্বকাপের রাউন্ড রবিন লিগ থেকেই বিদায় নেয় পাকিস্তান।

একইসঙ্গে তার দল নিয়েও উঠে প্রশ্ন। বিশেষ করে মোহাম্মদ আমির ও ওয়াহাব রিয়াজকে শুরুতে দলের বাইরে রেখে পড়েন সমালোচনার তোপে। শেষ পর্যন্ত দুজনকেই দলে নিতে বাধ্য হন। আর পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে চমক দেখান দু'জনই।

এ অবস্থায় ব্যর্থতা কাঁধে নিয়েই নির্বাচকের দ্বায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন ইনজামাম। বিদায় বেলায় বলেন, ‘তিন বছরের বেশি সময় ধরে পাকিস্তান দলের নির্বাচক কমিটিতে আছি। কিন্তু এবার আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি- নতুন করে চুক্তি করব না। সেপ্টেম্বরে আইসিসি টেস্ট চ্যম্পিয়নশিপ শুরু। ২০২০ সালে টি-টুয়েন্টি আর ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নতুন প্রধান নির্বাচক নিয়োগ দেয়ার এটাই সেরা সময়। এ কারণেই সরে দাঁড়াচ্ছি আমি।’

এখানেই শেষ নয়, ৪৯ বছর বয়সী ইনজি আরো বলেন, ‘দেখুন, ক্রিকেট আমার আবেগের জায়গা। এক সময় দেশের হয়ে খেলেছি। এরপর নির্বাচক হয়ে গত তিন বছর দল নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ নিয়েছি। কিন্তু আর এই কাজ করতে চাই না আমি।’

বলা হচ্ছে অনেকটা অভিমানেই সরে দাঁড়াচ্ছেন ইনজামাম। কারণ সমালোচনার তোপ সহ্য করতে পারছেন না তিনি।

ওভারথ্রোর নিয়ম মাথায় ছিল না উইলিয়ামসনের!

ওভারথ্রোর নিয়ম মাথায় ছিল না উইলিয়ামসনের!
আম্পায়ারকে দোষ দিচ্ছেন না কেন উইলিয়ামসন

বিশ্বকাপটা প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড নয় জিততে যাচ্ছিল নিউজিল্যান্ডই। কিন্তু অবিশ্বাস্য নাটকীয় ম্যাচে একটি ওভারথ্রোতেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নটা ভেঙে যায় কিউইদের। 

কিন্তু ওভারথ্রোর নিয়মটা নাকি মাথায় ছিল না নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের, ‘আসলে ওভারথ্রোর নিয়মটা আমার জানাই ছিল না।’ মার্টিন গাপটিলের থ্রো স্টোকসের ব্যাটে লেগে ছুঁয়ে ফেলে বাউন্ডারি। ইংল্যান্ড পেয়ে যায় বাড়তি চার রান। বিপত্তি এখানেই শেষ নয়। মাঠের আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ভুল করে একটি রান বেশি দিয়ে দেন ইংল্যান্ডকে।

ব্যাটসম্যান স্টোকস উইকেটের প্রান্ত সীমানা স্পর্শ না করলেও পাঁচ রানের জায়গায় ছয় রান দিয়ে দেন আম্পায়ার ধর্মসেনা। শিরোপাটা তখনই হাতছাড়া হয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের।

রোববার ফাইনালে মাঠের আম্পায়ার ভুল করে ইংল্যান্ডকে একটি বাড়তি রান দিয়ে ফেলেন। কিন্তু তারপরও নিজেদের হারের জন্য আম্পায়ারদের দোষারোপ করছেন না উইলিয়ামসন, ‘আম্পায়ারদের এবং তাদের কাজের ওপর আপনাকে অবশ্যই আস্থা রাখতে হবে।’

রোববার লর্ডসের মহানাটকীয় ফাইনালে বিশ্বকাপ শিরোপার বিজয়ী কিন্তু রানের বিচারে নির্ধারিত হয়নি। হয়েছে বাউন্ডারি হাঁকানোর হিসেবে। আর এনিয়ে ক্রিকেট দুনিয়ায় চলছে সমালোচনার ঝড়। বাউন্ডারির নিয়ম বাতিলের জোর দাবী উঠেছে চার দিকে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র