বিশ্বকাপ ফাইনাল সুপার ওভারে

এম. এম. কায়সার, স্পোর্টস এডিটর, বার্তাটোয়েন্টিফোর, লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড, লন্ডন, ইংল্যান্ড থেকে
জস বাটলার-বেন স্টোকসের ম্যাচে লড়াইয়ে ফেরে ইংল্যান্ড- ছবি: আইসিসি

জস বাটলার-বেন স্টোকসের ম্যাচে লড়াইয়ে ফেরে ইংল্যান্ড- ছবি: আইসিসি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপ শুরুর দিন থেকেই গানটা শোনা যাচ্ছিল-‘ইটস কামিং হোম’! ইংল্যান্ড যখন সেমিফাইনাল জিতলো, কামিং হোম গানের সুর আরো বেশি স্পষ্ঠ হলো। আর লর্ডসের ফাইনালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সেই গানই শোনা গেলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারের ম্যাচে কোনো দলের ঘরেই গেলো না বিশ্বকাপ। ম্যাচ শেষ হলো টাই। ট্রফি জয়ের জন্য ম্যাচ গড়ালো সুপার ওভারে!

 শেষ ওভারে গড়ানো ফাইনালের নায়ক হতে পারতেন বেন স্টোকস। শেষ ওভারে ম্যাচ জিততে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন দাড়ায় ১৫ রানের। বোল্টের করা প্রথম দুই বলে স্টোক কোনো রান নিতে পারেননি। তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকান। চতুর্থ বলে মিড উইকেটে ঠেলে দুই রান নেন। কিন্তু মারটিন গাপটিলের থ্রো যায় উইকেটকিপারের দিকে। সেই থ্রো স্টোকের গায়ে লেগে ফাইন লেগ দিয়ে বাউন্ডারি! ব্যাটে দুই রান আর ওভার থ্রো থেকে এলো চার রান। মোট রান এলো সেই বলে ছয়। শেষ দুই বলে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন করে দাড়ালো ৩ রানের। পঞ্চম বলে সিঙ্গেল রান নিলেন স্টোকস। কিন্তু ডাবল নিতে গিয়ে আদিল রশিদ রানআউট!
শেষ বলে হিসেব এমন। ১ বলে ইংল্যান্ডের চাই দুই রান। বেন স্টোক প্রথম রান সহজেই নিলেন। দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে মার্ক উড রানআউট। স্কোরবোর্ডে তখন দু’দলের হিসেব সমান সমান রান; ২৪১!

ফাইনাল ম্যাচ টাই। সুপার ওভারে গড়ালো বিশ্বকাপের ফাইনাল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ফাইনাল ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ালো!





আপনার মতামত লিখুন :