Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যুবরাজের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছেন সাকিব

যুবরাজের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছেন সাকিব
যুবরাজের মতোই ব্যাটে-বলে দাপট দেখাচ্ছেন সাকিব
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

৬ ইনিংসে ব্যাট হাতে খেললেন- ৭৫, ৬৪, ১২১, ১২৪*, ৪১ ও ৫১ রানের ইনিংস। আর বল হাতে নিয়েছেন মোট ১০ উইকেট। সন্দেহ নেই সাকিব আল হাসান এবারের বিশ্বকাপে এখন অব্দি সেরা ক্রিকেটার। প্রায় প্রতি ম্যাচেই মাঠে নেমে গড়ছেন বিরল রেকর্ড। এই যেমন সোমবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে দাপটের পর অনন্য উচ্চতায় পা রেখেছেন এই অলরাউন্ডার।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে হাজার রান ও ৩০ উইকেটের মাইলফলকে পা রাখা প্রথম খেলােয়াড় সাকিব। তার দাপুটে পারফরম্যান্স ফিরিয়ে এনেছে ২০১১ বিশ্বকাপের স্মৃতি। যেখানে এভাবেই চমক দেখিয়েছিলেন যুবরাজ সিং।

বাংলাদেশ যে তিন ম্যাচ জিতেছে, প্রতিটিতেই সাকিব ম্যাচসেরা। ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে থাকা এই ক্রিকেটাররের ব্যাট-বলে ঝড় দেখে মুগ্ধ বিশ্লেষকরা। ২০১১ বিশ্বকাপ এমন পারফম্যান্সে ভারতকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন যুবি। টুর্নামেন্ট-সেরা এই তারকা ব্যাট হাতে করেন ৩৬২ রান। আর বল হাতে নেন ১৫ উইকেট।

আফগানদের বিপক্ষে হাফ-সেঞ্চুরি ও ৫ উইকেট শিকার করে যুবিকে ছুঁয়ে ফেললেন সাকিব। ২০১১ বিশ্বকাপে এভাবেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ৫০ রানের ইনিংসের সঙ্গে তিনি নেন ৫ উইকেট। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফিফটির সঙ্গে ৫ উইকেট জেতার রেকর্ডটা এবার স্পর্শ করলেন সাকিব।

সাকিবের এমন পারফরম্যান্সে চলছে বন্দনা। সেই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন জহির খানও। ভারতীয় সাবেক এই তারকাই ফিরিয়ে তুলনাটা করলেন যুবির সঙ্গে। বলেন, ‘টুর্নামেন্টে সাকিব মনে হচ্ছে যুবরাজ সিংয়ের মতো খেলে যাচ্ছে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে যুবরাজ প্রতি ম্যাচেই ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছে। বাংলাদেশের হয়ে সাকিব এমনটাই করছে। ও প্রতি ম্যাচেই ভালো খেলছে। নিজেকেই যেন একটু একটু করে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।’

সবকিছু ঠিক থাকলে সাকিবের হাতেই হয়তো বিশ্বকাপের ‘প্লেয়ার অব দা টুর্নামেন্ট’ ট্রফি উঠতে পারে। যদিওসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার চালুর পর একটি অলিখিত নিয়মও আছে। যেটি হলো ন্যূনতম সেমি-ফাইনাল খেলেছে এমন দলের পারফরমারই জেতেন সেরা ট্রফি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সেমিতে উঠার সম্ভাবনা আছে। সেটি না হলেও সাকিবকে সেরা ঘোষণা করলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না!

এবারের বিশ্বকাপে বাকী দুই ম্যাচে টাইগারদের প্রতিপক্ষ ভারত ও পাকিস্তান। সেই ম্যাচ দুটিতে ভাল খেলে রান ও উইকেটসংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে সাকিবের সামনে!

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র