‘ভাগ্য আর আল্লাহ’ ছিলেন মরগান-আদিলদের পাশে

স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ভিন্ন জাতিসত্তা আর সংস্কৃতি কোন বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি আদিল-মরগানদের সামনে

ভিন্ন জাতিসত্তা আর সংস্কৃতি কোন বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি আদিল-মরগানদের সামনে

  • Font increase
  • Font Decrease

অবিশ্বাস্য এক ফাইনাল শেষে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলেছে ইংল্যান্ড। রোববার লর্ডসের ফাইনালে স্বাগতিকদের শিরোপা জয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, বার্বাডোস ও আয়ারল্যান্ড বংশোদ্ভূত ক্রিকেটাররা।

ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগান নিজেই একজন আইরিশ। তাই ফাইনাল শেষে বিশ্ব জয়ে ভিন দেশীদের অবদান স্বীকার করে মরগান জানান, নখ কামড়ানো ও হাইভোল্টেজ ফাইনাল ম্যাচে আইরিশ ভাগ্য আর আল্লাহ উভয় তাদের সঙ্গে ছিলেন।

ফাইনালে ইংল্যান্ড চরম সৌভাগ্যের ছোঁয়া পেয়েছে কী না? এমন প্রশ্নের উত্তরে ডাবলিনে জন্মানো মরগান বলেন, “আমি আদিল রশিদের সঙ্গে কথা বলেছি। সে বলেছে, ‘আল্লাহ অবশ্যই আমাদের সঙ্গে ছিলেন।’ বিশ্ব জয়ের নেপথ্যে কাজ করেছে ভিন্ন জাতিসত্তা আর সংস্কৃতি। এটাই মূলত দলের ক্রিকেটারদের একই সূরে বেঁধেছে।”

মরগানের প্রত্যাশা, ক্রিকেটের জন্মস্থানে বিশ্বকাপের গৌরব ছিনিয়ে নেওয়ার পথে তার দলের ‘অবিশ্বাস্য অভিযাত্রা’ নতুন প্রজন্মকে প্রেরণা যোগাবে।

শুধু লেগ স্পিনার আদিল রশিদই নন। ইংল্যান্ড দলে রয়েছেন আরো একজন মুসলিম ক্রিকেটার। তিনি অলরাউন্ডার মঈন আলি। দুজনই পাকিস্তান বংশোদ্ভূত। তাই তো বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে ইংল্যান্ডের শ্যাম্পেন ছিটানোর উৎসব থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেন দুজনে। জনি বেয়ারস্টো শ্যাম্পেইন ছিটানো শুরু করতেই রশিদ-মঈন দুজনেই দূরে সরে দাঁড়ান।

ইংলিশ দলে তাদের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের আছেন বেন স্টোকস, বার্বাডোসের পেসার জোফরা আর্চার আর ওপেনার জেসন রয় এসেছেন দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

আপনার মতামত লিখুন :