Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

আদালতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রাতেই  তদন্ত প্রতিবেদন জমা

আদালতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রাতেই  তদন্ত প্রতিবেদন জমা
ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রেনেড হামলা মামলার রায় প্রদানের সময় নাজিমউদ্দিন রোডের বিশেষ আদালতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নের ঘটনায় গঠিত মন্ত্রণালয়ের কমিটি বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) রাতের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে যাচ্ছে।

বার্তা২৪.কম কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যুৎ যুগ্ম সচিব শেখ ফায়েজুল করীম।

সন্ধ্যা ৭ টায় তিনি জানান, আমরা ওই দিন রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখন বেশ কিছু সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে যাচ্ছি। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, পুরান ঢাকার নন স্ট্যান্ডার্ড লাইনগুলো আপগ্রেড করা, লাইনগুলো মাটির নীচ দিয়ে নেওয়াসহ বেশকিছু সুপারিশ।

কারো কোনো গাফিলতি পাওয়া গেছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ ফায়েজুল করীম বলেন, এখনই এ বিষয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না। তবে তারা রায়কে কেন্দ্র করে সেখানে আগেই গ্যাংসহ একটি টিম রেডি রেখেছিলাম। তবে বিকল্প হিসেবে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখলে এমন বিড়ম্বনা এড়ানো যেতো।

এই কমিটির অপর ৩ সদস্য হচ্ছেন ডিপিডিসির (ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি) নির্বাহী প্রকৌশলী এটিএম হারুন উর রশীদ, পিজিসিবির  প্রধান প্রকৌশলী প্রনব কুমার রায়, বিদ্যুৎ উন্নয়ণ বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখ ওয়াহিদুজ্জামান।

বুধবারের (১০ অক্টোবর) ওই ঘটনায় ডিপিডিসির লালবাগ এনওসিএস'র চার স্টাফকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

গতকাল বুধবার পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে অবস্থিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে (অস্থায়ী) বহুল আলোচিত গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় অন্ধকারে ছিল আদালত কক্ষ।

বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে রায় পড়া শুরু করেন বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন। ওই সময়েই আদালত কক্ষের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে আদালতের একজন কর্মকর্তা মোবাইলের টর্চ বের করে আলো দিতে থাকেন। এর মধ্যে একবার বিদ্যুৎ এলেও কয়েক মিনিট পরেই আবারো চলে যায়।

ঐতিহাসিক এ রায় ঘোষণার দিনে আদালত চত্বরে বিদ্যুৎ না থাকায় দায়িদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় বিদ্যুৎ বিভাগ। কর্মকর্তাদের বরখাস্তের পাশাপাশি তদন্ত কমিটিও গঠন করারও নির্দেশ দেয়। কমিটিকে বৃহস্পতিবারের (১১ অক্টোবর) মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিলো।

আরও পড়ুন, আদালতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, এনওসিএস‘র সব স্টাফ বরখাস্ত

অন্ধকার কক্ষে মোবাইলের টর্চের আলোয় রায় পড়েন বিচারক

আপনার মতামত লিখুন :

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার বেড়েছে

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার বেড়েছে
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের গত তিন মাসে (এপ্রিল থেকে জুন) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার আগের তুলনায় বেড়েছে।

সোমবার (২৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

গত তিন মাসে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৮১ দশমিক ৯৪ শতাংশ, তার আগের তিন মাস জানুয়ারি থেকে মার্চে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গত তিন মাসে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার আগের তিন মাসের তুলনায় ১৫ দশমিক ২৭ শতাংশ বেশি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়েছে সাতটি, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৭২টি, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে ৫৯টি (৮১.৯৪ শতাংশ), বাস্তবায়নাধীন সিদ্ধান্তের সংখ্যা ছিল ১৩টি (১৮.০৬ শতাংশ)।

তিনি আরও জানান, উল্লেখিত সময়ে নীতি বা কর্মকৌশল নেওয়া হয়েছিল একটি, সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল একটি ও সংসদে আইন পাস হয়েছিল ৬টি।

বিশ্বজুড়ে রোহিঙ্গারা গণহত্যার বিচার চাইছে

বিশ্বজুড়ে রোহিঙ্গারা গণহত্যার বিচার চাইছে
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের দু’বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বজনদের গণহত্যার বিচার চেয়েছে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত নৃশংসতার বিচার নিশ্চিত করার জন্য দেশটি থেকে নিপীড়িত রোহিঙ্গারা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে এ বিচার আহ্বান করে।

ডাচ-ভিত্তিক রোহিঙ্গা গোষ্ঠী ইইউ রোহিঙ্গা কাউন্সিলরকে টুইট করে মিয়ানমারের গণহত্যার অপরাধীদের বিচারের জন্য জাতিসংঘ, ইইউ, মার্কিন, ওআইসি (ইসলামী সহযোগী সংস্থা) এবং দক্ষিণ পূর্ব এশীয় জাতিসংঘের সমর্থন চায়।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নৃশংসতা বন্ধে কাজ না করার অভিযোগ তুলে তারা বলেছে, বিশ্ব মিয়ানমারে গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া লোকদের অধিকার অর্জনে নীরব ভূমিকা পালন করছে। তবুও রোহিঙ্গারা তাদের অধিকার পেতে সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। কিন্তু বিশ্ব অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে রেখেছে।

নির্বাসিত রোহিঙ্গা কর্মী রো জা জা নইং টুইট করে বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। দুঃখের বিষয় হলো মিয়ানমারে এই জালিম মানুষদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: রাখাইনে বিদ্রোহী দমন নামে শিশু হত্যায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী

আইরিশ-ভিত্তিক রোহিঙ্গা অ্যাডভোকেসি গ্রুপ স্টেটলেস রোহিঙ্গা এবং রোহিঙ্গা অ্যাকশন আয়ারল্যান্ডও রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের দাবিতে টুইট করেছে।

রোহিঙ্গা অ্যাকশন আয়ারল্যান্ড রোহিঙ্গাকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মিয়ানমারের একটি অনন্য জাতিগোষ্ঠী বলে অভিহিত করেছে। তারা বলেছে, রোহিঙ্গা মূলত মুসলিম জাতিগোষ্ঠী, যারা বহু শতাব্দী ধরে স্বাধীন আরাকান রাজ্যের বাসিন্দা ছিল। তাদের আলাদা ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং বিশ্বাস বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে একটি অনন্য সংখ্যালঘু জাতী হিসেবে গড়ে তোলে।

ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের প্রধান মং জার্নি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়মুক্তির রায় ঘোষণা করার জন্য দেশটির প্রধান নেতাকে অপরাধী বলে অভিহিত করেছেন। তিনি টুইট করে জানান, রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মৃতি দিবসের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে একটি নোবেলজয়ী ব্যাক্তি অং সান সু চি’কে নুরেমবার্গ-যোগ্য অপরাধী হিসেবে দাঁড় করানো উচিৎ।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ভিত্তিক ফরটিফাই রাইটস রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যে তাদের অপরাধের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক জবাবদিহিতার আহ্বান জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গা পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, গণধর্ষণ ও অন্যান্য নির্যাতন করেছিল।

গত সপ্তাহে প্রায়ি ৩ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ব্যর্থ প্রচেষ্টা উল্লেখ করে গবেষক আজিম ইব্রাহিম টুইট করেছেন, ‘কোনো রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়নি। কারণ, তারা তাদের ভাগ্য নিয়ে কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। জাতিসংঘে তাদের নিয়ে যে চিন্তাভাবনা ও কাজ করেছে তাতেও তারা কোনো আশা রাখতে পারেনি।’

গণহত্যার বেঁচে থাকা এবং ব্রিটিশ ভিত্তিক বার্মিজ রোহিঙ্গা সংস্থার প্রধান তুন খিন ২০১৭ সাল থেকে দুই বছরের রোহিঙ্গাদের কষ্টের জীবন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে টুইটারে লিখেছেন, সংকট দেখা দেওয়ার শেষ নেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র