টুর্নামেন্টের নাম-বঙ্গবন্ধু বিপিএল, থাকছে না ফ্র্যাঞ্চাইজি!

স্পোর্টস এডিটর, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
হঠাৎ করেই বদলে যাচ্ছে বিপিএল!

হঠাৎ করেই বদলে যাচ্ছে বিপিএল!

  • Font increase
  • Font Decrease

বিপিএলের সপ্তম আসর হবে কিনা- তা নিয়ে একটা সংশয়, সন্দেহ তৈরি হয়েছিলো। তবে সব আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর জানিয়েছেন-বিপিএল হচ্ছে। বিপিএলের সপ্তম আসর নতুন এক স্টাইলে হচ্ছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামেই হবে বিপিএলের এবারের আসর। আনুষ্ঠানিক নাম-বঙ্গবন্ধু বিপিএল।

সামনের বছর বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী। তাই নতুন আসরের এই টুর্নামেন্টের নাম তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই রাখা হচ্ছে-বঙ্গবন্ধু বিপিএল।

বিপিএলের আয়োজক সবসময়ে ছিল বিসিবি। এবার তাতে যোগ হয়েছে আরেকটি নতুন ফর্মূলা। নতুন আসরে দলগুলোর মালিকানাও থাকছে বিসিবির হাতেই! অর্থাৎ কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি থাকছে না বিপিএলের সপ্তম আসরের দলগুলোর মালিকানায়। দল গঠন থেকে ম্যাচ পরিচালনা-সবকিছুর একচ্ছত্র দায়িত্ব বিসিবির।

বঙ্গবন্ধু বিপিএল এর প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ৬ ডিসেম্বর। আর টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে ৩ ডিসেম্বর। 

টুর্নামেন্টে এবারো আগের মতো সাতটি দল খেলবে। তবে এই সাতটি দলের প্রত্যেকের পুরো মালিকানা থাকবে বিসিবির হাতে। বিসিবির আয়োজনেই ড্রাফটের মাধ্যমে ঠিক হবে কোন ক্রিকেটার কোন দলে খেলবে। প্রতিটি দলের খরচাদি বিসিবি মেটাবে। তবে কোন কোন প্রতিষ্ঠান যদি কোন দলকে স্পন্সর করতে চায় সেই সুযোগটা থাকছে। তবে দলগুলোর মালিকানা এবার আগের মতো বিসিবি কারো কাছে হস্তান্তর করছে না।

সপ্তম আসরের বিপিএল আয়োজনে বিসিবি হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্ত কেন নিলো?

কারণ আর কিছু নয়। এবারের আসরের আগে বিভিন্ন দলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো যে বিস্তর দাবিদাওয়া নিয়ে বিসিবির কাছে হাজির হয়েছিলো সেটা মানা তাদের পক্ষে সম্ভব না। বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি আক্ষেপ করে তারা বিপিএলে অংশ নিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিই এই টুর্নামেন্ট থেকে আর্থিকভাবে লাভের মুখ দেখতে পায়নি। তাই এই আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে উঠার জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো বিসিবি’র কাছে গেটমানি থেকে শুরু করে টুর্নামেন্টের লাভের একটা লভ্যাংশ দাবি করে।

বৈঠকে বসে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের এই দাবিগুলো শুনে বিসিবি। আর ১১ সেপ্টেম্বর বিসিবি সভাপতি নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন।

ফ্র্যাঞ্চাজিগুলোর কাছে বিসিবি যে চার বছরের জন্য দলগুলোর মালিকানাগুলো হস্তান্তর করেছিলো তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে গত আসরের শেষেই। তাই নতুন আসর অর্থাৎ সপ্তম আসর শুরুর আগে দলগুলোর মালিকানা বিসিবি কার কাছে বিক্রি করবে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার একটা বিষয় ছিলো।

সেই সিদ্ধান্তটাই বিসিবি জানিয়ে দিলো-টুর্নামেন্টের সপ্তম আসরের আয়োজক তারা। মালিক তারা। পরিচালক তারা। অস্টম আসর থেকে বিপিএলের মালিকানা আবার কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে বিক্রি করা হবে কিনা- সেই সিদ্ধান্ত পরে নেবে বিসিবি।

আপনার মতামত লিখুন :