Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

পাখিগুলো উড়ে গেল আপন ঠিকানায়

পাখিগুলো উড়ে গেল আপন ঠিকানায়
পাখিগুলো উড়ে গেল আপন ঠিকানায়। ছবি: বার্তা২৪.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পাখির নাম ‘টিয়া পাখি’। লটকনা ও চন্দনা প্রজাতির ওই টিয়া পাখি বিক্রির উদ্দেশে এক ব্যক্তি ছুটছেন সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের রাস্তায় রাস্তায়। একটি পাখি বিক্রিও করেছেন। অবশ্য বাকি পাখিগুলো মুক্ত করে দিয়েছেন পরিবেশকর্মী ও বন কর্মকর্তারা।

সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার-বন্দরবাজার ও পাড়া মহল্লায় প্রায়ই দেখা মিলে পাখি বিক্রেতাদের। বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে জিন্দাবাজার এলাকায় একজন বিক্রেতা বিক্রির উদ্দেশে ৪টি দেশীয় টিয়া পাখি নিয়ে ঘুরছেন। পেছন থেকে তাকে ফলো করছেন একজন পরিবেশকর্মী।

অপরদিকে পাখি বিক্রির এ খবর পান বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম। তিনিও ওই ঘটনাস্থলে চলে আসেন। তারা দুজন মিলে পাখি বিক্রেতাকে আটক করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/10/1539180180524.jpg

এ সময় উপস্থিত জনতার মধ্যে বয়স্ক দু'একজন এবারের মতো ক্ষমা করে দিতে বলেন। পরে ক্ষমা করে দেয়া হয় ওই পাখি বিক্রেতাকে। এরপর পাখিগুলোকে নিয়ে যাওয়া হয় টিলাগড় ইকোপার্কে। মুক্ত করে দেয়ার পর তারা ছুটে যায় আপন ঠিকানায়। পাখি চারটির মধ্যে ২টি লটকন টিয়া ও ২টি চন্দনা টিয়া ছিল।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম জানান, পাখি বিক্রি আইনের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ। দেশীয় পাখি আমাদের পরিবেশ রক্ষা করার জন্য জরুরি। তাই এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। যারা পাখি শিকারের সঙ্গে জড়িত তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।

বন বিভাগের পক্ষে টিলাগড় বন বিট কর্মকর্তা চয়নব্রত চৌধুরী জানান, তারা খবর পেলেই ব্যবস্থা নিচ্ছেন। কোথাও পাখি বিক্রি করতে দেখলে বন বিভাগকে খবর দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম
মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আয়েশি ঘুম/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন স্থানীয়, সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলায় ব্যস্ত। তবে অনুষ্ঠানের এ মঞ্চে দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন একজন। আর তিনি হলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে তিনি দফায় দফায় ঘুম দিচ্ছেন। কখনও ঘুমে দুলুনি খাচ্ছেন, কখনও আবার হঠাৎ চমকে উঠছেন। কোনো কোনো সময় মুখ হা করে বিরাট হাই তুলছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566400999878.jpg

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভায় এমন আয়েশি ভঙ্গিতে ধরা পড়লেন সচিব হেলালুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401016016.jpg

মন্ত্রীর কারণে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় আরও দেরিতে। এরপর মন্ত্রীর ডান পাশের চেয়ারে বসেন সচিব হেলালুদ্দীন আর বাম পাশে বসেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে মেয়র কথা বলার পর বক্তব্য শুরু করেন মন্ত্রী। তার বক্তৃতার পুরো সময় সচিব কখনো হাই তুলেছেন, আবার কখনো দুই হাত বুকের ওপর রেখে ভঙ্গিতে ঘুম দিয়েছেন। মাঝে মাঝে দুই চোখ খুললেও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলেন। মন্ত্রী যখন বক্তৃতা করছিলেন তখন মাঝে মাঝেই সচিব চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401037611.jpg

সম্প্রতি দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসন কর্মকর্তারা বেশ দৌড়ের ওপর রয়েছেন। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমালোচনাও সইতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলকে। এর মধ্যে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরকারের একজন আমলার এভাবে ঘুমানোকে বেমানান বলছেন সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:  রোববার থেকে চিরুনি অভিযান, লার্ভা পেলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের..

ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুঃখ..

কসমেটিক উন্নয়ন নয়, গ্রাম-শহরের ব্যবধান কমাতে হবে: শিল্পমন্ত্রী

কসমেটিক উন্নয়ন নয়, গ্রাম-শহরের ব্যবধান কমাতে হবে: শিল্পমন্ত্রী
শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, ছবি: সংগৃহীত

কসমেটিক উন্নয়ন নয়, গ্রাম-শহরের সত্যিকার ব্যবধান কমাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাস্তবসম্মত কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

বুধবার (২১ আগস্ট) মতিঝিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ পরামর্শ দেন মন্ত্রী। সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এ সভার আয়োজন করে।

তিনি লুটেরা শ্রেণিকে ধনী বানানোর পরিবর্তে গ্রামের অবহেলিত মানুষের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রাখার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্য অর্জনে কাজ করতে সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের বিশাল যুব জনগোষ্ঠীকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড হিসেবে উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, 'তাদেরকে উৎপাদন ও উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করা গেলে বাংলাদেশকে কোনোভাবেই দাবিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এ দায়িত্ব ব্যাংকিং খাতের ওপর বর্তায়।' তিনি উন্নয়নের সমতার জন্য গ্রাম পর্যায়ে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির তাগিদ দেন।

৭৫ এর ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড কোনো পারিবারিক হত্যাকাণ্ড ছিল না উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, 'এটি ছিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অভিযাত্রাকে থামিয়ে দিতে পরাজিত শক্তির সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতাকে হত্যা করার অপচেষ্টা হয়েছিল। একইভাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করতেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই সূত্রে গাথা।'

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার দ্রুত সমাপ্ত করে এর রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, 'ঋণের সমতার মাধ্যমে উন্নয়নের সমতা নিশ্চিত করতে হবে। গ্রামের মানুষের টাকা এনে শহরে বিনিয়োগ করলে উন্নয়নের সমতা আসবে না। দেশে যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে ওঠছে, সেগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে হবে।'

সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একেএম কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ। অন্যদের মধ্যে সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুল আলম তালুকদার, ইমতিয়াজ আহমেদ, ড. দৌলতুন্নাহার খানম বক্তব্য রাখেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র