Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রাতে ভাল ঘুম হয়েছে উইলিয়ামসনদের

রাতে ভাল ঘুম হয়েছে উইলিয়ামসনদের
ফাইনালে পৌঁছে দারুণ খুশি কিউইরা
স্পোর্টস ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সত্যি করে বলুন তো, নিউজিল্যান্ডের ইনিংস শেষে কে ভেবেছে, দুই দিন খেলে ৮ উইকেটে তোলা তাদের ২৩৯ রান ভারতকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট?

কিউইদের ড্রেসিং রুমের অনেকেই হয়তো এটা নিয়ে ভাবেনি। কিন্তু বিরাট কোহলিদের বিদায় করে নিউজিল্যান্ড ঠিকই ফাইনালের টিকিট কেটে ফেলেছে। কিন্তু কী ভাবে সম্ভব হল এটা?

পিচ খানিকটা ভেজা ছিল। কিছুটা আঠাল হয়ে পড়েছিল। যে কারণে স্ট্রোক খেলা কঠিন হয়ে পড়েছি। বাউন্ডারি হাঁকানো দুদলের জন্যই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এ কঠিন লড়াইটাই ব্ল্যাক ক্যাপ শিবির জিতে নিয়েছে বুদ্ধিমত্তা আর মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে।

পিচটা ব্যাটিং বান্ধব ছিল না। যেখানে খেলাটা ছিল রীতিমতো চ্যালেঞ্জিং। ৩০০ রান করার মতো ছিল না। স্বীকার করে নিলেন উইলিয়ামসন, ‘৩০০ রানের ভালো একটা স্কোর গড়ার মতো উইকেট ছিল না এটি। ২৫০ রান হওয়ার মতো ছিল। আমরা এ ব্যাপারটা নিয়ে সতর্ক ছিলাম। তাই ভারতের ভয়ঙ্কর বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে ২৪০-২৫০ তে পৌঁছানো চেষ্টা করেছি আমরা।’

কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন বলেন, ‘আমার মনে হয় ছেলেরা রাতে ভালো ঘুম দিয়েছে। শেষ চার ওভারে নিজেদের প্রয়োজনের ওপরই মনোযোগী ছিলাম আমরা। ৫ উইকেটে ২১১ রান সংগ্রহ করেই আমরা বুঝে যাই আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছে গেছি। মাঠের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে যেটা আমরা অর্জন করার জন্য চেষ্টা করেছি।’

নিউজিল্যান্ডের উদ্বোধনী বোলারদের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। প্রথম পাওয়ারপ্লেতেই ২৪ রানেই তারা ভারতের চার উইকেট ফেলে দেয়। স্পিনার মিচেল স্যান্টনারের প্রথম আট ওভার থেকে আসে দুই উইকেট। বিপরীতে দেন মাত্র ১৫ রান। সঙ্গে ছিল দুটি মেডেন ওভার।

যদিও শেষ দিকে রবীন্দ্র জাজেদার মারমুখো ব্যাটিংয়ে তার বোলিং ফিগারটা খারাপ হয়ে যায়। সেটা বাদ দিলে কিউইদের জয়ে স্যান্টনারের ভূমিকা অগ্রগণ্য।

তাই স্যান্টনারের জয় গান গাইলেন ক্যাপ্টেন উইলিয়ামসন, ‘স্লো বোলারদের উপযোগী পিচে স্যান্টনারের স্পেলটা ছিল অসাধারণ। আমাদের ইনিংসেও দেখেছি। ভারতীয় স্পিনাররা ভালো করেছে। স্যান্টনার বিশ্ব মানের একজন বোলার। তাই আমাদের প্রত্যাশা ছিল সে ভালো করবে।’

উইলিয়ামসন প্রশংসা করেছেন দলীয় পারফরম্যান্সের, ‘এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দলের জন্য খুবই স্পেশাল। মাঠের লড়াই চলাকালে যেটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুরো ম্যাচে ব্যাট-বল হাতে ও ফিল্ডিংয়ে অনেকে অবদান রেখেছে। আজ (বুধবার) সেমি-ফাইনালের সীমা অতিক্রম করার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে তারা।’
 
লিগ পর্বের শেষ দিকে পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের কাছে টানা তিন ম্যাচ হেরেও শেষ চারে জায়গা করে নেয় নিউজিল্যান্ড। সেমি-ফাইনালে উঠা যে কোনো দলের চেয়ে তাদের পারফরম্যান্স ছিল খারাপ। কিন্তু তারপরও ওয়ানডে ক্রিকেটের মহাযজ্ঞে এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে নিয়েছে টানা দুই বারের ফাইনালিস্টরা।

কিন্তু উইলিয়ামসন মনে করেন, যে কোনো দল যে কোনো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারানোর সামর্থ্য রাখে, ‘আমরা অনেক দেখেছি র‌্যাঙ্কিংয়ের নিচে থাকা দল ওপরে থাকা দলকে হারিয়ে দিয়েছে। যে কেউ যে কাউকে হারিয়ে দিতে পারে। এটাই ক্রিকেটের বৈশিষ্ট্য। কোনো নিশ্চয়তা নেই যে আপনি সব ম্যাচে জিততে পারবেন।’

আপনার মতামত লিখুন :

আইসিসির হয়ে খেলবেন বাংলাদেশের জাহানারা-ফারজানা

আইসিসির হয়ে খেলবেন বাংলাদেশের জাহানারা-ফারজানা
আইসিসির দলে জায়গা পেলেন জাহানারা ও ফারজানা

অনন্য সম্মান পেলেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের দুই সদস্য। আইসিসি গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট স্কোয়াডে ডাক পেলেন জাহানারা আলম ও ফারজানা হক। বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থার এই দলটির হয়ে খেলতে ইংল্যান্ডে যাবেন তারা। র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটের বাইরে থাকা দেশের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে এই দল গঠন করা হয়েছে।

কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে খেলে এসেছেন ভারতের টি-টুয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। বল হাতে দাপটও দেখিয়েছেন জাহানারা আলম। সেই সাফল্যের পথ ধরে এবার আইসিসির গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট স্কোয়াডে খেলার সুযোগ মিলেছে। ৮ বছর ধরে জাতীয় দলে খেলা জাহানারার ক্যারিয়ারে নতুন আরেক অর্জন যোগ হচ্ছে এবার।

জাহানারার সঙ্গে আছেন বাংলাদেশের ব্যাটার ফারজানা হক। যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে এরইমধ্যে খেলেছেন ৩৫টি ওয়ানডে ম্যাচ। জাতীয় দলে নিজের জায়গাটা বেশ পোক্ত করে নিয়েছেন তিনি।

সব কিছু ঠিক থাকলে ২৫ জুলাই রাতে ইংল্যান্ডের পথে ঢাকা ছাড়বেন জাহানারা ও ফারজানা। দশদিন তাদের দেশটিতে থাকার কথা রয়েছে।

এই সফরে ইংল্যান্ড সুপার লিগের দলগুলোর বিপক্ষে পাঁচটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলবে আইসিসি ডেভেলপমেন্ট দল।

ইমরুল-সাব্বিরদের ফের লজ্জায় ডুবাল আফগানরা

ইমরুল-সাব্বিরদের ফের লজ্জায় ডুবাল আফগানরা
টানা দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হতাশ করলেন ইমরুল কায়েসরা

সেই একই গল্প! ব্যর্থতার বৃত্তেই হাঁটছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আরো একবার আফগানিস্তানের সামনে নাজেহাল ইমরুল কায়েসরা। আগের ম্যাচে দল হেরেছিল ১০ উইকেটে। এবার স্বাগতিকদের ৪ উইকেটে হারাল আফগানিস্তান ‘এ’ দল।

রোববার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় আনঅফিশিয়াল ওয়ানডেতেও চেনা গেল না বাংলাদেশের তারকাদের। এনিয়ে টানা দুই ম্যাচ হারল তারা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেল আফগানিস্তান। এর আগে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ তারা জিতেছিল ১-০ ব্যবধানে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির বিপক্ষে বেশ শক্তিশালী দল নিয়েই নেমেছিল বাংলাদেশ ‘এ’। দলে ইমরুল কায়েস, এনামুল হক, বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমানদের সঙ্গে ফরহাদ রেজা, আবু জায়েদ রাহি, শফিউল ইসলাম, আবু হায়দার রনিরা ছিলেন। কিন্তু তাদেরও পাত্তা দেয়নি আফগানরা।

এদিন টস হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ দল। ৫০ ওভারে তারা ৯ উইকেট হারিয়ে করে ২৭৮ রান। জবাবে নেমে ৪৯.১ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে সফরকারীরা।

টস ভাগ্যটা সঙ্গে না থাকলেও ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা মন্দ ছিল না। ৫৬ রানের জুটি গড়েন এনামুল ও ইমরুল। জাতীয় দলের মিশনে যোগ দেওয়ার আগে এনামুল তুলেন ২৪ বলে ২৬। এরপর ইমরুল ফেরেন ৪০ রানে।

দুই ওপেনারের পর কিছুটা সময় লড়াই করলেন মোহাম্মদ নাঈমও। তবে ৪৯ রান তিনি ধরেন সাজঘরের পথ। মিঠুন ৯৪ বলে ৮৫ রান তুললে বাংলাদেশ পায় লড়াকু পুঁজি। শেষ দিকে ৩৮ বলে ৩৫ রান করেন সাব্বির।

জবাবে নামা আফগান দলকে অবশ্য শুরুতেই কোণঠাসা করে ফেলেছিল বাংলাদেশ। দলীয় ২৮ রানে উদ্বোধনী জুটিতে ভাঙ্গন ধরান শফিউল ইসলাম। তারপর অবশ্য দারুণ লড়েছেন ইব্রাহিম জাদরান। তার ব্যাটে এগিয়ে গেছে সফরকারীরা। ১৪৯ বলে ১২৭ রান করে তুলেন তিনি।

জিততে আফগানদের শেষ ২৩ বলে দরকার ছিল ৩৫ রান। আর বাংলাদেশের ৪ উইকেট। এ অবস্থায় সপ্তম উইকেট জুটিতে শরাফুদ্দিন আশরাফ ও ফজল নিয়াজাই হতাশ করেন স্বাগতিক বোলারদের। ৫ বল হাতে রেখেই দল পেয়ে যায় দারুণ এক জয়। ১৭ বল ৩৬ রান করেন আশরাফ। ৮ বলে ১৫ রানে অপরাজিত নিয়াজাই।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

বাংলাদেশ ‘এ’ দল: ৫০ ওভারে ২৭৮/৯ (ইমরুল ৪০, এনামুল ২৬, মিঠুন ৮৫, নাঈম ৪৯, সাব্বির ৩৫, আফিফ ৮, রেজা ১, মেহেদি ১০, আবু হায়দার ৭*, শফিউল ০, আবু জায়েদ ১*; শিরজাদ ১/৫৪, আশরাফ ১/৩৭, করিম ৩/৪৩, ফজল ৩/৪৮)
আফগানিস্তান ‘এ’ দল: ৪৯.১ ওভারে ২৮১/৬ (রহমানউল্লাহ ২১, ইব্রাহিম ১২৭, উসমান ২৬, নাসির ১১, রাসুলি ৭, করিম ২৪, আশরাফ ৩৬*, ফজল ১৫*; শফিউল ২/৫৯, আবু জায়েদ ১/৫৮, রেজা ৪২/০, মেহেদি ০/৩৪, আবু হায়দার ১/৫৬, সাব্বির ১/১০)
ফল: ৪ উইকেটে জয়ী আফগানিস্তান ‘এ’ দল

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র