Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফাইনালে আম্পায়ার ধর্মসেনা ইংল্যান্ডকে ১ রান বেশি দিয়েছেন!

ফাইনালে আম্পায়ার ধর্মসেনা ইংল্যান্ডকে ১ রান বেশি দিয়েছেন!
আলোচনায় ফাইনালের আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা
এম. এম. কায়সার
স্পোর্টস এডিটর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
লন্ডন
ইংল্যান্ড থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

আগে সেই দৃশ্যের বর্ণনা:

ফাইনালের মূল ম্যাচের শেষ ওভার চলছে। ট্রেন্ট বোল্টের চতুর্থ বল মিড উইকেটে খেললেন বেন স্টোকস। প্রথম রান সহজেই নিলেন। দ্বিতীয় রান নেয়ার জন্য দৌড়ালেন। মার্টিন গাপটিল বল কুড়িয়ে থ্রো করলেন উইকেটকিপারের দিকে। রানআউট থেকে বাঁচতে পুরো শরীর শূন্যে ছুড়ে দিয়ে ডাইভ দিলেন স্টোকস। তখনো ক্রিজে পৌছাতে পারেননি তিনি। ঠিক সেই সময় বল তার ডাইভ দেয়া ব্যাটের কানায় লেগে থার্ডম্যান দিয়ে বাউন্ডারি লাইন পার করে। উঠে দাঁড়িয়ে দু’হাত তুলে বেন স্টোকস জানান-আমি ইচ্ছে করে এটা করিনি। আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ব্যাপারটা লক্ষ্য করেন। খানিকটা সময় নেন তিনি। শেষে ৬ রানের জন্য ঈশারা করেন। দুই রান বেন স্টোকস দৌড়ে নিয়েছেন সেজন্য। আর ওভার থ্রো বা ডিফ্লেকসান হয়ে ব্যাটের কানায় লেগে ফিল্ডারের ছোঁড়া বল বাউন্ডারিতে যাওয়ায় চার রান।

মূলত এভাবে পাওয়া ছয় রানই শেষ ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। যা শেষ পর্যন্ত টাই হয়। এবং ফাইনাল গড়ায় সুপার ওভারে।

এখন প্রশ্ন হল-আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা সেই ডেলিভারিতে যে ছয় রান দিয়েছিলেন সেটা ক্রিকেট আইনে সঠিক ছিল কিনা?

এই প্রশ্নের উত্তরে আইসিসির আরেক সাবেক বিশ্বসেরা আম্পায়ার সাইমন টোফেল বলছেন-‘ওটা পুরোপুরি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। আম্পায়াররা অবশ্যই ভুল করেছেন। ক্রিকেটের নিয়ম অনুযায়ী সেটা ছয় রান নয়, পাঁচ রান হবে। সেই ডেলিভারিতে ইংল্যান্ডের স্কোরকার্ডে পাঁচ রান জমা হওয়ার কথা। ছয় রান নয়। এটা বড় ভুল হয়েছে। টিভি রিপ্লেতে পরিস্কার দেখা যাচ্ছে বলটা যখন বোল্টের ব্যাটে লেগেছে তখনও দ্বিতীয় রান পুরো হয়নি। আদিল রশিদ তখনও ননস্ট্রাইক প্রান্তে নিজের ক্রিজে পৌঁছাননি। তাই এমসিসি’র ক্রিকেট আইন অনুযায়ী দ্বিতীয় রানটা কমপ্লিট হয়নি। তাই ওখান থেকে এক রান পাবে ইংল্যান্ড। আর ডিফ্লেকসান থেকে পাওয়া চার রান-সবমিলিয়ে সেই ডেলিভারি থেকে পাঁচ রান মিলবে ইংল্যান্ডের। কিন্তু আম্পায়াররা দিলেন ছয় রান!’

এখন দেখি ক্রিকেট আইন এই বিষয়ে কি বলে?

আইসিসির ক্রিকেট আইনের হ্যান্ডবুকের ১৯.৮ ধারায় ওভারথ্রো বা ডিফ্লেকসান সর্ম্পকে ব্যাখায় বলা হয়েছে-‘ওভার থ্রোর রান ব্যাটসম্যানের নামের পাশে যোগ হবে। ব্যাটসম্যান যে রান পুরো করেছেন সেটাও যোগ হবে।  সেই সঙ্গে থ্রো ব্যাটসম্যানের শরীর, ব্যাট বা অন্যকিছুতে এসে লাগার আগে যে রান পুরো হয়েছে সেটাও যোগ হবে।’

এই আইন মানলে এটা পরিষ্কার যে স্টোকসের দ্বিতীয় রানটা পুরো হয়নি। টিভি রিপ্লেতে সেটা আরও পরিস্কার। গাপটিলের থ্রো যখন স্টোকসের ব্যাটে ডিফ্লেকসান হয় তখনও তিনি ক্রিজের বাইরে। অপরপ্রান্তে আদিল রশিদও তাই। অর্থাৎ সেটা কোনোমতেই কমপ্লিট রান নয়। কিন্তু মাঠের আম্পায়াররা সেটাকে পুরো রান হিসেবে রায় দেন।

এই রান না দিলেই যে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ জিততো না-এমনকিছু নয়। আবার এই রান না হলে নিউজিল্যান্ডও বিশ্বকাপ জিতে নিতে পারত। কারণ ওই ডেলিভারিতে জোড় সংখ্যার রান না হলে স্ট্রাইকে থাকতেন আদিল রশিদ। ট্রেন্ট বোল্টের পরের দুই ডেলিভারি সামার দেয়াটা তখন তার জন্য সহজ কোনো কাজ হতো না!

ফাইনাল ম্যাচের শেষাংশ উত্তেজনার শিহরণ ছড়িয়েছে ঠিক। কিন্তু মাঠের আম্পায়ারদের এমন আরও কিছু বাজে সিদ্ধান্ত আনন্দ নষ্টও করেছে!

আপনার মতামত লিখুন :

আফগান চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় মিরাজ

আফগান চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় মিরাজ
বাংলাদেশ দলের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ

বাংলাদেশ যখন তাদের প্রথম টেস্ট খেলছে, তখন আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান দুধের শিশু; বয়স তার দুই! টেস্ট ক্রিকেট বাংলাদেশের অভিষেক ২০০০ সালে। আর আফগানিস্তান টেস্ট ক্রিকেটে পা রাখলো, এই তো সেদিন-গত বছরের ১৪ জুন। সবমিলিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচের অভিজ্ঞতা ১১৪ ম্যাচ। আর আফগানিস্তান খেলেছে মাত্র দুটি টেস্ট ম্যাচ।

অভিজ্ঞতা, অর্জন, দক্ষতা- সব ‘বিভাগেই’ বাংলাদেশের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছে আফগানিস্তান। তাই বলে বাংলাদেশ ৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট সিরিজ নিয়ে আয়েশি হাই তুলছে-এমন কিছু নয়।

বরং একটু বেশিই সিরিয়াস বাংলাদেশ!

দলের অফস্পিনার কাম লেটঅর্ডার ব্যাটসম্যান মেহেদি হাসান মিরাজও সেই কথাই বললেন-‘মানছি যে অভিজ্ঞতার দিক থেকে আমরা আফগানিস্তানের তুলনায় অনেক এগিয়ে। আমরা টেস্ট খেলছি প্রায় ২০ বছর হতে চলছে। আর ওরা মাত্র বছর খানেক আগে থেকে টেস্ট খেলছে। তবে মনে রাখতে হবে ক্রিকেট ম্যাচে সেই দলই জেতে যারা মাঠের ক্রিকেটে ভালো খেলে। আফগানিস্তানকে হালকা ভাবে নেয়ার কিছু নেই। আমরা আমাদের স্কিল নিয়ে কাজ করছি। দক্ষতা আরো বাড়ানোর চেষ্টা করছি। র‌্যাঙ্কিংয়ে ওরা পিছিয়ে আছে এসব চিন্তা আমরা মাথায় রাখছি না। ভাবছি যে টেস্ট সিরিজে আমাদের প্রভাব বিস্তার করে খেলতে হবে। নিয়ন্ত্রনটা নিজেদের হাতে রাখতে হবে।’

চট্টগ্রাম টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পূর্বশর্ত জানিয়ে দিলেন মিরাজ। এক ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ এবং জিম্বাবুয়েকে নিয়ে তিনজাতি টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টের জন্য বাংলাদেশ দল ঈদের পর থেকে জোরে সোরে কন্ডিশনিং ক্যাম্প শুরু করেছে। ব্যাটিং- বোলিং- ফিল্ডিংয়ের সঙ্গে প্ল্যানিংয়ের কাজও একত্রিতভাবে সেরে ফেলছে বাংলাদেশ।

র‌্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে নামলে উপরে থাকা দলের একটা আশঙ্কা থাকে, আরে পা না আবার পিছলে যায়! তেমন কোনো চাপ কি বাংলাদেশ অনুভব করছে আফগান সিরিজের আগে?

এই প্রশ্নের উত্তরে মিরাজের সহজ ব্যাখা-‘আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট মানেই তো চাপ। সেই চাপ যারা সইতে পেরে নিজেদের পারফরমেন্স দেখাতে পারে-তারাই ম্যাচ জিতে।’

দেশের মাটিতে টেস্ট ম্যাচ মানেই তো বাংলাদেশ একাদশে স্পিনারে ঠাসা। কিন্তু প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান বলেই সম্ভবত বাংলাদেশ এবার একটু ভিন্ন চিন্তায়, ভিন্ন পরিকল্পনায়। স্পিন উইকেট তৈরি করলেও উল্টো ফলও হতে পারে! আফগানিস্তানের স্পিনাররাও যে দুর্দান্ত।

 এই প্রসঙ্গে মিরাজ রোববার মিরপুরে অনুশীলন শেষে জানান-‘এই ম্যাচে চ্যালেঞ্জের মাত্রাটা আরো বাড়ছে। এই ম্যাচে আমাদের স্পিনারদের ওপরও বাড়তি দায়িত্ব থাকবে যাতে আমরা ম্যাচে প্রভাব ছড়িয়ে খেলতে পারি। দেশের মাটিতে আমরা যাদের সঙ্গেই খেলেছি, আমাদের স্পিনাররা ভালো করেছে। এবারও সেই লক্ষ্যটাই থাকবে। টেস্ট ক্রিকেটে উইকেট থেকে সহায়তা মিললে বোলারদের জন্য কাজটা কিছুটা সহজ হয়ে যায়। তবে উইকেট যেমনই থাক, টেস্ট ক্রিকেটে একই স্পটে লাইন লেন্থ বজায় রেখে বল করতে হয়। তাহলেই উইকেট শিকারের পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমার কাছে তো মনে হয় এই ম্যাচটা আমাদের মাটিতে হচ্ছে, আমরা স্পিনাররা তো অবশ্যই কিছুটা সুবিধা পাবো।’

জয়োৎসবে শুরু বার্তার ফুটবল মিশন

জয়োৎসবে শুরু বার্তার ফুটবল মিশন
এক ফ্রেমে বার্তাটোয়েন্টিফোরের ফুটবল দল -ছবি সুমন নিলয়

খেলা শুরু সাড়ে দশটায়! কিন্তু পল্টনের জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে বার্তাটোয়েন্টিফোরের রিপোর্টার, নিউজরুম এডিটর, ফটো সাংবাদিক, ক্যামেরা পার্সনরা হাজির সকাল সাড়ে সাতটায়! টিম ম্যানেজার মবিনুল ইসলাম বাসা থেকে নিয়ে আসেন গরম গরম চালের রুটি। আর স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট খুররম জামান আনেন বুটের ডাল দিয়ে রান্না করা মাংস! ব্যস, মাঠে নামার আগেই উৎসব আমেজ!

নাস্তা শেষেই মরণচাঁদের মিষ্টি আর কোমল পানীয়তে গলা ভিজিয়ে মাঠে নেমে পড়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর ফুটবল টিম। ওয়ালটন-ডিআরইউ মিডিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের ম্যাচে প্রতিপক্ষ দৈনিক ইত্তেফাক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566728822506.jpg

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট সেরাজুল ইসলাম সিরাজের নেতৃত্বে ডিআরইউ মিডিয়া ফুটবলে রোববার অভিষেক হলো দেশের প্রথম মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজপোর্টাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের। জার্সি পরে ৯ ফুটবলার মাঠে নামতেই জানা গেল প্রতিপক্ষ দৈনিক ইত্তেফাকের রিপোর্টাররা তখনো হাজির হয়নি। খেলা শুরুর নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে ফের রেফারি নিলেন বাড়তি ৫ মিনিট।

অপেক্ষা যদি প্রতিপক্ষ দল আসে! তারপরও দেখা নেই দৈনিক ইত্তেফাকের। শেষ পর্যন্ত ওয়াকওভার পেয়ে টুর্নামেন্টের পরের ধাপে এগিয়ে গেল বার্তা!

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566723268321.jpg

অন্য অনেক মিডিয়া হাউজগুলো খেলোয়াড় সঙ্কটে থাকলেও বার্তার রিজার্ভ বেঞ্চও শক্তিশালী। শেষ পর্যন্ত নিজেরাই দুই ভাগে ভাগ হয়ে গা গরমের ম্যাচটাও খেলে নেয়!

ঢাকার রিপোর্টারদের শীর্ষ সংগঠনের এই টুর্নামেন্টে এবার বার্তার প্রতিপক্ষ জিটিভি। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৭ আগস্ট!

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566723329671.jpg

মাংস-পরোটায় শুরু হয়েছিল শেষ হলো ডাবের ঠান্ডা পানিতে গলা ভিজিয়ে। পরের ম্যাচে জয়ের প্রত্যয় নিয়েই মাঠ ছাড়লেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর ফুটবলাররা!

বার্তা ফুটবল দল-
সেরাজুল ইসলাম সিরাজ (অধিনায়ক), মাজেদুল নয়ন, শাহজাহান মোল্লা, খুররম জামান, আপন তারিক, শেখ নাসির, মাহফুজুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন রাসেল, ইশতিয়াক হোসেন ও মবিনুল ইসলাম (ম্যানেজার)।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র