Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

লাল রংয়ে সাজবে লর্ডস!

লাল রংয়ে সাজবে লর্ডস!
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর ক্রীড়া সম্পাদক এম. এম. কায়সারের ক্যামেরায় লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড
স্পোর্টস এডিটর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের বেশির ভাগ অংশেই সাদা রংয়ের ছড়াছড়ি। বুধবার, ১৪ আগস্ট ম্যাচ শুরুর দিন থাকবে একই রং। কিন্তু টেস্টের দ্বিতীয় দিন কিছুটা হলেও বদলে যাচ্ছে রং। দেয়াল বা চেয়ারের রংয়ে এই বদল আসছে না, বদল আসছে পোষাকের রংয়ে!

ম্যাচের দ্বিতীয় দিন লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের রং লালে লাল হয়ে উঠার কথা!

-লাল কেন?

 সেটারও একটা সচেতন এবং কার্যকরী উদ্দেশ্য আছে। ফুসফুসের ক্যান্সার নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। লর্ডসের দর্শকদের সবাইকে লাল রংয়ের ড্রেস পরে মাঠে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে। চিরচেনা ঐহিত্যবাহী লর্ডসের সাদা গ্যালারি টেস্টের দ্বিতীয় দিন লাল হয়ে উঠছে তাহলে।

 মেম্বার্স লাউঞ্জের ভিআইপি দর্শকরাও লাল কোর্ট বা ব্লেজার গায়ে চড়িয়ে খেলা দেখতে আসছে তাহলে?

শুধু তাই নয়, ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া উভয় দলের ক্রিকেটাররা এ দিন লাল রংয়ের টুপি মাথায় দিয়ে নামবেন। ক্রিকেটারদের সাদা জার্সির পেছনে তাদের যে নাম লেখা থাকে তার রংও হবে লাল। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন পুরো লর্ডসে এই লাল রংয়ের ছড়াছড়ি থাকছে।

মুলত রুথ স্ট্রাউস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগেই ফুসফুসের ক্যান্সার সম্পর্কে সাধারণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই এই টেস্টে এই আয়োজন করা হয়েছে।

রুথ স্ট্রাউস ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসের স্ত্রী ছিলেন। ২০১৮ সালে ফুসফুসের জটিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। তার স্মরণে এই ফাউন্ডেশন তৈরি করা হয়েছে। যে ফাউন্ডেশন ফুসফুস ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে চলেছে। এই ক্যান্সার প্রতিরোধ করার জন্য গবেষণার খরচও যোগাচ্ছে রুথ স্ট্রাউস ফাউন্ডেশান। তাছাড়া ফুসফুসের জটিল ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের পাশে এসে দাড়াতেও বেশ ভালো ভুমিকা রাখছে রুথ স্ট্রাউস ফাউন্ডেশন।
 
পাঁচ টেস্টের চলতি অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ১-০ তে এখন এগিয়ে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রথম জয়ের খোঁজে ল্যাম্পার্ড

প্রথম জয়ের খোঁজে ল্যাম্পার্ড
লেস্টার সিটির মুখোমুখি আজ ল্যাম্পার্ডের চেলসি

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চেলসির কোচ হিসেবে অভিষেক হলেও এখনো জয়ের দেখা পাননি ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। আজ রোববার ঘরের মাঠ স্টামফোর্ড ব্রিজে অভিষেকের রাতটা তাই স্মরণীয় করে রাখতে চান এই ইংলিশ কোচ। জয়ের রঙে রাঙিয়ে নিতে চান বিশেষ দিনক্ষণটা। 

ক্লাব চেলসির হয়ে প্রথম জয়ের খোঁজে কোচ ল্যাম্পার্ড আজ মাঠে নামাচ্ছেন সেরা একাদশ। রাত সাড়ে ৯টায় লেস্টার সিটিকে নিজেদের মাঠে আতিথ্য দিবে দ্য ব্লুজ শিবির।

এদিকে লা লিগার নতুন মৌসুমে নতুন মিশন শুরু করছে আজ কোচ দিয়েগো সিমিওনের অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। নিজেদের মাঠে নবাগত স্ট্রাইকার জোয়াও ফেলিক্সকে আক্রমণে রেখে তারা লড়বে গেতাফের বিপক্ষে।

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ-গেতাফের লড়াই ক্রীড়াপ্রেমীরা টিভিতে সরাসরি উপভোগ করবেন রাত ২টা থেকে। ফরাসি লিগ ওয়ানে নেইমারকে ছাড়াই রেঁনের মাঠ সফরে যাচ্ছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি )।

ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনের লাল বলের লড়াই শুরু বিকেল ৪টা থেকে। গল টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় জয়ের লক্ষ্য নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে শ্রীলঙ্কা।

দর্শকদের জন্য থাকছে কাবাডির লড়াইও। প্রো-কাবাডি লিগের ম্যাচ সরাসরি দর্শকরা টেলিভিশনের পর্দায় উপভোগ করতে পারবেন রাত ৮টা থেকে।

চলুন দেখে নেই রোববার টেলিভিশনের পর্দায় কখন কী থাকছে-

ফুটবল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
শেফিল্ড ইউনাইটেড-ক্রিস্টাল প্যালেস
সরাসরি সন্ধ্যা ৭টা
স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট এইচডি ওয়ান

চেলসি-লেস্টার সিটি
সরাসরি রাত সাড়ে ৯টা
স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট এইচডি ওয়ান

লা লিগা
আলাভেজ-লেভান্তে
সরাসরি রাত ৯টা
ফেসবুক লাইভ

এসপানিওল-সেভিয়া
সরাসরি রাত ১১টা
ফেসবুক লাইভ

রিয়াল বেটিস-রিয়াল ভ্যালাদোলিদ
সরাসরি রাত ১টা
ফেসবুক লাইভ

অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ-গেতাফে
সরাসরি রাত ২টা
ফেসবুক লাইভ

বুন্দেসলিগা
ফ্রাঙ্কফুর্ট-হোফেনহেইম
সরাসরি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা
স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট এইচডি টু

ইউনিয়ন বার্লিন-আরবি লিপজিগ
সরাসরি রাত ১০টা
স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট এইচডি টু

ফরাসি লিগ ওয়ান
রেঁনে-পিএসজি
সরাসরি রাত ১টা
বেট৩৬৫

ক্রিকেট
অ্যাশেজ সিরিজ
ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া
দ্বিতীয় টেস্ট, পঞ্চম দিন
সরাসরি বিকেল ৪টা
সনি সিক্স ও সনি টেন টু

শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ড
প্রথম টেস্ট, পঞ্চম দিন
সরাসরি সকাল সাড়ে ১০টা
সনি সিক্স, সনি টেন থ্রি ও জিটিভি

কাবাডি
প্রো-কাবাডি লিগ
সরাসরি রাত ৮টা
স্টার স্পোর্টস টু

গোল্ডেন গার্ল সুলতানা কামাল খুকী

গোল্ডেন গার্ল সুলতানা কামাল খুকী
সুলতানা কামাল খুকী : বাংলাদেশ ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র

বেঁচে থাকলে ৬৭-তে পা রাখতেন তিনি। ক্রীড়াঙ্গনের অদ্বিতীয়া এক নারী অ্যাথলিট- সুলতানা আহমেদ খুকী! বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের স্ত্রী। ক্ষণজন্মা এই নারী ছিলেন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র। ষাটের দশকের গোড়ার দিকে যখন এ দেশের রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থায় মেয়েদের ঘরের বাইরে বেরোনোই কঠিন ছিল সে সময়টাতে তার অ্যাথলেটিকসে যাত্রা।

১৯৬২-৬৩ সালে ঢাকার বকশীবাজার মুসলিম গার্লস স্কুলে পড়াকালীন আন্তঃবিদ্যালয় অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে শুরু এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অ্যাথলেটিক ট্র্যাক দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। অ্যাথলিট হিসেবে তিনি ছিলেন অনন্য অসাধারণ। হার্ডলস, হাইজাম্প এবং ব্রডজাম্প ছিল তার প্রিয় ইভেন্ট। এই তিন ইভেন্টে বরাবরই তিনি দেশে ও বিদেশের মাটিতে অসামান্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।

জন্ম ১৯৫২ সালের ১০ ডিসেম্বর। বেড়ে উঠা পুরান ঢাকার বকশিবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারে। বাবা দবির উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী। মা জেবুন্নেছা বেগম গৃহিণী। নয় ভাই-বোনের মধ্যে ছিলেন অষ্টম এবং বোনদের মধ্যে সবার ছোট। মধ্যবিত্ত পরিবারে ছিলেন সবার খুব আদরের। মাত্র ২৪ বছর বয়সী সুলতানা কামালের ক্যারিয়ার ছিল বর্ণাঢ্যময়। পড়তেন পুরান ঢাকার মুসলিম গার্লস স্কুলে। তারপর গভ: ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বেগম বদরুন্নেসা সরকারী মহিলা কলেজ)। ১৯৬৯ সালে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে। অনার্স শেষে একই বিভাগে ভর্তি হন মাস্টার্সে। ১৯৭৫ সালে মাস্টার্সের লিখিত পরীক্ষাও দেন। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগেই ঘাতকদের হাতে নির্মমভাবে প্রাণ হারান তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566105689273.png

কথাবার্তা, আচার-আচরণ, পারফরম্যান্স সবকিছুতেই ছিলেন অনন্য অসাধারণ। ছিলেন বেশ চটপটে, ছটফটে, হাসিখুশি! দুষ্টুমিতে ছিলেন সেরা। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও খেলার মাঠে তার মানবিক গুণাবলি সবাইকে মুগ্ধ করত। ছোটদের যেমন স্নেহ করতেন আবার বড়দের প্রতিও ছিলেন শ্রদ্ধাশীল। ছিলেন সবার প্রিয় মানুষ, প্রিয় মুখ। মুখে সবসময় হাসি থাকত আর হাসি দিয়েই সবার মন জয় করে নিতেন। ছিল না কোনো অহংকার। এমনকি বঙ্গবন্ধুর পুত্রবধূ হওয়ার পরও ছিলেন সাধারণের মতোই।

বিয়ে ১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই। বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালের সঙ্গে। নিজেদের মধ্যে চেনা জানা থাকলেও বিয়ে হয় পারিবারিক ভাবে। দুই পরিবারের সম্মতিতেই। দুই পরিবারের মধ্যে সখ্য ছিল আগে থেকেই। বিয়ের পর সুলতানা আহমেদ হন সুলতানা কামাল। থাকতেন ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়ির তিন তলায়। ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তিনিও ঘাতকদের নির্মমতার শিকার হন। বিয়ের মাত্র এক মাসের মাথায় মেহেদির রঙ মুছে যাওয়ার আগেই নিহত হন তিনি। ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়ির দোতলার শোবার রুমে ঘাতকের বুলেটের আঘাতে (বুক ও পেটে) রক্তাক্ত অবস্থায় সুলতানা কামালের নিথর দেহটি পড়েছিল অন্য সবার মাঝে। তখনও তার দু’হাতে শোভা পাচ্ছিল সদ্য বিয়ের মেহেদির আলপনা। রক্তের রঙ আর মেহেদির রঙের মাখামাখি হয়ে একাকার হয়ে গিয়েছিল সেদিন।

ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন খেলাধুলায় ছিলেন দারুন পারদর্শী। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শুধু মেধাবী ছাত্রীই ছিলেন না, ছিলেন সবার সেরা অ্যাথলিট। আন্তঃস্কুল ও কলেজ প্রতিযোগিতায় বরাবর শীর্ষস্থান ধরে রাখতেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তৎকালীন পাকিস্তান অলিম্পিকে নতুন রেকর্ড স্থাপন করে স্বর্ণপদক জয়লাভ করেছিলেন (১৯৬৭-৬৮)। একইভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর মূলত তার কারণেই বিশ্ববিদ্যালয় দল জাতীয় পর্যায়ের লড়াইয়ে একাধিক পদক জয় করেছিল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা ব্লু ছিলেন (১৯৬৯-৭০)। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ১৯৭৩, ’৭৪ এবং ’৭৫ সালে পর পর  অংশ নেন এবং রের্কড গড়েন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566105712059.jpg

‘অলইন্ডিয়া রুরাল গেমসে’ লাভ করেন রৌপ্যপদক (১৯৭৩)। ক্রীড়া জগতে অসামান্য অবদানের জন্য ডাকসু তাঁকে বিশেষ পদকে সম্মানিত করে (১৯৭৩)। ১৯৭৩ সালে জাতীয় ক্রীড়ালেখক সমিতি কর্তৃক তিনি সেরা অ্যাথলিটও নির্বাচিত হন। তাছাড়াও নিজ কলেজের শ্রেষ্ঠ অ্যাথলিট পুরস্কার, বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা অ্যাথলিটের পুরস্কার, ব্যাডমিন্টন পুরস্কারসহ আরো অনেক সাফল্য ছিল তার ঝুলিতে। ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পরে তাকে একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক ও ক্রীড়ালেখক সমিতির পুরস্কারেও ভূষিত করা হয়। এসব পুরস্কার থরে থরে সাজানো ছিল ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ঐতিহাসিক বাড়ির একটি কক্ষে। আফসোস, ঘাতকরা তাকে মারার পাশাপাশি তার অর্জনগুলোকেও ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল।

ক্রীড়াক্ষেত্রে ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তার নামে ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স’, বকশিবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোয়ার্টারে থাকতেন, সেখানেও গড়ে তোলা হয়েছে ‘সুলতানা কামাল স্মৃতি কমপ্লেক্স’, তার স্মরণে ঢাকার ডেমরা-তারাবোতে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘সুলতানা কামাল সেতু’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566105733582.jpg

তার মূল বাড়ি ঢাকার মাতুয়াইলে পরিবার ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে চলছে ‘সুলতানা কামাল স্মৃতি পাঠাগার’ কার্যক্রম। এই কৃতি অ্যাথলিটের সুনাম ও দ্যুতি সারা দেশে বিশেষ করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্রীড়ামোদী নতুন মেয়েদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া দরকার। যা এই প্রজন্মের মেয়েদের খেলাধুলার প্রতি উৎসাহ যোগাতে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে সুলতানা কামালের অবদান অনেক। দেশের জন্য তিনি অনেক সুনাম বয়ে এনেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী খেলাধুলায় নিজেকে উৎসর্গ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে তিনি ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। লড়াই, সাহস আর সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ছিল তাঁর চরিত্রে। তাঁর হাস্যোজ্জ্বল দীপ্তিময় মুখাবয়ব এখনও এ দেশের নারী খেলোয়াড়দের জন্যে অন্যরকম এক অনুপ্রেরণার উৎস। তখনকার প্রজন্মের কাছে তিনি ছিলেন রোল মডেল । আমাদের দুর্ভাগ্য, তার মতো গুণী অ্যাথলিটকে আমরা অকালেই হারিয়েছি। পঁচাত্তরের পনের আগস্টে ঘাতকদের হাতে ক্রীড়াক্ষেত্রের এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের জীবনপ্রদীপ চিরতরে নিভে যায়। তাই শোকের এই মাসে বঙ্গবন্ধু, তার পরিবারের সকল শহীদসহ শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি এই কৃতি অ্যাথলিটকে, যিনি মন, মননে, চলায়, বলায়, দর্শনে, অর্জনে সত্যিই ছিলেন একজন গোল্ডেন গার্ল। স্যালুট প্রিয় অ্যাথলিট সুলতানা কামাল খুকি।

লেখক: ভিজিটিং সায়েনটিস্ট, এনাসটাসিয়া মসকিটো কন্ট্রোল, সেন্ট অগাস্টিন, ফ্লোরিডা, আমেরিকা ও সহযোগী অধ্যাপক (ডেপুটেশন), কীটতত্ত্ব বিভাগ, পবিপ্রবি, বাংলাদেশ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র