মানহীন সার বিক্রি করলে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংসদ অধিবেশন।

সংসদ অধিবেশন।

  • Font increase
  • Font Decrease

নিবন্ধনহীন ও মানহীন রাসায়নিক, জৈব, জীবানু বা বায়ো ফার্টিলাইজার, মিশ্র সুষম সার উৎপাদন, আমদানি, বিপণন, পরিবহন ও বিক্রয়ের জন্য ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে পাস হয়েছে সার ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) বিল ২০১৮।

রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের ২২তম অধিবেশনে গতকালের বৈঠকে বিলটি সংসদে স্থিরকৃত আকারে সার ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) বিল ২০১৮ পাস হয়। বিলটি পাস করার প্রস্তাব করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। এর আগে বিলের ওপর আনীত বছাই কমিটিতে প্রেরণ, জনমত যাচাই ও সংশোধনীসমুহ কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

বিলে প্রচলিত আইনে সংশোধনী এনে, মান নির্ধারণ ছাড়া কোন রাসায়নিক সার, জৈব সার, জীবাণু সার, মিশ্র সুষম সার, উদ্ভিদ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি সার বাজারজাত করার আগে সরকারের অনুমোদন নেওয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, কোন সার পরীক্ষায় যদি নমুনা সার পরিবেশ দুষণকারী বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে আপিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সরকারের নির্দেশিত পন্থায় নিজ খরচে লটের সমুদয় সার বা কাঁচামাল বিনষ্ট করতে হবে। আগের আইনে মানহীন সার বাজারজাত করার দণ্ড ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, কৃষিকাজে ব্যবহার্য সার ও সারজাতীয় দ্রবাদি উৎপাদন, বিক্রয় ও সংশ্লিষ্ট কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণকল্পে সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬ প্রণীত হয়।

পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আইনটি সংশোধিত হয়। নতুন উদ্ভাবিত সার বা সার জাতীয় দ্রব্যেও নিয়ন্ত্রণের জন্য নিবন্ধন ব্যতীত সার ও সারজাতীয় দ্রবাদি উৎপাদন, আমদানি, সংরক্ষণ, বিতরণ, বিপণন, পরিবহন, বিক্রয়ের জন্য দণ্ড ও শাস্তির মেয়াদ পুন: নির্ধারিণ এবং সংশোধন, পরিমার্জন ও সময়োপযোগী করে সার ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন ২০১৮ প্রণীত হয়।

আপনার মতামত লিখুন :