বছরে ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে তিন লাখ মানুষ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সংসদ থেকে: দেশে প্রতিবছর প্রায় তিন লাখেরও বেশি মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

তিনি বলেছেন, বছরে ক্যানসার আক্রান্ত এক লাখ রোগী মারা যাচ্ছে। তামাক, দূষণ, অনিরাপদ খাদ্যাভ্যাসের কারণে এ ধরনের রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা ও চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণসহ বাস্তবায়ন করেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে এম. আবদুল লতিফের (চট্টগ্রাম-১১) এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এরআগে বিকাল সোয়া ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ক্যান্সার চিকিৎসার পরিধি বৃদ্ধা, সহজলভ্য ও মানোন্নয়নে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জাতীয়ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালকে ২০০৯ সালে ৫০ শয্যা হতে ১৫০ শয্যায় এবং ২০১৫ সালে ১৫০ শয্যা হতে ৩০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যানসার ইউনিটের শয্যা সংখ্যাও বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ক্যানসার চিকিৎসার ঔষধ (কেমোথেরাপি) উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিনামূল্যে রোগীদের প্রদান করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, দরিদ্র রোগীদের জন্য হাসপাতালের সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে বিশেষ অনুদান দেয়া হচ্ছে। জাতীয় ক্যানসার গবেষণা-ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যানসার চিকিৎসার জন্য অত্যাধুনিক রেডিওথেরাপি চিকিৎসার আধুনিক নতুন মেশিন ইতোমধ্যেই সংযোজন করা হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে মহিলাদের জরায়ুমুখে ক্যানসার চিকিৎসার জন্য কয়েকটি ব্রাকিথেরাপি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।

ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারির এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ন্ত্রণ ও ফি নির্ধারণের Ther Medical Practice & Private Clinic & labour Regulation Ordinance 1982 নামক অধ্যাদেশ ১৯৮২ সাল থেকে কার্যকর আছে। যার মাধ্যমে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে। ইতোমধ্যে যুগোপযোগী করে এগুলোর নতুন ফি নির্ধারণপূর্বক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। যার  মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। উক্ত আদেশটিকে আরো যুগপোযোগীকরণ/ সংশোধনের প্রক্রিয়া বা আইন প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান আছে।

আপনার মতামত লিখুন :