বাগেরহাটে সজ্জিত হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পূজামণ্ডপ!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বাগেরহাটে সজ্জিত হচ্ছে  শিকদার বাড়ির পূজামণ্ডপ- ছবি: মানজারুল ইসলাম।

বাগেরহাটে সজ্জিত হচ্ছে শিকদার বাড়ির পূজামণ্ডপ- ছবি: মানজারুল ইসলাম।

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা। আগামী ১৪ অক্টোবর পঞ্চমী ও ১৫ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গোৎসব। এ বছর দেবী আসবে ঘোটকে অর্থাৎ ঘোড়ায় চড়ে। দেবী মায়ের গমন হবে দোলায় চেপে।

আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বাগেরহাট জেলার চুলকাঠি বাজারের পাশে হাকিমপুর গ্রামের শিকদার বাড়ি পূজামণ্ডপে চলছে প্রতীমা তৈরির কাজ। এ বছর সর্বোচ্চ ৭০১টি প্রতিমায় বিশেষভাবে সাজানো হচ্ছে এ মণ্ডপ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/05/1536130980670.jpg

আয়োজকদের দাবি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রতিমা নিয়ে তৈরি বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের শিকদার বাড়ির এ পূজামণ্ডপ।

পবিত্র ধর্মগ্রন্থ রামায়ণ ও মহাভারতের চারযুগের দেবদেবীর নানা কাহিনী অবলম্বনে হিন্দু ধর্মের হাজার বছরের পুরাতন পৌরাণিক কাহিনীকে প্রাধান্য দিয়ে তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মূর্তি দিয়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/05/1536131003487.jpg

বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) পূজা মণ্ডপের প্রধান ভাস্কর খুলনার কয়রা উপজেলার হাতিয়ার ডাঙ্গা গ্রামের শিল্পী বিজয় কৃষ্ণ বাছার বলেন, `গত বৈশাখ মাস থেকে ১৫ জন প্রতিমা শিল্পীসহ পূজা মণ্ডপের কাজ শুরু করেছি। ৬ মাস ধরে এ মণ্ডপ তৈরির কাজ করছি। দর্শনার্থীদের জন্য প্রতি বছরই নতুনত্ব আনার চেষ্টা করি। প্রতীমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ, এখন চলছে রঙ আর সাজসজ্জার কাজ।‘

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/05/1536131027848.jpg

শিকদারবাড়ি দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি পূজার আয়োজক দুলাল শিকদার দাবি করেন, শুধু বাগেরহাট নয় এ পূজামণ্ডপে বিশ্বের সব থেকে বেশি প্রতিমা রয়েছে। ২০১০ সাল থেকে ব্যক্তি উদ্যোগে এ পূজা মণ্ডপ তৈরি করা হচ্ছে। এখানে নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরাসহ সকল আধুনিক সুবিধা থাকবে।

বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের শিকদার বাড়ির এ পূজামণ্ডপে রামায়ণ ও মহাভারতের বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনীতে সনাতন ধর্মের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও এখানে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকেও পূজারি, ভক্ত, দর্শনার্থী ও পুণ্যার্থীরা আসেন।

আপনার মতামত লিখুন :