Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মন্ত্রীর পা ধরেও চাষাঢ়া-আদমজী সড়কের কাজ শুরু হয়নি: শামীম ওসমান

মন্ত্রীর পা ধরেও চাষাঢ়া-আদমজী সড়কের কাজ শুরু হয়নি: শামীম ওসমান
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সংসদ থেকে: প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি সত্বেও চাষাঢ়া-আদমজী সড়কের কাজ শুরু না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের ২২তম অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান সম্পূরক প্রশ্নে এ আক্ষেপ প্রকাশ করেন।

সম্পূরক প্রশ্নে দাঁড়িয়ে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি তার হাত ধরে ছাত্র রাজনীতিতে এসেছি, তার পায়ের কাছে বসে রাজনীতি শিখেছি। তিনি এখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। একইসঙ্গে সড়ক ও সেতু মন্ত্রী। প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুত নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া-আদমজী সড়কের কাজ শুরু করার জন্য তাই তার পায়ে কাছে বসে অনুরোধ করেছি। কিন্তু তিন বছর চেষ্টা করে চাষাড়া থেকে আদমজি পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করতে পারিনি। ওই রাস্তাটি হলে ৬ লক্ষাধিক মানুষ উপকৃত হবে।

জবাবে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, চাষাঢ়া-আদমজী সড়কের কাজটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আছে। জায়গাটি রেলের। তারপরও আমি রেল মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। কাজটি দ্রুত শুরুর জন্য আমি আবার পরিকল্পনা মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করবো।

এরআগে শামীম ওসমান বলেন, চাষাঢ়া-আদমজী রাস্তাটি আগে রেলওয়ের ছিলো। রেলওয়ের কাছ থেকে এই জায়গাটি অবমুক্ত করতে দুই বছর সময় লেগেছে।

তিনি আরো বলেন, মন্ত্রীর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তিনি (শামীম ওসমান) ঘোষণা দিয়ে ছিলেন ওই রাস্তাটির কাজ দ্রুত শুরু হবে। মন্ত্রী ডিপিপিতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে ছিলেন। ডিপিপিতে কিছু ত্রুটি থাকায় পরিকল্পনা কমিশন সেটি ফেরত দিয়েছিলো। ত্রুটি সংশোধন করে আবারো পরিকল্পনা মন্ত্রণালায়ে পাঠানো হয়েছে। সেটি ৪ থেকে ৫ মাস হয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কিনা সিদ্ধান্ত অক্টোবরে

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কিনা সিদ্ধান্ত অক্টোবরে
সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ডেপুটি প্রসিকিউটর জেমস স্টুয়ার্ট/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ডেপুটি প্রসিকিউটর জেমস স্টুয়ার্ট বলেছেন, ‘চলতি বছর অক্টোবরে আইসিসির বিচারকরা ঠিক করবেন মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করবেন কিনা।’

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সফররত আইসিসি প্রতিনিধিদলের প্রধান জেমস স্টুয়ার্ট।

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের ঘটনা জানতে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ঢাকায় আসে প্রতিনিধিদলটি। তিন দিনের এ সফরে তারা রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে জানতে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এর আগে এই প্রতিনিধিদলটি পররাষ্ট্র, আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। বুধবার প্রতিনিধিদলটি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী এলাকা পরিদর্শন করে।

জেমস স্টুয়ার্ট বলেন, আমরা আইসিসিতে তথ্য উপাত্ত জমা দেবো। আইসিসি নির্ধারণ করবে বিচার করবে কি-না।  এটার সম্পূর্ণ এখতিয়ার আইসিসি ও বিচারকের। মিয়ানমার আইসিসির সদস্য না হওয়া সত্তেও একটি অপরাধ অন্য প্রান্তে সংগঠিত হয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্তে ভুক্তভোগীরা আশ্রয় নিয়েছে। তাদের স্বার্থে এ বিচার শুরু হতে পারে।

 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালত এখনও মিয়ানমার যায়নি। আমরা মিয়ানমারে যাওয়ার চেষ্টা করব। বিচারকার্য শুরু হলে মিয়ানমারকে আহ্বান জানাব যাতে বিচারকাজে অংশগ্রহণ করে।   

চার দফা দাবিতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

চার দফা দাবিতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
চার দফা দাবিতে মানববন্ধন নার্সিং শিক্ষার্থীরা, ছবি: সংগৃহীত

চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইন নার্সিংয়ের ইন্টার্ন ভাতা ও স্টাইপেন্ড বৃদ্ধিসহ চার দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ বেসিক গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করে তারা।

মানববন্ধনে নাসিং শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কারিকুলাম দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই কারিকুলামের বিভিন্ন ফাউন্ডেশন কোর্স সমূহ বিভিন্ন প্রফেশনাল কোর্সে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে কোর্সগুলো অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আর এতে বাংলাদেশ বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং কোর্স তার মান হারাবে বলে আমরা মনে করছি।

তারা আরও বলেন, এ বিষয়ে আমরা লিখিত ও মৌখিকভাবে একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করি। কিন্তু তারা আজ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো যৌক্তিক উত্তর আমাদের দেননি। অন্যদিকে বেসিক বিএসসি ইন নার্সিংয়ের কোর্স শেষে ৬ মাস ইন্টার্ন চালু রয়েছে। ২০১৪ সালে ৬ মাস ইন্টার্ন যুক্ত হয় এবং এর ভাতা নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার টাকা। বর্তমান সময়ে যেটা ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করা আমাদের সময় উপযোগী দাবি।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ বেসিক স্টুডেন্ট নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের অন্তর্ভুক্ত শতাধিক নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র