Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

সাভারে কলেজ ছাত্রীর লাশ উদ্ধার

সাভারে কলেজ ছাত্রীর লাশ উদ্ধার
সাভারে কলেজ ছাত্রীর লাশ উদ্ধার, ছবি: প্রতীকী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সাভারে এক কলেজ ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) সকালে সাভারের শোভাপুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সকালে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে ওই কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ দেখতে প্রায় প্রতিবেশীরা। পরে সাভার মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ নিহত কলেজ ছাত্রীল নাম পরিচয় দিতে পারেনি।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আউয়াল বলেন, ময়না তদন্তের পরে জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্য। এ ছাড়া নিহত কলেজ ছাত্রীর নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন :

এফআর টাওয়ার দুর্নীতি, কাসেম ড্রাইসেলের এমডি গ্রেফতার

এফআর টাওয়ার দুর্নীতি, কাসেম ড্রাইসেলের এমডি গ্রেফতার
বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটে/ ফাইল ছবি

এফআর টাওয়ার দুর্নীতি মামলার আসামি কাসেম ড্রাইসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাসভির-উল-ইসলামকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৮ আগস্ট) তার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুন: ভবন নির্মাণে নিয়ম মানেনি রূপায়ণ, চেয়ারম্যানকে খুঁজছে..

তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাসভির-উল-ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার ৩ নম্বর মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

আরও পড়ুন:রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

গত ২৮ মার্চ  বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৭ জন মারা যান। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা অনুমোদনে জমির মালিক এসএমএইচআই ফারুক হোসেন এবং কাশেম ড্রাইসেল ব্যাটারির মালিক ও এফআর টাওয়ারের বর্ধিত অংশের মালিক তাসভির-উল-ইসলাম এবং রাজউকের সংশ্লিষ্ট ইমারত পরিদর্শকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

ফারুক হোসেন ১৯৯৬ সালে তার মালিকানাধীন ১০ কাঠা জায়গাতে ১৮ তলা ভবন নির্মাণের জন্য রাজউকে আবেদন করেন। প্রথমে ১৫ তলার অনুমোদন পেলেও পরবর্তীকালে রাজউকের সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে অবৈধভাবে ১৮ তলা ভবন নির্মাণ করেন। কিন্তু পরবর্তীকালে অবৈধভাবে ২৩ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়।

২০০৭ সালে বিষয়টি তদন্ত করে অনুমোদিত নকশায় অতিরিক্ত পাঁচতলা নির্মাণের প্রমাণ পেয়েও কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি রাজউক।

পরে নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে ১৬ থেকে ২৩ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগে এফআর টাওয়ারের মালিক, রাজউকের সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আরও পড়ুন:আগুন নিয়ন্ত্রণে, উদ্ধার কাজ চলছে

টাকার বান্ডিল ছড়িয়ে ছিটিয়ে এফআর টাওয়ারের ভেতরে

পুলিশ অফিসার হতে চায় ভাইরাল হওয়া নাঈম

 

সব হারালেও মিলছে না সহযোগিতা

সব হারালেও মিলছে না সহযোগিতা
আগুনে সব পুড়ে নিঃস্ব বস্তিবাসী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানী ঢাকার মিরপুর-৭ নম্বর সেকশনের রূপনগর থানার চলন্তিকা মোড় এলাকার ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন সেখানের বাসিন্দারা। তবে ঘটনার তিনদিন পার হলেও কোনও ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্তদের। তারা জানিয়েছেন, আগুনে সব পুড়ে যাওয়ায় এখন তারা নিঃস্ব। এই মুহূর্তে তাদের কাছে কোনও টাকা নেই, থাকার জায়গা নেই, পাচ্ছেন না কোনও সহযোগিতাও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122735592.jpg

 

রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে পুড়ে যাওয়া বস্তিতে গেলে সেখানের বাসিন্দারা এ অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, সেখানে প্রায় তিন হাজার লোকের বসতি ছিল। প্রতিটি ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। কেবল ঘরের পোড়া টিন আর বাঁশের খুঁটি ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122959696.jpg

 

ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী মোহাম্মদ বাদশা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'এই বস্তিতেই ছোট থেকে বড় হয়েছি। তিন মাস হল ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে এবং নিজের জমানো কিছু টাকা দিয়ে মুদির দোকান দিয়েছিলাম। শুক্রবার আগুনে দোকানসহ আমার ঘরবাড়ি শেষ হয়ে গেছে। একদিকে ঋণের বোঝা অন্যদিকে সব হারিয়ে পথের ফকির আমি।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122754512.jpg

 

তিনি আরও বলেন, 'গত তিনদিন ধরে নিয়মিত খেতেও পারছি না। কেউ সামান্য সহযোগিতাও করছেন না। এ অবস্থায় সরকারের কাছ থেকে আমরা সহযোগিতা আশা করছি।'

ঘর পুড়ে বাস্তুহারা হওয়া সমিরন খাতুন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'আমাদের সর্বস্ব চলে গেছে। কিন্তু আমাদের কষ্টটা কেউ বুঝছে না। আজ তিনদিন ধরে বড় বড় স্যাররা আসছেন, দুটো কথা বলছেন, মেশিন দিয়ে ছবি তুলছেন আর চলে যাচ্ছেন। বেলা শেষে আমাদের কিন্তু না খেয়েই থাকতে হচ্ছে। আমাদের মতো গরীব বস্তিবাসীদের কথা কেউ ভাবে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122818136.jpg

 

আরেক ভুক্তভোগী আব্দুল লতিফ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'আমার মেয়ে বিদেশে থাকতো। কয়েকদিন আগে স্বর্ণের গহনা ও নগদ টাকা নিয়ে বাড়ি এসেছে। সেগুলো আমাদের ঘরেই রাখা ছিল। শুক্রবারের আগুনে ঘরে থাকা মূল্যবান এসব সম্পদ ছাড়াও খাট, আলমারি, টিভি, ফ্রিজ পুড়ে গেছে। এখন পোড়া স্তূপে ওইসব গহনা ও টাকা খুঁজছি।'

বস্তির বাসিন্দা ও এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. রনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, সোমবার থেকে তাদের স্কুল খুলবে। সামনে এসএসসি পরীক্ষা। কিন্তু বইপত্র, চেয়ার-টেবিল পুড়ে যাওয়ায় পড়াশুনা করতে পারছে না। অনেক মানুষ আসলেও তাদের কেউ সহযোগিতা করছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122851492.jpg

 

এদিকে রোববার সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া শুরু হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা জেলা প্রশাসক ও সিটি করপোরেশন ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় পৃথকভাবে কাজ করছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় বস্তিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট তিন ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র