Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

আদালতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রাতেই  তদন্ত প্রতিবেদন জমা

আদালতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রাতেই  তদন্ত প্রতিবেদন জমা
ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রেনেড হামলা মামলার রায় প্রদানের সময় নাজিমউদ্দিন রোডের বিশেষ আদালতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নের ঘটনায় গঠিত মন্ত্রণালয়ের কমিটি বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) রাতের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে যাচ্ছে।

বার্তা২৪.কম কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যুৎ যুগ্ম সচিব শেখ ফায়েজুল করীম।

সন্ধ্যা ৭ টায় তিনি জানান, আমরা ওই দিন রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখন বেশ কিছু সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে যাচ্ছি। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, পুরান ঢাকার নন স্ট্যান্ডার্ড লাইনগুলো আপগ্রেড করা, লাইনগুলো মাটির নীচ দিয়ে নেওয়াসহ বেশকিছু সুপারিশ।

কারো কোনো গাফিলতি পাওয়া গেছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ ফায়েজুল করীম বলেন, এখনই এ বিষয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না। তবে তারা রায়কে কেন্দ্র করে সেখানে আগেই গ্যাংসহ একটি টিম রেডি রেখেছিলাম। তবে বিকল্প হিসেবে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখলে এমন বিড়ম্বনা এড়ানো যেতো।

এই কমিটির অপর ৩ সদস্য হচ্ছেন ডিপিডিসির (ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি) নির্বাহী প্রকৌশলী এটিএম হারুন উর রশীদ, পিজিসিবির  প্রধান প্রকৌশলী প্রনব কুমার রায়, বিদ্যুৎ উন্নয়ণ বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখ ওয়াহিদুজ্জামান।

বুধবারের (১০ অক্টোবর) ওই ঘটনায় ডিপিডিসির লালবাগ এনওসিএস'র চার স্টাফকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

গতকাল বুধবার পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে অবস্থিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে (অস্থায়ী) বহুল আলোচিত গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় অন্ধকারে ছিল আদালত কক্ষ।

বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে রায় পড়া শুরু করেন বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন। ওই সময়েই আদালত কক্ষের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে আদালতের একজন কর্মকর্তা মোবাইলের টর্চ বের করে আলো দিতে থাকেন। এর মধ্যে একবার বিদ্যুৎ এলেও কয়েক মিনিট পরেই আবারো চলে যায়।

ঐতিহাসিক এ রায় ঘোষণার দিনে আদালত চত্বরে বিদ্যুৎ না থাকায় দায়িদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় বিদ্যুৎ বিভাগ। কর্মকর্তাদের বরখাস্তের পাশাপাশি তদন্ত কমিটিও গঠন করারও নির্দেশ দেয়। কমিটিকে বৃহস্পতিবারের (১১ অক্টোবর) মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিলো।

আরও পড়ুন, আদালতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, এনওসিএস‘র সব স্টাফ বরখাস্ত

অন্ধকার কক্ষে মোবাইলের টর্চের আলোয় রায় পড়েন বিচারক

আপনার মতামত লিখুন :

উন্নয়নে রংপুর পিছিয়ে থাকবে না: নবাগত ডিসি

উন্নয়নে রংপুর পিছিয়ে থাকবে না: নবাগত ডিসি
রংপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আসিব আহসান, ছবি: বার্তা২৪

রংপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আসিব আহসান বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও রংপুরকে এগিয়ে নিতে চাই। সরকার দারিদ্র বিমোচন, কর্মসংস্থান ও সুষম উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। উন্নয়ন থেকে রংপুর পিছিয়ে থাকবে না।'

মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে রংপুরে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি বলেন, 'খাদ্য শষ্যের ভাণ্ডারখ্যাত পিছিয়ে পড়া রংপুরের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। এই জেলাতে নদীভাঙন রোধ, যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, বিসিকের দ্বিতীয় শিল্প নগরী, আইটি পার্ক ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হবে। শুধু তাই নয়, করিগরি শিক্ষার মাধ্যমে জেলায় ব্যাপক কর্মসংস্থানে জোর দেওয়া হয়েছে।'

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সৈয়দ এনামুল কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় রংপুরের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন সাংবাদিকরা।

ডিসি বলেন, 'রংপুর জেলা যাতে পিছিয়ে না থাকে সেজন্য বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যমান সমস্যা সমূহ নিরসনে সবার সাথে আলোচনা করা হবে। ছোট ছোট সমস্যাগুলো যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করা হবে।'

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক ফরহাদ হোসেন, সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) মাহমুদ হাসান, এনডিসি রায়হানুল ইসলাম সহ রংপুর প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব, সিটি প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, ভিডিও জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, রংপুর জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনেরর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

যক্ষ্মা শনাক্ত ও চিকিৎসায় ইউএসএআইডি’র সহায়তা জোরদার

যক্ষ্মা শনাক্ত ও চিকিৎসায় ইউএসএআইডি’র সহায়তা জোরদার
অংশীদারিত্ব বিবৃতির (এসপি) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের একটি মুহূর্ত, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ থেকে যক্ষ্মা রোগ নির্মূল করার জন্য নিজ নিজ অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি)।

নতুন এই অংশীদারিত্ব বিবৃতিতে (এসপি) স্বাক্ষর করেছেন তারা। যার মধ্য দিয়ে ২০২২ সালের মধ্যে যক্ষ্মা রোগের প্রকোপ হ্রাস করতে একটি যৌথ কাঠামো প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিবৃতি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউএসএআইডি মিশন পরিচালক ডেরিক ব্রাউন বলেন, ‘ইউএসএআইডি বাংলাদেশের সব ধরনের অচিহ্নিত যক্ষ্মা (টিউবারকুলোসিস বা সংক্ষেপে টিবি) শনাক্ত, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মপ্রচেষ্টায় জোরালো সহযোগিতা করবে।’

বাংলাদেশকে আগামী পাঁচ বছরে ১৫ লাখেরও বেশি নতুন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত করে তাদের চিকিৎসা করতে হবে উল্লেখ করে ব্রাউন আরও বলেন, ‘আজ অংশীদারিত্ব বিবৃতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ সরকারের ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে, যখন কিনা দেশটি ২০২২ সাল নাগাদ তাদের লক্ষ্য অর্জনের প্রচেষ্টা জোরদার করছে।’

২০১৮ সালে বাংলাদেশ ২৫ লাখেরও বেশি যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসা করেছিল। তবে প্রায় ২৬ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনাই অচিহ্নিত থেকে যায়। মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স (এমডিআর) অর্থাৎ একাধিক ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা ও শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে অচিহ্নিত থাকার হার আরও বেশি।

উল্লেখ্য, ইউএসএআইডি’র মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশকে ৭শ’ কোটি ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা দিয়েছে। ২০১৮ সালে সংস্থাটি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রায় ২১ কোটি ৯০ লাখ ডলার দিয়েছিল। এসবের মধ্যে ছিল খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও অনুশীলন এগিয়ে নেওয়া, পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার সামর্থ্য বৃদ্ধি বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র