ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের সাবধানী শুরু

এম. এম. কায়সার, স্পোর্টস এডিটর, বার্তাটোয়েন্টিফোর, লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড, লন্ডন, ইংল্যান্ড থেকে
শুরুতেই গাপটিলকে ফেরালেন ক্রিস ওকস-ছবি: আইসিসি

শুরুতেই গাপটিলকে ফেরালেন ক্রিস ওকস-ছবি: আইসিসি

  • Font increase
  • Font Decrease

শুরুর ১০ ওভারে নিউজিল্যান্ড ৩৩ রানে ১ উইকেট।

-তাহলে ফাইনালের শুরুতে অ্যাডভান্টেজ কার? অবশ্যই কিছুটা স্বস্তিতে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। পাওয়ার প্লে’তে মারটিন গাপটিলের উইকেট তুলে নিতে পেরেছে তারা।

হাফসেঞ্চুরি দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলেও মাঝের এবং শেষের পুরো সময়টাই গেলো গাপটিলের ব্যর্থতায়। ১০ ম্যাচে বিশ্বকাপে তার রান মাত্র ১৮৫!

লর্ডসের ফাইনালে টসে জিতে মেঘলা আকাশ দেখেও নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ব্যাটিংই বেছে নেন। প্রথম পাওয়ার প্লে’তে কোনো ব্যাটিং অ্যাডভেঞ্চারে যেতে চাইনি নিউজিল্যান্ড। সহজ-স্বাভাবিক ভাবে সামনে বাড়ার পরিকল্পনা নেয়।

মারটিন গাপটিলের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিলো শেষবার লর্ডসে খেলা সেঞ্চুরির ইনিংস থেকে প্রেরণা পাচ্ছেন তিনি। সাবধানী শুরু করলেও স্কোরবোর্ড সচল রাখছিলেন নিউজিল্যান্ড ওপেনার। অফস্ট্যাম্পের বাইরে জোফরা আর্চারের একটি লাফিয়ে উঠা বলে আপার কাট শটস খেলে ছক্কাও হাঁকান গাপটিল।

 সেটা ছিলো চলতি বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম ছক্কা!

তবে সেই ছক্কার সুখ বেশি সময় ধরে উপভোগ করতে পারেননি গাপটিল।  ক্রিস ওকসের ওভারে পুরোদুস্তর পরাস্ত হলেন। বলের লাইন মিস করলেন। পেছনের পায়ে লাগলো বল। আপিল হলো। আম্পায়ার কুমারা ধর্মসেনা আঙ্গুল তুলে সাড়া দিলেন। কিছুক্ষণ হেনরি নিকোলাসের সঙ্গে পরামর্শ করে রিভিউ নিলেন গাপটিল। কিন্তু সেই রিভিউতেও শেষরক্ষা হলো না! রিভিউ জানালো বল সোজা মিডল স্ট্যাম্পে লাগছে! ১৮ বলে ২ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কা নিয়ে ১৯ রানে শেষ হলো মারটিন গাপটিলের বিশ্বকাপ ফাইনাল।

অপর প্রান্তে ওপেনার হেনরি নিকোলাসও দেখে শুনে সামনে বাড়ার ভঙ্গির ব্যাটিং করেন। কোনো ঝুঁকি নিচ্ছিলেন না তিনি। নিজের খেলা শুরুর ৩৩ বলে তার রান ১৫। নিকোলাসকে অবশ্য ১ রানে থাকতে এলবিডব্লু আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার কুমার ধর্মাসেনা। তবে রিভিউ নিয়ে রক্ষা পান সেই দফায় নিকোলাস। রিভিউ জানায় মার্ক উডের বলটা স্ট্যাম্পের ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিলো।

যেভাবে ভাবা হচ্ছিলো তেমন তেজ দেখা গেলো না লর্ডসের উইকেটে। শুরুর ঘন্টায় পুরোটা সময় জুড়ে আকাশ মেঘলা থাকলেও উইকেটে বলের তেমন কারিকুরি দেখা গেলো না। বরং মনে হচ্ছিলো উইকেটে বল পড়ে একটু দেরিতে আসছিলো।

ক্রিস ওকস একপ্রান্ত থেকে টানা ৭ ওভার বল করে গেলেন। ফাইনালে ইংল্যান্ডের শুরুর সাফল্য এলো তার বোলিংয়েই। ৭ ওভারে ১৯ রানে ১ উইকেট পান ওকস।

আপনার মতামত লিখুন :