মস্কোর ঘন্টা বাজার অপেক্ষায়

 

বিশ্বকাপের বাঁশি বাজতে আর বেশি দেরি নেই। মস্কোর ঘণ্টা টান পড়লেই লুজনিকি স্টেডিয়ামে বাঁশিতে ফু দেবেন আর্জেন্টাইন রেফারি নেস্তর পিতানা। দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ বিশ্বকাপ ফুটবল ঢাকার সময় রাত ৯টায় এক করে নেবে বিশ্বকে। রাশিয়াও প্রস্তুত বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাজজ্ঞ সম্পন্ন করতে।

বিশ্বকাপের উন্মাদনা বাড়াতে প্রোমো ছাড়া হয়েছে অনেক আগেই। ফুটবল অনুরাগীদের জাগিয়ে তুলতে চেষ্টার কমতি রাখেনি ফিফা এবং রাশিয়া।

দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ- স্মরণী করে রাখতে, ইতিহাসের সর্বোচ্চ দর্শক সমাগম ঘটাতে, ফিফার মাধ্যমে নানা পদক্ষেপ নিয়ে রাশিয়া। টিকিট কিনলেই ফ্যান আইডি দেয়া হয়েছে দর্শকদের। অর্থাৎ ভিসা ফ্রি প্রবেশাধিকার পেয়েছেন দর্শক।

ভিসা নিয়েও লাখ লাখ সমর্থক বিশ্বকাপ ভেন্যুতে যাচ্ছেন। শুধু বিশ্বকাপের খেলা নয়, বিশ্বের সর্ববৃহত দেশ রাশিয়া ঘুরে দেখার দারুণ এক সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন ভ্রমণ পিপাসুরা।

সমানতান্ত্রিক রাশিয়ায় এমনিতে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারে কড়াকড়ি থাকলেও বিশ্বকাপে উন্মুক্ত। ফিফা অ্যাক্রেডিটেশন ধারি সাংবাদিক, টিভি ক্রু এবং সিটি প্রেস সেন্টারের আমন্ত্রণ নিয়ে হাজার হাজার মিডিয়া কর্মীর সমাগম এখন রাশিয়ায়। মিডিয়ার মাধ্যমে রাশিয়া এখন দেশে দেশে।

মস্কোর বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজক ১১টি শহর উৎসবের নগরিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বকাপের ৩২টি দলই পৌঁছে গেছে ভেন্যুতে। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে প্রস্তুতি শুরু করেছেন লিওনাল মেসিরা।

একই সঙ্গে বিশ্বের নানা দেশের রাষ্ট্রোনায়ক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, ফিল্ম স্টাররাও রাশিয়াতে পড়ি জমিয়েছেন। ১৪ জুন মস্কোর ঘন্টা বেজে উঠার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকাপের ২১তম আসরের পর্দা উঠবে লুজনিকি স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে। ভেন্যুতে ৮০ হাজার দর্শক উপস্থিত থেকে উপভোগ করবেন ৩০ মিনিটের জঁকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ১৫ জুলাই এই জুলনিকি স্টিডিমেই ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে পর্দা নামবে টুর্নামেন্টের। আপাতত শুরুর বাঁশি নিয়েই যত উন্মাদনা। ঘড়ির কাটা চলছে শেষ মুহূর্তের কাউন্ট-ডাউন। দিন, ঘন্টা, মিনিট পেরিয়ে ক্ষণগণনার কাটা শূন্যে এলেই বাজবে লিভ ইট আপ।

 

 

খেলা এর আরও খবর