Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পাকিস্তানি পত্রিকায় টাইগারদের নিয়ে ব্যঙ্গ কার্টুন!

পাকিস্তানি পত্রিকায় টাইগারদের নিয়ে ব্যঙ্গ কার্টুন!
‘দ্য নেশন’ পত্রিকার এই সেই বিতর্কিত কার্টুন
স্পোর্টস ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপের শুরু থেকে ঠিক যেন উঠেই দাঁড়াতে পারছিল না পাকিস্তান। বাজে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় হারের খোলস থেকে বেরই হতেই পারছিল না তারা। পৌঁছে গিয়ে ছিল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে। ওয়ানডে ক্রিকেটের মহাযজ্ঞে যেখানে পাকিস্তানেরই এমন করুণ দশা। সেখানে তাদের দেশের গণমাধ্যম বাংলাদেশের মতো দাপটে পারফরম্যান্স উপহার দিতে থাকা প্রতিপক্ষদের ব্যঙ্গ–বিদ্রুপ করে দুঃসাহস দেখাচ্ছে।

পাকিস্তানের পরের খেলা নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে। তাই পাকিস্তানি গণমাধ্যমের শিকার এখন তারাই। পাকিস্তানের ‘দ্য নেশন’ পত্রিকায় এ তিন দলকে নিয়ে যে কার্টুন ছেপেছে তা রীতিমতো অপমানজনক।

কার্টুনে দেখা যায়, কবর থেকে উঠে ব্যাট হাতে তেড়ে যাচ্ছে ক্ষোভে ফেটে পড়া পাকিস্তানি এক ক্রিকেটার (সম্ভবত পাকিস্তান ক্যাপ্টেন সরফরাজ আহমেদ)। তার পিটুনিতে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এক ক্রিকেটার। আতঙ্কগ্রস্ত নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের জার্সি পরা তিন ক্রিকেটার প্রাণপণে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন।

মানে হারতে হারতে মরে গিয়ে ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট দল। তাদের কবর রচনাও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে মৃত্যুকে জয় করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে তারা। এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কোচ মিকি আর্থার তো জানিয়েছেন, দলের হারে সাবেক ক্রিকেটার ও ভক্ত-সমর্থকদের কাছে থেকে যে হারে সমালোচনা সইতে হচ্ছিল তাতে করে তিনি আত্মহত্যার পথই বেছে নিতে চেয়ে ছিলেন।

কিন্তু তার পরের দৃশ্যটা মেনে নেওয়া যায় না। জীবিত হয়েই পাকিস্তান হারিয়ে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। এবার তারা হারাতে চায় নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশকে।

এ তিন দলকে হারিয়ে শেষ চারের টিকিট ছিনিয়ে নেবে কোচ মিকি আর্থারের দল। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন আলোর মুখ দেখে কিনা সেটাই এখন দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেট প্রেমীরা। নাকি কিউই, আফগান ও টাইগারদের গর্জনে সাজঘরে মুখ লুকায় তারা নিজেরাই।

পাঁচ ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের জয় ছিল মাত্র একটি। ভাগ্যক্রমে তারা জয়টা পেয়েছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ইংলিশদের বিপক্ষে হারতে হারতে জিতে যায় সরফরাজ আহমেদের দল। কিন্তু সে জয় তাদের অনুপ্রাণিত করতে পারছিল না কিছুতেই। হারের চক্রে আটকে গিয়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান।

কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিতে সেমি-ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছে পাকিস্তান। আর সবশেষ হারে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে প্রোটিয়াদের। ছয় ম্যাচে তিন হারের (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে) বিপরীতে ২ জয়ে (ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে) ৫ পয়েন্টে সপ্তম স্থানে থেকে পাকিস্তানে এখন শেষ চারে উঠার দিবাস্বপ্ন দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র